সংবাদদাতা, ঘাটাল: দীর্ঘ ছ’ মাস ধরে বন্ধ ঝাঁকরা সমবায় সমিতি। ফলে টাকা তুলতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন আমানতকারীরা। চিকিৎসা, পড়াশোনা, এমনকী চাষাবাদের জন্য তাঁদের মহাজনের থেকে চড়া সুদে ধার করতে হচ্ছে। এনিয়ে চন্দ্রকোণা-২ ব্লকের সমবায় পরির্দশক সুজিত মাইতি কোনও মন্তব্য করতে না চাইলেও তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তথা চন্দ্রকোণা-২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ হীরালাল ঘোষ বলেন, ‘বাম আমল থেকেই ব্যাপক অনিয়ম চলছে। আমানতকারীরা জমা টাকা তুলতে পারছেন না। বিষয়টি নিয়ে আমি দলের জেলা ও রাজ্যস্তরের নেতাদের জানিয়েছি।’
Advertisement
সমবায়টির জন্ম ১৯৩৯ সালে। ঝাঁকরা গঞ্জে একটি মাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক রয়েছে। ফলে ঝাঁকরা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার কৃষিজীবী ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলি এই সমবায়ের উপরই দীর্ঘদিন ধরে নির্ভরশীল।
ঝাঁকরা গ্রামের উত্তম ওঝা জানান, তিনি ওই সমবায়ে টাকা রেখেছিলেন। বর্তমানে বাড়ি তৈরির পরিকল্পনা করেছেন। কিন্তু টাকাও তুলতে পারছেন না। ফলে বাড়ি তৈরিও করতে পারছেন না। উত্তমবাবু মেদিনীপুর এআরসিএস এবং চন্দ্রকোণা-২ ব্লকের সমবায় পরিদর্শককে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ। প্রদীপ ঘোষের ঝাঁকরাতে সোনার দোকান রয়েছে। তিনি জানান, সমবায় বন্ধ থাকার ফলে তিনিও খুবই সমস্যায় পড়েছেন।
চন্দ্রকোণা-২ ব্লক আলু চাষের জন্য বিখ্যাত। ঝাঁকরা গঞ্জের অনুপ দে ও পালংপুরের ভোম্বল ঘোষ জানিয়েছেন, সমবায় থেকে ঋণ না পাওয়ায় এ বছর আলু, ধান ও অন্যান্য চাষের জন্য মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা ধার নিতে হয়েছে। অনেকে আবার সমবায় থেকে টাকা তুলতে পেরে এবার চাষই করতে পারছেন না। একইভাবে, ভক্তিপদ খটিং, মিতালী ঘোষ, অনিমা মণ্ডলদের মতো অসংখ্য পরিবার পড়েছেন চরম অর্থকষ্টে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সিপিএমের এক নেতা নেপাল পাল ওই সমবায়ের ম্যানেজার ছিলেন। কয়েক বছর আগে তিনি অবসর নেন। কিন্তু তারপরও তিনি ওই সমবায়ের দায়িত্বে ছিলেন। কয়েক মাস হল তিনি মারা গিয়েছেন। তারপর থেকেই সমবায়ে তালা। হীরালালবাবু বলেন, ‘ওই ম্যানেজারের আমলে প্রচুর অনিয়ম হয়েছিল। অডিটে এক কোটি ৫২ লক্ষ টাকার হিসেব মেলেনি। সেজন্য ওরা আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে পারেনি। এছাড়ার বহু টাকার অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সমবায়ের গ্রাহকদের সঞ্চিত অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য নেপালবাবু বেঁচে থাকাকালীন তাঁর প্রায় দু’একর জমি সমবায়ের নামে লিখিয়েও নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওই জমি বেচেও গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব হবে না।’ শাসক দল গ্রাহক ও স্থায়ী আমানতকারীদের কথা ভেবে সমবায়টিকে খোলার চেষ্টা করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে সমবায় খুললেও টাকা কী করে ফেরত দেওয়া হবে তার কোনও উপায় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
ঝাঁকরা গ্রামের উত্তম ওঝা জানান, তিনি ওই সমবায়ে টাকা রেখেছিলেন। বর্তমানে বাড়ি তৈরির পরিকল্পনা করেছেন। কিন্তু টাকাও তুলতে পারছেন না। ফলে বাড়ি তৈরিও করতে পারছেন না। উত্তমবাবু মেদিনীপুর এআরসিএস এবং চন্দ্রকোণা-২ ব্লকের সমবায় পরিদর্শককে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ। প্রদীপ ঘোষের ঝাঁকরাতে সোনার দোকান রয়েছে। তিনি জানান, সমবায় বন্ধ থাকার ফলে তিনিও খুবই সমস্যায় পড়েছেন।
চন্দ্রকোণা-২ ব্লক আলু চাষের জন্য বিখ্যাত। ঝাঁকরা গঞ্জের অনুপ দে ও পালংপুরের ভোম্বল ঘোষ জানিয়েছেন, সমবায় থেকে ঋণ না পাওয়ায় এ বছর আলু, ধান ও অন্যান্য চাষের জন্য মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা ধার নিতে হয়েছে। অনেকে আবার সমবায় থেকে টাকা তুলতে পেরে এবার চাষই করতে পারছেন না। একইভাবে, ভক্তিপদ খটিং, মিতালী ঘোষ, অনিমা মণ্ডলদের মতো অসংখ্য পরিবার পড়েছেন চরম অর্থকষ্টে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সিপিএমের এক নেতা নেপাল পাল ওই সমবায়ের ম্যানেজার ছিলেন। কয়েক বছর আগে তিনি অবসর নেন। কিন্তু তারপরও তিনি ওই সমবায়ের দায়িত্বে ছিলেন। কয়েক মাস হল তিনি মারা গিয়েছেন। তারপর থেকেই সমবায়ে তালা। হীরালালবাবু বলেন, ‘ওই ম্যানেজারের আমলে প্রচুর অনিয়ম হয়েছিল। অডিটে এক কোটি ৫২ লক্ষ টাকার হিসেব মেলেনি। সেজন্য ওরা আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে পারেনি। এছাড়ার বহু টাকার অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সমবায়ের গ্রাহকদের সঞ্চিত অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য নেপালবাবু বেঁচে থাকাকালীন তাঁর প্রায় দু’একর জমি সমবায়ের নামে লিখিয়েও নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওই জমি বেচেও গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব হবে না।’ শাসক দল গ্রাহক ও স্থায়ী আমানতকারীদের কথা ভেবে সমবায়টিকে খোলার চেষ্টা করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে সমবায় খুললেও টাকা কী করে ফেরত দেওয়া হবে তার কোনও উপায় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।



