সংবাদদাতা, পতিরাম: কুমারগঞ্জের পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতির চেয়ারে বসে ছবি তুললেন এক যুবক। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার আগে জানতেও পারেননি সহ সভাপতি সাবের আলি সরকার।
Advertisement
তৃণমূল সূত্রে খবর, ওই যুবক দলের কর্মী। সহ সভাপতির অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়েই তিনি ওই ঘরে গিয়ে ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন। যা নিয়ে বিতর্ক ছড়িয়েছে কুমারগঞ্জ ব্লকে।
সাবের আলি বলেন, একজনের বাড়িতে আগুন লেগেছিল। সরকারি সাহায্যের জন্য ওই যুবক তাকে আমার কাছে এনেছিল। কিছুক্ষণের জন্য বিডিওর ঘরে গিয়েছিলাম। সেই সময়ে ওই ছবি তুলেছে। বিষয়টি জানতাম না। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করার পরই যুবকের বাড়িতে গিয়েছিলাম। কিন্তু তাকে কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। কেন এমন করেছে জানি না। এরপর থেকে আমি না থাকলে যাতে ঘর না খোলা হয়, সেই নির্দেশ দেব।
এ বিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, সব জায়গায় তৃণমূলের কর্মীরা এভাবেই দাদাদিরি করে। দলের কেউ সরকারি পদের সম্মান করে না। এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এনিয়ে তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মফিজউদ্দিন মিয়াঁ বলেন, ওই যুবক হয়তো শখে ছবি তুলেছেন। কিন্তু সরকারি চেয়ারে বসে এভাবে অবমাননা করা ঠিক নয়। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।
সাবের আলি বলেন, একজনের বাড়িতে আগুন লেগেছিল। সরকারি সাহায্যের জন্য ওই যুবক তাকে আমার কাছে এনেছিল। কিছুক্ষণের জন্য বিডিওর ঘরে গিয়েছিলাম। সেই সময়ে ওই ছবি তুলেছে। বিষয়টি জানতাম না। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করার পরই যুবকের বাড়িতে গিয়েছিলাম। কিন্তু তাকে কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। কেন এমন করেছে জানি না। এরপর থেকে আমি না থাকলে যাতে ঘর না খোলা হয়, সেই নির্দেশ দেব।
এ বিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, সব জায়গায় তৃণমূলের কর্মীরা এভাবেই দাদাদিরি করে। দলের কেউ সরকারি পদের সম্মান করে না। এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এনিয়ে তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মফিজউদ্দিন মিয়াঁ বলেন, ওই যুবক হয়তো শখে ছবি তুলেছেন। কিন্তু সরকারি চেয়ারে বসে এভাবে অবমাননা করা ঠিক নয়। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।



