সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: ছাদে বাগান তৈরিতে উৎসাহ বাড়াতে এবার বিষ্ণুপুর মেলা কমিটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। প্রতিযোগিতায় সেরা বাগানপ্রেমীদের পুরস্কৃত করা হবে। মেলা কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, ছাদে টবের মধ্যে ফুলের বাগান তৈরি করেন অনেকেই। তাঁদেরকে উৎসাহিত করতে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। তাতে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকেই নির্ধারিত ফর্মে মেলা কমিটির কাছে আবেদন করেছেন। এবং প্রতিযোগিতায় সবার সেরা হওয়ার লক্ষ্যে নিজেদের বাগানকে আরও সুন্দর করে সাজানোর প্রস্তুতি নিয়েছেন।
Advertisement
বিষ্ণুপুর মেলা কমিটির সচিব তথা বিষ্ণুপুরের মহকুমাশাসক প্রসেনজিৎ ঘোষ বলেন, আবেদনকারিদের পক্ষে টব সমেত মেলায় নিয়ে আসার অসুবিধা হবে। সেজন্য প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রত্যেকের বাড়ির ছাদে বিচারকমণ্ডলীর সদস্যরা যাবেন। সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হবে। তারপর মেলার মঞ্চে নির্দিষ্ট দিনে সফলদের পুরস্কৃত করা হবে।
বিষ্ণুপুর পুরসভার ১০নম্বর ওয়ার্ডের মাধবগঞ্জের বড়মতলার বাসিন্দা পেশায় জনশিক্ষণ বিভাগে কর্মী মুনমুন পাল বলেন, গত ১০ বছর ধরে শখের বশে ছাদে বাগান তৈরি করেছি। চাকরির ফাঁকে অবসর সময়ে তা পরিচর্যা করতে হয়। মোট ২২৮টি টবে বিভিন্ন ধরনের ফুল, ফল ও সব্জির গাছ রয়েছে। তার মধ্যে রঙ্গন, গোলাপ, গাঁদা, স্নো বল, টরনিয়া, অষ্ট্রেলিয়ান জবা, কাগজফুল প্রভৃতি দেশি ও বিদেশি ফুল রয়েছে। আমাদের ভালো লাগার বাগানকে নিয়ে মেলা কমিটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। এতে আমি ভীষণ খুশি হয়েছি। সেজন্য আমি প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছি। বাগানটিকে আরও বেশি সুন্দর করে গুছিয়ে নিচ্ছি।
শহরের তিলবাড়ি বিএড কলেজ রোডের বাসিন্দা, পেশায় নাচের স্কুলের শিক্ষিকা চিরশ্রী চট্টোপাধ্যায় বলেন, প্রায় ৩০বছর ধরে আমাদের বাড়িতে ফুলের বাগান রয়েছে। খন দোতলার ছাদে ৬৫টি টবে ফুল, ফল, সব্জি এবং ভেষজ উদ্ভিদ রয়েছে। ছাদবাগান নিয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করায় মেলা কমিটিকে সাধুবাদ জানাই।
বিষ্ণুপুর পুরসভার ১০নম্বর ওয়ার্ডের মাধবগঞ্জের বড়মতলার বাসিন্দা পেশায় জনশিক্ষণ বিভাগে কর্মী মুনমুন পাল বলেন, গত ১০ বছর ধরে শখের বশে ছাদে বাগান তৈরি করেছি। চাকরির ফাঁকে অবসর সময়ে তা পরিচর্যা করতে হয়। মোট ২২৮টি টবে বিভিন্ন ধরনের ফুল, ফল ও সব্জির গাছ রয়েছে। তার মধ্যে রঙ্গন, গোলাপ, গাঁদা, স্নো বল, টরনিয়া, অষ্ট্রেলিয়ান জবা, কাগজফুল প্রভৃতি দেশি ও বিদেশি ফুল রয়েছে। আমাদের ভালো লাগার বাগানকে নিয়ে মেলা কমিটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। এতে আমি ভীষণ খুশি হয়েছি। সেজন্য আমি প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছি। বাগানটিকে আরও বেশি সুন্দর করে গুছিয়ে নিচ্ছি।
শহরের তিলবাড়ি বিএড কলেজ রোডের বাসিন্দা, পেশায় নাচের স্কুলের শিক্ষিকা চিরশ্রী চট্টোপাধ্যায় বলেন, প্রায় ৩০বছর ধরে আমাদের বাড়িতে ফুলের বাগান রয়েছে। খন দোতলার ছাদে ৬৫টি টবে ফুল, ফল, সব্জি এবং ভেষজ উদ্ভিদ রয়েছে। ছাদবাগান নিয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করায় মেলা কমিটিকে সাধুবাদ জানাই।



