সংবাদদাতা, চাঁচল: ঘণ্টা, চক, ডাস্টার, ব্ল্যাকবোর্ড নেই। খাতায় কলমে স্কুল থাকলেও দেখা যেত না। এভাবে ২১ বছর চলার পর গত ৩০ নভেম্বর ঘটনার কথা প্রকাশিত হয়েছিল ‘বর্তমান’ পত্রিকায়। তারপরেই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। ২৪ দিনের মাথায় মালদহের চাঁচল-২ ব্লকের নয়াটোলা শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হল। মঙ্গলবার কাজের শিলান্যাস করেন ভাকরি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আগনেস পারভিন। তিনি জানিয়েছেন, সাড়ে তিন লক্ষ টাকা খরচ করে ভবন তৈরি হচ্ছে। রান্নাঘর ও শৌচালয় সহ একটি শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের কাজ হবে।
Advertisement
২০০৩ সালে নয়াটোলা শিশুশিক্ষা কেন্দ্র চালু হলেও এতদিন ভবন হয়নি। খোলা আকাশের নীচে আমগাছের তলায় ২১ বছর স্কুল চলছিল সেখানে। এমন অব্যবস্থা নিয়ে ফুঁসছিলেন অভিভাবকেরা। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত সেখানে খাতায়কলমে ৩৩ জন পড়ুয়া থাকলেও গড়ে রোজ ১০ জন উপস্থিত হয়। ভবন না থাকায় বছর বছর পড়ুয়া সংখ্যা কমেছে। সেখানে একজন মুখ্য ও দু’জন সহায়িকা রয়েছেন। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালে ভবন নির্মাণের জন্য টাকা বরাদ্দ হয়। কিন্তু জমিজটের কারণে সেই কাজ করা যায়নি। সহায়িকা সালমা সুলতানা বলেন, বৃষ্টি হলে কারও বাড়িতে পড়ানো হতো। এখন শীতে মাদুর পেতে পাঠদান হচ্ছে। ঘর নির্মাণ শুরু হওয়ায় স্বস্তি পেলাম।
কাজ শুরু হওয়ায় খুশি এলাকাবাসীও। অভিভাবক কালো বেগম বলেন, এতদিন প্রশাসনের উদাসীনতায় মাথার উপর ছাদ পায়নি ছাত্রছাত্রীরা। এবার নিশ্চিন্তে স্কুল করতে পারবে ছেলেমেয়েরা। আমরা ভীষণ খুশি।
কাজ শুরু হওয়ায় খুশি এলাকাবাসীও। অভিভাবক কালো বেগম বলেন, এতদিন প্রশাসনের উদাসীনতায় মাথার উপর ছাদ পায়নি ছাত্রছাত্রীরা। এবার নিশ্চিন্তে স্কুল করতে পারবে ছেলেমেয়েরা। আমরা ভীষণ খুশি।



