নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: ছট উপলক্ষ্যে জেলার সমস্ত জলাশয়, নদীঘাটগুলি পরিষ্কার করেছে প্রশাসন। দুর্ঘটনা এড়াতে ঘাটগুলিতে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়েছে। পুলিসের পাশাপাশি সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা বৃহস্পতিবার ভোর থেকে ঘাটগুলিতে উপস্থিত থাকছেন।
Advertisement
সিউড়ি শহরের তিনটি বড় পুকুরে মূলত ছটপুজো হয়ে থাকে। কালীবাড়ি, সাজানোপল্লি ও হাটজন বাজারে। এই তিনটি বড় পুকুরকেই সংস্কার করা হয়েছে। ঘাটের সামনের অংশ থেকে দোলা, কচুরিপানা সরিয়ে দিয়েছে পুরসভা। এছাড়াও ঘাটের সামনের দিকের অংশটুকুতে জলে নামতে যাতে অসুবিধা না হয় সেদিকেও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তিলপাড়া ঘাটেও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্য ভাবে সাঁইথিয়া শহরে ছটপুজো মহা ধুমধামে পালিত হয়। সেই কারণে সাঁইথিয়া পুরসভার পক্ষ্য থেকে ময়ূরাক্ষী নদীর ঘাটগুলি আগেই পরিষ্কার করা হয়েছে। পুরসভার চেয়ারম্যান বিপ্লব দত্ত বলেন, পুরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে ঘাটগুলি পরিদর্শন করেছি আগেই। পর্যাপ্ত আলো, পোশাক পরিবর্তন করার অস্থায়ী টেন্ট সবই করা হয়েছে। সাঁইথিয়ায় খুবই ঐতিহ্যের সঙ্গে ছটপুজো পালন করেন মানুষজন। প্রশাসন সবরকম সহযোগিতা করবে। অন্যদিকে, রামপুরহাট শহরের গান্ধী পার্ক লাগোয়া দিঘিতে সবথেকে বেশি মানুষের সমাগম হয়। সেই কারণে ঘাটগুলি সাজিয়ে তোলা হয়েছে। বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ছটপুজোর ঘাট পরিদর্শন করেন। তবে এই দিঘিটি বর্ষাকালের আগে জল মারা হয়েছিল। ফের ছটপুজো উপলক্ষ্যে জল ভরা হল। সরকারের দু’বার খরচ হওয়ায় কিছুটা দুঃখ প্রকাশ করেন বিধায়ক। একইভাবে মুরারইয়ের বাঁশলৈ নদীর ঘাটগুলিও পরিষ্কার করা হয়েছে। নলহাটির ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পুকুরটিও সংস্কার করে ছটপুজোর উপযোগী করা হয়েছে। একইভাবে খয়রাশোলের অজয় নদীর চরে পুলিস সিসি ক্যামেরা লাগিয়েছে। ভোরের অন্ধকারে যাতে কোনও অসুবিধা না হয় তার জন্য পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে। অজয়ের ধারে পশ্চিম বর্ধমানের প্রচুর মানুষ ছটপুজো উপলক্ষ্যে ভিড় জমান। নদীতে জল থাকায় কেউ যাতে তলিয়ে না যায় সেই কারণে স্থানীয় ছটপুজো কমিটিগুলিকেও নজর রাখতে নির্দেশ দিয়েছে পুলিস।



