নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: দীর্ঘ ছ’বছরের বেশি সময় ধরে গৃহ সমীক্ষা হয়নি পুরুলিয়া পুরসভায়। একতলা বাড়ি তিনতলা হয়েছে, কিন্তু সম্পত্তি কর বিন্দুমাত্র বাড়েনি। যার ফলে পুরসভার আয় একই জায়গায় আটকে রয়েছে। অথচ খরচ বাড়ছে প্রতিবছর। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে কর্মীদের মাইনে দিতেই হিমশিম খাওয়ার জোগাড় হয়েছে পুরসভার।
Advertisement
পুরসভার চেয়ারম্যান নব্যেন্দু মাহালি বলেন, পুরসভায় প্রায় ৩৫ হাজার বাড়ি রয়েছে। সম্পত্তি কর মূল্যায়ন করে ভ্যালুয়েশন বোর্ড। পাঁচ বছর অন্তর সেই প্রক্রিয়া অনুযায়ী ঠিক হয় ‘অ্যানুয়াল রেন্টা ভ্যালু’। যার ভিত্তিতে সম্পত্তির উপর কর নেওয়া হয়। যদিও পুরুলিয়া পুরসভায় শেষ ভ্যালুয়েশনের কাজ হয়েছিল সেই ২০১৮-’১৯ সালে। সেই সময় অনেক বৈষম্যও হয়েছে। বহু গরিব মানুষের ট্যাক্স বেড়ে গিয়েছে। আবার যাঁদের ট্যাক্স বেশি হওয়ার কথা কথা ছিল, তাঁরা সমীক্ষার কাজে নিজেদের প্রভাব খাটিয়েছেন। ট্যাক্স বাড়তে দেননি। ফলে, যাঁদের ট্যাক্স হঠাৎ করে বেড়ে গিয়েছে, তাঁরা আবার পুনরায় মূল্যায়নের দাবি করছেন। মূল্যায়ন না হওয়ায় তাঁরা ট্যাক্স দেওয়া বন্ধ রেখেছেন। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি বেশ জটিল জায়গায় পৌঁছেছে।
চেয়ারম্যানের সংযোজন, সম্পত্তি কর মূল্যায়নের ব্যাপারে আমরা ভ্যালুয়েশন বোর্ডকে জানিয়েছি। বহু চিঠি চালাচালিও করেছি। কবে থেকে গৃহ সমীক্ষা শুরু হয়, তার অপেক্ষায় রয়েছি।
পুরুলিয়া পুরসভায় এলাকায় মোট ২৩টি ওয়ার্ড রয়েছে। শহরের বাসিন্দাদের বসতবাড়ি, দোকানঘর, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বিভিন্ন ভবনের জন্য হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় করে পুরসভা। যা থেকে প্রতি মাসে কয়েক লক্ষ টাকা আয় হয় পুরসভার। তবে, গত ছ’বছর ধরে মূল্যায়ন হয়নি। তাছাড়া, গতবারের মূল্যায়নের সময় বহু নেতা থেকে শুরু করে প্রভাবশালীরা ট্যাক্সে কারচুপি করেছে বলে অভিযোগ। এমন নেতাও রয়েছেন যাঁর মার্বেল বসানো ঝাঁ চকচকে চারতলা বাড়ি, অথচ বাড়ির ত্রৈমাসিক কর মাত্র ৬৫ টাকা! আবার অনেকের ট্যাক্স এমন বেড়ে গিয়েছে যে তিনি ট্যাক্স দেওয়াই বন্ধ করে দিয়েছেন। অনেকে আবার বাড়িতে ভাড়াটিয়া রাখলেও তা লুকিয়ে গিয়েছেন। ট্যাক্স বাড়তে দেননি।
তবে, সম্প্রতি বিধানসভায় ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মিউনিসিপ্যাল সংশোধনী বিল’ এবং ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন সংশোধনী বিল’ পাশ হয়। নয়া নিয়ম অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ ভ্যালুয়েশন বোর্ড কর সংক্রান্ত যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে, তারপরেও স্ব-মূল্যায়নের সুযোগ পাবেন করদাতারা। করদাতারা কোনও কারচুপি করে ধরা পড়লে মোটা টাকা জরিমানাও গুনতে হবে। শুধু তাই নয়, যে সমস্ত পুরসভার গত পাঁচ বছর ধরে ভ্যালুয়েশনের কাজ হয়নি, সেসব ক্ষেত্রে নয়া কর নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত আগের তুলনায় ১০ শতাংশ সম্পত্তি কর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই সমস্ত এলাকায় ভ্যালুয়েশনের কাজ শেষ হলে যদি দেখা যায় সম্পত্তি করের হার আরও বেড়ে গিয়েছে, তাহলে তা কমানোর আইনি সংস্থানও থাকছে বলে জানা গিয়েছে।
চেয়ারম্যানের সংযোজন, সম্পত্তি কর মূল্যায়নের ব্যাপারে আমরা ভ্যালুয়েশন বোর্ডকে জানিয়েছি। বহু চিঠি চালাচালিও করেছি। কবে থেকে গৃহ সমীক্ষা শুরু হয়, তার অপেক্ষায় রয়েছি।
পুরুলিয়া পুরসভায় এলাকায় মোট ২৩টি ওয়ার্ড রয়েছে। শহরের বাসিন্দাদের বসতবাড়ি, দোকানঘর, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বিভিন্ন ভবনের জন্য হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় করে পুরসভা। যা থেকে প্রতি মাসে কয়েক লক্ষ টাকা আয় হয় পুরসভার। তবে, গত ছ’বছর ধরে মূল্যায়ন হয়নি। তাছাড়া, গতবারের মূল্যায়নের সময় বহু নেতা থেকে শুরু করে প্রভাবশালীরা ট্যাক্সে কারচুপি করেছে বলে অভিযোগ। এমন নেতাও রয়েছেন যাঁর মার্বেল বসানো ঝাঁ চকচকে চারতলা বাড়ি, অথচ বাড়ির ত্রৈমাসিক কর মাত্র ৬৫ টাকা! আবার অনেকের ট্যাক্স এমন বেড়ে গিয়েছে যে তিনি ট্যাক্স দেওয়াই বন্ধ করে দিয়েছেন। অনেকে আবার বাড়িতে ভাড়াটিয়া রাখলেও তা লুকিয়ে গিয়েছেন। ট্যাক্স বাড়তে দেননি।
তবে, সম্প্রতি বিধানসভায় ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মিউনিসিপ্যাল সংশোধনী বিল’ এবং ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন সংশোধনী বিল’ পাশ হয়। নয়া নিয়ম অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ ভ্যালুয়েশন বোর্ড কর সংক্রান্ত যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে, তারপরেও স্ব-মূল্যায়নের সুযোগ পাবেন করদাতারা। করদাতারা কোনও কারচুপি করে ধরা পড়লে মোটা টাকা জরিমানাও গুনতে হবে। শুধু তাই নয়, যে সমস্ত পুরসভার গত পাঁচ বছর ধরে ভ্যালুয়েশনের কাজ হয়নি, সেসব ক্ষেত্রে নয়া কর নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত আগের তুলনায় ১০ শতাংশ সম্পত্তি কর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই সমস্ত এলাকায় ভ্যালুয়েশনের কাজ শেষ হলে যদি দেখা যায় সম্পত্তি করের হার আরও বেড়ে গিয়েছে, তাহলে তা কমানোর আইনি সংস্থানও থাকছে বলে জানা গিয়েছে।



