সংবাদদাতা, চাঁচল: মালদহ জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের মধ্যস্থতায় ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে জল পড়ল চাঁচলের কার্নিভাল বিবাদে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই তরলতলায় নির্দিষ্ট জায়গায় শুরু হয় কার্নিভাল।
Advertisement
সোমবার কার্নিভালের আয়োজনে স্টল দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ বাধে। চাঁচল-১ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ ও তৃণমূলের চাঁচল-১ ব্লক সহসভাপতি তথা কার্নিভাল কমিটির কর্মকর্তা অমিতেষ পান্ডেও জড়িয়ে পড়েন। পুলিস লাঠিচার্জ করে উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুই গোষ্ঠীর এই লড়াইয়ের ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়ে তৃণমূল।
দলের নির্দেশেই চাঁচলের এনআরইজিএস ভবনে শান্তি বৈঠক ডাকেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বকসি। সেখানে ছিলেন চাঁচলের বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষ ও মালদহ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি রফিকুল হোসেন সহ প্রশাসনের আধিকারিকেরা। সেখানে রহিম বলেন, পঞ্চায়েত সমিতির সৌন্দর্যায়নের কাজের জায়গা বাদ দিয়ে স্টল করা হবে। মঙ্গলবার সকালে বেলুন উড়িয়ে চাঁচলের জমকালো কার্নিভালের সূচনা করেন নীহাররঞ্জন ঘোষ। উপস্থিত ছিলেন চাঁচলের অন্তর্বর্তীকালীন মহকুমা শাসক প্রীতিশ দাস সহ অন্যরা। এই উপলক্ষ্যে কলেজ রোডে পিচের রাস্তায় আলপনা প্রতিযোগিতা শুরু হয়। রং, তুলি নিয়ে অংশ নেন ২০ জন শিল্পী। প্রথম তিনজনকে পুরস্কৃত করা হয়। রাতে বাজি প্রদর্শনীর মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে কমিটি। নীহাররঞ্জন ঘোষ বলেন, কিছু ভুলবোঝাবুঝির জন্য বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। ঝামেলা মিটে গিয়েছে। চাঁচলের মানুষের আবেগের কথা মাথায় রেখে এবার জমকালো কার্নিভাল হচ্ছে।
তবে জট কাটলেও ভরা সদরে আইনশৃঙ্খলা ভাঙার অপরাধে পুলিস স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে। চাঁচল থানার এক আধিকারিক বলেন, উৎসব যাতে নির্বিঘ্নে কাটে, সেজন্য পুলিস সবরকমভাবে প্রস্তুত। আইন ভাঙলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে চাঁচল থানার আশাপুরেও স্থানীয়দের উদ্যোগে বর্ষবরণের কার্নিভাল শুরু হয়েছে মঙ্গলবার। এই উপলক্ষ্যে রোড রেস সহ একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়। দৌড়ের সূচনা করেন মালদহ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি রফিকুল হোসেন, চাঁচল থানার আইসি পুর্ণেন্দু কুণ্ডু ও খরবা ফাঁড়ির ওসি তানবির হাবিব আজাদ সহ অন্যরা। রাতে বাজি প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বর্ষবরণ করা হয় সেখানে।
দলের নির্দেশেই চাঁচলের এনআরইজিএস ভবনে শান্তি বৈঠক ডাকেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বকসি। সেখানে ছিলেন চাঁচলের বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষ ও মালদহ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি রফিকুল হোসেন সহ প্রশাসনের আধিকারিকেরা। সেখানে রহিম বলেন, পঞ্চায়েত সমিতির সৌন্দর্যায়নের কাজের জায়গা বাদ দিয়ে স্টল করা হবে। মঙ্গলবার সকালে বেলুন উড়িয়ে চাঁচলের জমকালো কার্নিভালের সূচনা করেন নীহাররঞ্জন ঘোষ। উপস্থিত ছিলেন চাঁচলের অন্তর্বর্তীকালীন মহকুমা শাসক প্রীতিশ দাস সহ অন্যরা। এই উপলক্ষ্যে কলেজ রোডে পিচের রাস্তায় আলপনা প্রতিযোগিতা শুরু হয়। রং, তুলি নিয়ে অংশ নেন ২০ জন শিল্পী। প্রথম তিনজনকে পুরস্কৃত করা হয়। রাতে বাজি প্রদর্শনীর মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে কমিটি। নীহাররঞ্জন ঘোষ বলেন, কিছু ভুলবোঝাবুঝির জন্য বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। ঝামেলা মিটে গিয়েছে। চাঁচলের মানুষের আবেগের কথা মাথায় রেখে এবার জমকালো কার্নিভাল হচ্ছে।
তবে জট কাটলেও ভরা সদরে আইনশৃঙ্খলা ভাঙার অপরাধে পুলিস স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে। চাঁচল থানার এক আধিকারিক বলেন, উৎসব যাতে নির্বিঘ্নে কাটে, সেজন্য পুলিস সবরকমভাবে প্রস্তুত। আইন ভাঙলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে চাঁচল থানার আশাপুরেও স্থানীয়দের উদ্যোগে বর্ষবরণের কার্নিভাল শুরু হয়েছে মঙ্গলবার। এই উপলক্ষ্যে রোড রেস সহ একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়। দৌড়ের সূচনা করেন মালদহ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি রফিকুল হোসেন, চাঁচল থানার আইসি পুর্ণেন্দু কুণ্ডু ও খরবা ফাঁড়ির ওসি তানবির হাবিব আজাদ সহ অন্যরা। রাতে বাজি প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বর্ষবরণ করা হয় সেখানে।



