সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: ঝাড়গ্রাম পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁদাবিলা মৌজায় বসবাস ১১০টি লোধা-শবর পরিবারের। রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চলে লোধা-শবর পরিবারগুলি সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিক চিন্তাভাবনার শরিক হয়ে উঠলেও চাঁদাবিলায় বসবাসকারীরা এখনও পিছিয়ে। এঁরা যেমন প্রসবের সময়ে হাসপাতালে যান না, তেমনি সন্তান উৎপাদনেও লাগামছাড়া। পরিবারের কারওরই জন্মের শংসাপত্র নেই। নেই আধার ও ভোটার কার্ড। স্বভাবতই সরকারি বিভিন্ন সুযোগ সুবিধে থেকেও বঞ্চিত এই পরিবারগুলি।
Advertisement
এই ১১০টি পরিবারকে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের শরিক করতে এগিয়ে এল অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তর। একটি বিশেষ শিবির করে এই মৌজার লোধা-শবরদের জন্মের শংসাপত্র সার্টিফিকেট দেওয়া হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তরের জেলা প্রকল্প আধিকারিক পার্থ দে বলেন, এর আগে লোধা-শবর অধ্যুষিত বিভিন্ন গ্রামে শিবির করে জন্মের শংসাপত্র, ভোটার ও আধার কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। ঝাড়গ্রাম পুরসভার চাঁদাবিলা এলাকাটি সে সময় বাদ থেকে যায়। তাঁদের জন্মের শংসাপত্র ও অন্যান্য সার্টিফিকেট ও ‘লোধা হাউস’ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই নিয়ে পুরসভার চেয়ারম্যানের সাথে এক প্রস্থ আলোচনা হয়েছে। প্রয়োজনের বিশেষ শিবির করে তাঁদের জন্ম শংসাপত্র দেওয়া হবে।
চাঁদাবিলা মৌজার বাসিন্দা, মুগলী ও সনাতন ভুক্তার পরিবারের ৯ জন সন্তানের মধ্যে একজনেরও জন্মের শংসাপত্র নেই। বেলা শবর ও দুলাল শবরের ৩ জন সন্তানের কারওরই জন্মের শংসাপত্র নেই। এই গ্রামেরই রেনু মল্লিক ও তারু মল্লিকের তিন সন্তানেরও নেই বার্থ সার্টিফিকেট। প্রদীপ দণ্ডপাট ও রুপালী দণ্ডপাটের আধার ও ভোটার কার্ড নেই। তাদের ৩ সন্তানেরও জন্ম সার্টিফিকেট নেই। এই গ্রামেরই সাথী দণ্ডপাটের চার ছেলেমেয়ের জন্ম সার্টিফিকেট নেই।
জানা গিয়েছে, এখানকার লোধা শবররা সচেতন নয়। ‘দোরগোড়ায় চিকিৎসা কেন্দ্র’-এর ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসক কৌশিক মাহাত এই মর্মে গত ১৩ ডিসেম্বর ঝাড়গ্রাম জেলাশাসক ও অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তরের জেলা প্রকল্প আধিকারিককে লিখিত আবেদন জানান। লিখিত আবেদনে যে সমস্ত পরিবারের জন্ম সার্টিফিকেট, আধার ও ভোটার কার্ড নেই তাদের ছবি সম্বলিত তথ্য প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। কৌশিকবাবু বলেন, তিন বছর আগে এই চাঁদাবিলাতে বিশেষ শিবির করে বিভিন্ন সার্টিফিকেট দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল প্রশাসন। সে সময়ে আমি নিজে উদ্যোগ নিয়ে গ্রামের কয়েকটি লোধা-শবর পরিবারকে শিবিরে নিয়ে যাই। কিন্তু অনেক পরিবার শিবিরে যোগ দেয়নি। তাদের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে। এর ফলে তারা রেশন থেকে শুরু করে সরকারি সুযোগ সুবিধে থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
চাঁদাবিলা মৌজার বাসিন্দা, মুগলী ও সনাতন ভুক্তার পরিবারের ৯ জন সন্তানের মধ্যে একজনেরও জন্মের শংসাপত্র নেই। বেলা শবর ও দুলাল শবরের ৩ জন সন্তানের কারওরই জন্মের শংসাপত্র নেই। এই গ্রামেরই রেনু মল্লিক ও তারু মল্লিকের তিন সন্তানেরও নেই বার্থ সার্টিফিকেট। প্রদীপ দণ্ডপাট ও রুপালী দণ্ডপাটের আধার ও ভোটার কার্ড নেই। তাদের ৩ সন্তানেরও জন্ম সার্টিফিকেট নেই। এই গ্রামেরই সাথী দণ্ডপাটের চার ছেলেমেয়ের জন্ম সার্টিফিকেট নেই।
জানা গিয়েছে, এখানকার লোধা শবররা সচেতন নয়। ‘দোরগোড়ায় চিকিৎসা কেন্দ্র’-এর ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসক কৌশিক মাহাত এই মর্মে গত ১৩ ডিসেম্বর ঝাড়গ্রাম জেলাশাসক ও অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তরের জেলা প্রকল্প আধিকারিককে লিখিত আবেদন জানান। লিখিত আবেদনে যে সমস্ত পরিবারের জন্ম সার্টিফিকেট, আধার ও ভোটার কার্ড নেই তাদের ছবি সম্বলিত তথ্য প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। কৌশিকবাবু বলেন, তিন বছর আগে এই চাঁদাবিলাতে বিশেষ শিবির করে বিভিন্ন সার্টিফিকেট দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল প্রশাসন। সে সময়ে আমি নিজে উদ্যোগ নিয়ে গ্রামের কয়েকটি লোধা-শবর পরিবারকে শিবিরে নিয়ে যাই। কিন্তু অনেক পরিবার শিবিরে যোগ দেয়নি। তাদের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে। এর ফলে তারা রেশন থেকে শুরু করে সরকারি সুযোগ সুবিধে থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।



