Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ছোট ও প্রান্তিক চাষিদের পাশে দাঁড়াল কৃষি বিপনন দপ্তর, শুরু ন্যায্যমূল্যে আলু ক্রয়

ছোট ও প্রান্তিক চাষিদের পাশে দাঁড়াল কৃষি বিপনন দপ্তর, শুরু ন্যায্যমূল্যে আলু ক্রয়
  • ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: ছোট ও প্রান্তিক আলু চাষিদের পাশে দাঁড়িয়েছে বীরভূম জেলা কৃষি বিপনন দপ্তর। মাঠ থেকে আলু তোলার কাজ শুরু হতেই জেলাজুড়ে ন্যায্যমূল্যে সরকারিভাবে আলু কেনার কাজ শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, প্রায় দেড় মাসে আনুমানিক ১৫০ টন আলু কেনা হয়েছে। সেই কাজ এখনও চলছে। অন্যদিকে জেলার ছোট ও প্রান্তিক আলু চাষিদের কথা ভেবে রাজ্য সরকার হিমঘরের ৩০ শতাংশ স্থান সরংক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে। সেই বিষয়কে সামনে রেখে আজ, বৃহস্পতিবার জেলাশাসক বিধান রায়ের উপস্থিতিতে বিশেষ বৈঠক হওয়ার কথা। সেই বৈঠকে জেলার কৃষিদপ্তরের আধিকারিক থেকে শুরু করে উদ্যান পালন দপ্তর সহ হিমঘরের মালিকেরা উপস্থিত থাকবেন। বিভিন্ন সময় ফড়েদের দাপটে আলু চাষিরা চোখে সর্ষেফুল দেখেন। এছাড়াও ফসলের ন্যায্য দাম না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই চাষের খরচ হিসেব না করেই কম দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হন। কৃষি বিপনন দপ্তর সেই সমস্যা থেকে চাষিদের মুক্তি দিয়েছে। অভাবি বিক্রি রুখতে জেলাজুড়ে আলু কেনার কাজ শুরু হয়েছে। সুফল বাংলার স্টল সহ বিভিন্ন জায়গায় শিবির করে চাষিদের থেকে আলু কেনা হচ্ছে। প্রতি কেজি ১০ টাকা করে আলুর দাম নির্ধারিত হয়েছে। অন্যদিকে ছোট ও প্রান্তিক চাষিদের ক্ষেত্রে রাজ্যের তরফে হিমঘরগুলিতে ৩০ শতাংশ জায়গা সংরক্ষিত করার নির্দেশ জারি হয়েছে। সেখানে একজন চাষি সর্বাধিক ৩৫ কুইন্টাল আলু রাখতে পারবেন। খোদ জেলাশাসক সম্পূর্ণ ব্যবস্থার নজরদারি করবেন। সংরক্ষিত স্থানে চাষিদের নাম করে যাতে অন্য কেউ আলু রাখতে না পারে সে জন্য বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। ঘটনায় ছোট ও প্রান্তিক আলু চাষিরা যথেষ্টই উচ্ছ্বসিত। অভাবি বিক্রি বন্ধ হওয়ায় ইতিমধ্যে অনেকেই ক্ষতি ভুলে লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছেন। 
Advertisement
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমে মোট ১৮টি হিমঘর রয়েছে। জেলার রামপুরহাটে সব থেকে বেশি হিমঘর রয়েছে। সবকটি হিমঘর মিলিয়ে জেলায় প্রায় ২০ লক্ষ ৮১ হাজার ৪২৮ কুইন্টল আলু মজুত করা সম্ভব। মোট মজুতের মধ্যে প্রায় ৬ লক্ষ ২৪ হাজার ২৪৮ কুইন্টাল আলু ছোট ও প্রান্তিক চাষিরা রাখতে পারবেন। ফলে জেলার ছোট ও প্রান্তিক চাষিরা যথেষ্টই খুশি। আলু চাষিদের একাংশের কথায়, রাজ্যের এই উদ্যোগের জেরে আমাদের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে না। সেইসঙ্গে ন্যায্যমূল্যে আলু কেনার কাজ চলতে থাকায় আরও খানিকটা সুরাহা হয়েছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ