সংবাদদাতা, কাটোয়া: ছ’ বছর ধরে পাচ্ছেন না বকেয়া টাকা। পাওনা বুঝে নিতে কাটোয়া হাসপাতালের পুরস্কারের টাকার হিসেব নিতে আর্জি জানিয়েছিলেন এক ঠিকাদার। তাঁর আর্জিতে সাড়া দিয়ে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে তদন্তে এল স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রতিনিধি দল। উল্লেখ্য, ভালো পারফর্মেন্সের জন্য কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল কয়েক দফায় ৭৫ লক্ষ টাকা পুরস্কার পায়। সেই টাকা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোথায় খরচ করল, তার তদন্ত চেয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের কাছে আবেদন করেছিলেন ওই ঠিকাদার। শুক্রবার জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর থেকে তদন্ত কমিটি আসে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে।
Advertisement
জনস্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নত করতে ২০১৫ সালে চালু হয়েছিল ‘ন্যাশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স স্ট্যান্ডার্ডস’ (এনকিউএএস)। সেই প্রকল্পে ভালো পারফর্মেন্সের জন্য বিভিন্ন হাসপাতালকে মোটা টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালও কয়েক দফায় ৭৫ লক্ষ টাকা পুরস্কার পেয়েছিল। ২০১৯ সালে এনকিউএএস থেকে প্রতিনিধি দল আসে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে পরিদর্শনে। সে সময়ে ওই ঠিকাদারের থেকে ওষুধ, হাসপাতালের সৌন্দর্যায়নের সামগ্রী, পরিদর্শনকারীদের খাবারদাবার সহ বিভিন্ন খাতে জিনিসপত্র নেওয়া হয়েছিল। করোনাকালেও ওই একই ঠিকাদারের থেকে জীবনদায়ী ওষুধ কিনেছিল হাসপাতাল। ঠিকাদারের অভিযোগ, হাসপাতাল ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েই তাঁর ফার্ম থেকে মালপত্র নিয়েছিল। সেইসব বাবদ ৭২ লক্ষ টাকা বিল হয়। কিন্তু ৬ বছর ধরে সেই টাকা দিচ্ছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এদিকে ‘এনকিউএএস’ কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালকে তিন দফায় ২৫ লক্ষ টাকা করে মোট ৭৫ লক্ষ টাকা দিয়েছিল। সেই টাকা কোন খাতে খরচ হয়েছে তা জানতে চান ওই ঠিকাদার।
কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের সুপার বিপ্লব মণ্ডল বলেন, ওই পুরস্কারের টাকায় একটা মেশিন কেনা হয়েছিল বলে জানি। বাকিটা কি হয়েছে জানি না। আমি সে সময়ে ছিলাম না হাসপাতালে। তদন্ত কমিটিকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছি।
ঠিকাদার কিংশুক মণ্ডল বলেন, হাসপাতালে কয়েকজন মিলে আমার দেওয়া বিল লোপাট করে দিয়েছে। তারপর নিজেরা বাঁচার জন্য থানায় একটা এফআইআর রুজু করেছে পরিকল্পিত ভাবে। আমি স্বাস্থ্যদপ্তরের কাছে জানতে চাই, পুরস্কারের ৭৫ লক্ষ টাকা কোন কোন খাতে খরচ করেছে হাসপাতাল তা সবার নজরে আনা হোক। আমার বিল পরিশোধ না করে ওই টাকায় কী উন্নয়নের কাজ হয়েছে তা সবার জানা দরকার। ঠিকাদারের আরও দাবি, প্রাক্তন এক অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার নাকি ইচ্ছে করে বিল পাশ করেননি। এরকম হলে ভবিষ্যতে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ঠিকাদাররা আর কাজ করতে রাজি হবেন না। তাতে ক্ষতির শিকার হবে হাসপাতাল।
এদিন জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের বিল ভেরিফিকেশনের চার সদস্যের একটি টিম কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে আসে। সূত্রের খবর, তাঁরা ঠিকাদারের বকেয়া বিলের তালিকা চান। পাশাপাশি নির্দিষ্ট অভিযোগ নিয়েও জানতে চাওয়া হয়।
পূর্ব বর্ধমান জেলার সিএমওএইচ জয়রাম হেমব্রম বলেন, আমরা তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরেই সব কিছু বলতে পারব। তাছাড়া ঠিকাদারের বিল কীভাবে হাসপাতালে রয়েছে, তা জানা হবে।
কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের সুপার বিপ্লব মণ্ডল বলেন, ওই পুরস্কারের টাকায় একটা মেশিন কেনা হয়েছিল বলে জানি। বাকিটা কি হয়েছে জানি না। আমি সে সময়ে ছিলাম না হাসপাতালে। তদন্ত কমিটিকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছি।
ঠিকাদার কিংশুক মণ্ডল বলেন, হাসপাতালে কয়েকজন মিলে আমার দেওয়া বিল লোপাট করে দিয়েছে। তারপর নিজেরা বাঁচার জন্য থানায় একটা এফআইআর রুজু করেছে পরিকল্পিত ভাবে। আমি স্বাস্থ্যদপ্তরের কাছে জানতে চাই, পুরস্কারের ৭৫ লক্ষ টাকা কোন কোন খাতে খরচ করেছে হাসপাতাল তা সবার নজরে আনা হোক। আমার বিল পরিশোধ না করে ওই টাকায় কী উন্নয়নের কাজ হয়েছে তা সবার জানা দরকার। ঠিকাদারের আরও দাবি, প্রাক্তন এক অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার নাকি ইচ্ছে করে বিল পাশ করেননি। এরকম হলে ভবিষ্যতে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ঠিকাদাররা আর কাজ করতে রাজি হবেন না। তাতে ক্ষতির শিকার হবে হাসপাতাল।
এদিন জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের বিল ভেরিফিকেশনের চার সদস্যের একটি টিম কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে আসে। সূত্রের খবর, তাঁরা ঠিকাদারের বকেয়া বিলের তালিকা চান। পাশাপাশি নির্দিষ্ট অভিযোগ নিয়েও জানতে চাওয়া হয়।
পূর্ব বর্ধমান জেলার সিএমওএইচ জয়রাম হেমব্রম বলেন, আমরা তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরেই সব কিছু বলতে পারব। তাছাড়া ঠিকাদারের বিল কীভাবে হাসপাতালে রয়েছে, তা জানা হবে।



