সংবাদদাতা, চাঁচল: আদালতের সামনে রাস্তায় প্রকাশ্যে চুল ধরে টেনে হিঁচড়ে মাটিতে ফেলে স্ত্রী ও শাশুড়িকে মারধরের অভিযোগ উঠল যুবকের বিরুদ্ধে। শেষপর্যন্ত স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে রক্ষা পান মা ও মেয়ে। মঙ্গলবার দুপুরে চাঁচল মহকুমা আদালতের বাইরে ভারতী নগরে এমন ঘটনা দেখে হতচকিত হয়ে পড়েন পথচারীরা। পরে পুলিস গিয়ে অভিযুক্ত যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। মা ও মেয়ের প্রাথমিক চিকিৎসা হয় চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে খবর, চাঁচল থানার কালীগঞ্জ দামাইপুরের বাসিন্দা আজাদ আলি পাঁচ বছর আগে বিয়ে করেন লালগঞ্জ চিলাপাড়ার সখী খাতুনকে। বছর দুয়েক সবকিছু বেশ ঠিকঠাকই চলছিল। তারপর থেকেই খুঁটিনাটি বিষয়ে অশান্তি শুরু হয়। আজাদ দীর্ঘদিন ধরে পরিযায়ী শ্রমিক। কাজের সূত্রে বছরের বেশিরভাগ সময় ভিনরাজ্যে কাটান। স্বামী বাইরে গেলে বাপের বাড়িতে থাকতেন সখী। প্রথম স্ত্রী বাপের বাড়িতে থাকাকালীন কয়েকমাস আগে দ্বিতীয় বিয়ে করেন আজাদ। আসবাবপত্র সহ অন্য সামগ্রী উদ্ধারের জন্য প্রথম স্ত্রী আইনের দ্বারস্থ হন। অভিযোগ,এদিন আদালতে ঢোকার আগেই স্ত্রী ও শাশুড়িকে বেধড়ক মারধর করেন আজাদ।
প্রত্যক্ষদর্শী রাকেশ আলি বলেন, এভাবে মহিলাদের মারধর করা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা না আটকালে অঘটন ঘটে যেত। ওই যুবকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
অভিযুক্ত আজাদের দাবি, প্রথমে ওরাই আমার শার্টের কলার ধরে টানে। প্রথম স্ত্রীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। গ্রামে সালিশি সভা হলেও সে সংসার করতে চায়নি। তাই বাধ্য হয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেছি।
অন্যদিকে সখী বলেন, স্বামীর অবৈধ সম্পর্ক ছিল বলে শ্বশুরবাড়িতে যাইনি। এখন বিয়ে করে নিয়েছে। সব জিনিসপত্র ফেরত চাই। আমাকে ও মাকে যেভাবে মারধর করা হয়েছে , সেটা সবাই দেখেছেন।
চাঁচল থানার এক আধিকারিক বলেন, যুবককে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। অভিযোগ হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রত্যক্ষদর্শী রাকেশ আলি বলেন, এভাবে মহিলাদের মারধর করা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা না আটকালে অঘটন ঘটে যেত। ওই যুবকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
অভিযুক্ত আজাদের দাবি, প্রথমে ওরাই আমার শার্টের কলার ধরে টানে। প্রথম স্ত্রীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। গ্রামে সালিশি সভা হলেও সে সংসার করতে চায়নি। তাই বাধ্য হয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেছি।
অন্যদিকে সখী বলেন, স্বামীর অবৈধ সম্পর্ক ছিল বলে শ্বশুরবাড়িতে যাইনি। এখন বিয়ে করে নিয়েছে। সব জিনিসপত্র ফেরত চাই। আমাকে ও মাকে যেভাবে মারধর করা হয়েছে , সেটা সবাই দেখেছেন।
চাঁচল থানার এক আধিকারিক বলেন, যুবককে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। অভিযোগ হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



