নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে উচ্চ নেতৃত্বের নির্দেশে তৈরি হবে নতুন সাংগঠনিক কাঠামো। তা হওয়ার পরেই বিধানসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের প্রস্তুতি শুরু করবে জেলা তৃণমূল। ২০২৫ সাল ধরে বিভিন্ন পদ্ধতিতে প্রচার চালাবে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। বুথ স্তরে সংগঠন আরও মজবুত করতে একাধিক বৈঠকও হবে। তৃণমূল নেতাদের দাবি, চলতি বছরেই আগামী বিধানসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের প্রস্তুতি শুরু হবে। উচ্চ নেতৃত্বের তরফে প্রথম থেকেই সকলকে একসঙ্গে চলার বার্তা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে জন সংযোগে বিশেষ জোর দেওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে উচ্চ নেতৃত্বের তরফে।
Advertisement
তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে। সাধারণ মানুষ আমাদের পাশেই থাকবেন বলে আশাবাদী। বুথস্তরে সংগঠন আরও মজবুত করতে হবে। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই জারি থাকবে।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই বিরোধীদের সংগঠন কমতে শুরু করে। একের পর এক নির্বাচনের ফলাফল তার প্রমাণ। অপরদিকে, তৃণমূলের ভোট বাড়লেও পাল্লা দিয়ে বাড়তে শুরু করে গোষ্ঠী কোন্দল। যা একেবারেই ভালো চোখে দেখেনি তৃণমূলের উচ্চ নেতৃত্ব। গত লোকসভা ভোটে তো বটেই, এমনকি উপ নির্বাচনেও গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে সংগঠন ঢেলে সাজার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বহু নেতা পদ হারাবেন বলেও সম্ভবনা তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে বহু নতুন মুখকেও পদ দেওয়া হতে পারে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে একশো শতাংশ সিট কনফার্ম করতে চাইছে জেলা নেতৃত্ব।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, নতুন সাংগঠনিক কাঠামোয় একাধিক রদবদল হবে। বুথ স্তরে সংগঠন মজবুত করতে চাইছে জেলা নেতৃত্ব। তবে সবচেয়ে বেশি মাথাব্যথার কারণ গোষ্ঠী কোন্দল। এক গোষ্ঠীর নেতারা অপর গোষ্ঠীর নেতাকর্মীদের একেবারে পছন্দ করছে না। যার কিছুটা প্রভাব পড়ছে ভোট বাক্সে।
এদিন জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, তৃণমূলের একটাই পোস্ট, বাকি সব ল্যাম্প পোস্ট। নেতারা আসলে জানেনই না তাঁদের পদ কাল থাকবে কিনা। এই দলে যে যত বেশি টাকা দেবে, তাঁকে বড় পদ দেওয়া হবে।আর ২০২৫ সালে নতুন বিজেপিকে দেখতে পাবে তৃণমূল।
সিপিআই জেলা কমিটির সদস্য মণিকুন্তল খামরুই বলেন, তৃণমূলের অন্দরে চরম আকারে গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে। উপ নির্বাচনেও সেই দিক ফুটে উঠেছে। আর বিজেপি সারা বছর মাঠে ময়দানে থাকে না। তাঁরা ভোটের সময়ে পতাকা লাগাবে, বুথে বুথে খরচ করবে। কিন্তু সারা বছর মানুষের পাশে থাকবে বামপন্থীরা।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই বিরোধীদের সংগঠন কমতে শুরু করে। একের পর এক নির্বাচনের ফলাফল তার প্রমাণ। অপরদিকে, তৃণমূলের ভোট বাড়লেও পাল্লা দিয়ে বাড়তে শুরু করে গোষ্ঠী কোন্দল। যা একেবারেই ভালো চোখে দেখেনি তৃণমূলের উচ্চ নেতৃত্ব। গত লোকসভা ভোটে তো বটেই, এমনকি উপ নির্বাচনেও গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে সংগঠন ঢেলে সাজার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বহু নেতা পদ হারাবেন বলেও সম্ভবনা তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে বহু নতুন মুখকেও পদ দেওয়া হতে পারে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে একশো শতাংশ সিট কনফার্ম করতে চাইছে জেলা নেতৃত্ব।
এক তৃণমূল নেতা বলেন, নতুন সাংগঠনিক কাঠামোয় একাধিক রদবদল হবে। বুথ স্তরে সংগঠন মজবুত করতে চাইছে জেলা নেতৃত্ব। তবে সবচেয়ে বেশি মাথাব্যথার কারণ গোষ্ঠী কোন্দল। এক গোষ্ঠীর নেতারা অপর গোষ্ঠীর নেতাকর্মীদের একেবারে পছন্দ করছে না। যার কিছুটা প্রভাব পড়ছে ভোট বাক্সে।
এদিন জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, তৃণমূলের একটাই পোস্ট, বাকি সব ল্যাম্প পোস্ট। নেতারা আসলে জানেনই না তাঁদের পদ কাল থাকবে কিনা। এই দলে যে যত বেশি টাকা দেবে, তাঁকে বড় পদ দেওয়া হবে।আর ২০২৫ সালে নতুন বিজেপিকে দেখতে পাবে তৃণমূল।
সিপিআই জেলা কমিটির সদস্য মণিকুন্তল খামরুই বলেন, তৃণমূলের অন্দরে চরম আকারে গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে। উপ নির্বাচনেও সেই দিক ফুটে উঠেছে। আর বিজেপি সারা বছর মাঠে ময়দানে থাকে না। তাঁরা ভোটের সময়ে পতাকা লাগাবে, বুথে বুথে খরচ করবে। কিন্তু সারা বছর মানুষের পাশে থাকবে বামপন্থীরা।



