নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশে পানীয় জলের অবৈধ ৩হাজার ৮৯৩সংযোগ ছিন্ন করতে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পিএইচই। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে অবৈধ সংযোগ কাটার বিশেষ অভিযানে নামে জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তর। পরিস্রুত পানীয় জলের অবৈধ সংযোগ কাটার জন্য মহকুমাভিত্তিক টার্গেট বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়াররা সকাল থেকে পুলিস নিয়ে অভিযানে শামিল হয়েছেন। ওই কাজের জন্য পিএইচইর ইঞ্জিনিয়ার সহ সকল কর্মীর ১৫দিন ছুটি বাতিল হয়েছে। শনি এবং রবিবারও অফিস খুলে এই অপারেশন চলবে।
Advertisement
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট ১১লক্ষ ৬২হাজার পরিবার রয়েছে। তারমধ্যে ৫লক্ষ ৬৪হাজার বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। জল জীবন মিশন প্রকল্পে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহ করা হচ্ছে। এজন্য মাথাপিছু দৈনিক ৫৫লিটার জল বরাদ্দ। কিন্তু, সেই হিসেবকে তোয়াক্কা না করেই দেদার পানীয় জলের অপব্যবহার চলছে। এছাড়াও অবৈধ সংযোগ থেকে পানীয় জল বের করে বেগুন চাষ, মাছের ভেড়ি, মাছের গাড়িতে জল ভর্তি, গৃহপালিত পশুকে স্নান করানো হচ্ছে। গোটা রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পূর্ব মেদিনীপুরে পানীয় জলের অপব্যবহার হচ্ছে। ওই কাজে পিএইচইর ইঞ্জিনিয়ারদের নজরদারি নেই কেন তা নিয়ে সোমবার দপ্তরের মিটিংয়ে তুলোধোনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই পিএইচইর ইঞ্জিনিয়ারদের টনক নড়ে।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় পিএইচইর চারটি মহকুমা রয়েছে। তমলুক সদর মহকুমায় মোট ১১৬৫টি অবৈধ সংযোগ ছিন্ন করার টার্গেট দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ২২৫টি সংযোগ কাটা হয়েছে বলে অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সৈকত যশ জানিয়েছেন। কোলাঘাটে নদীবাহিত জলপ্রকল্প থেকেও প্রচুর অবৈধ সংযোগ করে পানীয় জলের ব্যাপক অপব্যবহার চলছে। ওই প্রজেক্টে ৭৫টি, শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকে আলিনান পিএইচই প্রজেক্টে ১৩টি, মহিষদা জল প্রকল্পে ১৫টি, ময়নায় ২০টি, নন্দকুমার ব্লকে দক্ষিণ কোলসর, গুড়িয়া জল প্রকল্পে ২০টি অবৈধ সংযোগ কাটা হয়েছে। কিন্তু, টার্গেট অনেক বেশি। এদিন সকাল থেকে তমলুক থানার পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে পিএইচইর ইঞ্জিনিয়াররা তমলুক ব্লকের বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ সংযোগ ছিন্ন করেন।
হলদিয়া মহকুমায় ১০৯১টি অবৈধ সংযোগ কাটার জন্য টার্গেট বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত মাত্র ২১টি জায়গায় পানীয় জলের অবৈধ সংযোগ কাটা হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহ ধরে মহকুমা এলাকায় যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ওই কাজ চলবে বলে অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার জানান। একইভাবে পিএইচইর দীঘা এবং কাঁথি মহকুমা এলাকায় ১৬২৩টি অবৈধ সংযোগ কাটার জন্য টার্গেট দেওয়া হয়েছে। দীঘায় এখনও পর্যন্ত অবৈধ কানেকশন ছিন্ন করার কাজ শুরুই হয়নি।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় গ্রামীণ এলাকায় পিএইচইর জল সরবরাহ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ আসছিল।
এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও অভিযোগ যায়। এরপরই প্রতিটি থানার পুলিসের মাধ্যমে পিএইচইর প্রকল্পের অবৈধ সংযোগ কত সেই হিসেব নেওয়া শুরু হয়। সেই হিসেব উঠে আসার পরই সোমবার মুখ্যমন্ত্রী পানীয় জল প্রকল্পের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে মিটিং করেন। সেখানে জেলায় জেলায় পানীয় জলের অবৈধ সংযোগ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। পূর্ব মেদিনীপুরে অবৈধ সংযোগ সবচেয়ে বেশি বলে জানান। দ্রুত ওইসব সংযোগ ছিন্ন করার জন্য পিএইচইকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেইমতো জেলাজুড়ে পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে পানীয় জল প্রকল্পের অবৈধ লাইন কাটছেন দপ্তরের কর্মীরা।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় পিএইচইর চারটি মহকুমা রয়েছে। তমলুক সদর মহকুমায় মোট ১১৬৫টি অবৈধ সংযোগ ছিন্ন করার টার্গেট দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ২২৫টি সংযোগ কাটা হয়েছে বলে অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সৈকত যশ জানিয়েছেন। কোলাঘাটে নদীবাহিত জলপ্রকল্প থেকেও প্রচুর অবৈধ সংযোগ করে পানীয় জলের ব্যাপক অপব্যবহার চলছে। ওই প্রজেক্টে ৭৫টি, শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকে আলিনান পিএইচই প্রজেক্টে ১৩টি, মহিষদা জল প্রকল্পে ১৫টি, ময়নায় ২০টি, নন্দকুমার ব্লকে দক্ষিণ কোলসর, গুড়িয়া জল প্রকল্পে ২০টি অবৈধ সংযোগ কাটা হয়েছে। কিন্তু, টার্গেট অনেক বেশি। এদিন সকাল থেকে তমলুক থানার পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে পিএইচইর ইঞ্জিনিয়াররা তমলুক ব্লকের বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ সংযোগ ছিন্ন করেন।
হলদিয়া মহকুমায় ১০৯১টি অবৈধ সংযোগ কাটার জন্য টার্গেট বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত মাত্র ২১টি জায়গায় পানীয় জলের অবৈধ সংযোগ কাটা হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহ ধরে মহকুমা এলাকায় যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ওই কাজ চলবে বলে অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার জানান। একইভাবে পিএইচইর দীঘা এবং কাঁথি মহকুমা এলাকায় ১৬২৩টি অবৈধ সংযোগ কাটার জন্য টার্গেট দেওয়া হয়েছে। দীঘায় এখনও পর্যন্ত অবৈধ কানেকশন ছিন্ন করার কাজ শুরুই হয়নি।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় গ্রামীণ এলাকায় পিএইচইর জল সরবরাহ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ আসছিল।
এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও অভিযোগ যায়। এরপরই প্রতিটি থানার পুলিসের মাধ্যমে পিএইচইর প্রকল্পের অবৈধ সংযোগ কত সেই হিসেব নেওয়া শুরু হয়। সেই হিসেব উঠে আসার পরই সোমবার মুখ্যমন্ত্রী পানীয় জল প্রকল্পের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে মিটিং করেন। সেখানে জেলায় জেলায় পানীয় জলের অবৈধ সংযোগ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। পূর্ব মেদিনীপুরে অবৈধ সংযোগ সবচেয়ে বেশি বলে জানান। দ্রুত ওইসব সংযোগ ছিন্ন করার জন্য পিএইচইকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেইমতো জেলাজুড়ে পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে পানীয় জল প্রকল্পের অবৈধ লাইন কাটছেন দপ্তরের কর্মীরা।



