সংবাদদাতা, চাঁচল: উদ্বোধনের ফলক রয়েছে। চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল চত্বরে ঝকঝকে হয়ে রয়েছে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের ঘর। তবুও পরিষেবা চালু হয়নি। এনিয়ে বিপাকে পড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল চত্বরের খোলা জায়গায় পড়ে থাকছে আবর্জনা। যা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। সেই আবর্জনার স্তূপের পাশ দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হচ্ছেন রোগী ও তাদের পরিজনরা।
Advertisement
দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের এই অবস্থা দেখে সেখানে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থা প্রকল্প নির্মাণের উদ্যোগ নেয় মালদহ জেলা পরিষদ। এজন্য ১৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দে কাজ হয়। প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ শেষ পড়ে থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে তা চালু করছে না জেলা পরিষদ বলে অভিযোগ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রকল্পটি জেলা পরিষদ এখনও তাদের হস্তান্তর করেনি। হাসপাতালের আবর্জনা সেখানে কিভাবে রাখা হবে তা জানানো হয়নি। ফলে সেটি ব্যবহার করতে পারছে না হাসপাতাল। যার জেরে হাসপাতালের আনাচে কানাচে পড়ে থাকছে আবর্জনা। তাতে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাস্তা দিয়ে নাকেমুখে কাপড় দিয়ে যাচ্ছিলেন রতুয়ার দুলালি খাতুন। তিনি বলেন, এইভাবে আবর্জনা দেখলে মুখে খাবার ঢুকবে না। দুর্গন্ধে তো মানুষজন অসুস্থ হয়ে যাবে। চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সুপার সুমিত তালুকদার বলেন, প্রকল্পটি সংশ্লিষ্টরা আমাদের হস্তান্তর করেনি। কীভাবে সেটি ব্যবহার করব আমরা তা জানি না। দ্রুত সেটি চালু হলে হাসপাতালের সুবিধার পাশাপাশি মানুষজনও দুর্গন্ধ থেকে রেহাই পাবে।
মালদহ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি রফিকুল হোসেন বলেন, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থা বা প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্পের নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। তবে পচনশীলের বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য যন্ত্রাংশ আসেনি। দ্রুত যাতে সেটি চালু করা হয়, প্রশাসনিকভাবে তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।
বৃহস্পতিবার রাস্তা দিয়ে নাকেমুখে কাপড় দিয়ে যাচ্ছিলেন রতুয়ার দুলালি খাতুন। তিনি বলেন, এইভাবে আবর্জনা দেখলে মুখে খাবার ঢুকবে না। দুর্গন্ধে তো মানুষজন অসুস্থ হয়ে যাবে। চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সুপার সুমিত তালুকদার বলেন, প্রকল্পটি সংশ্লিষ্টরা আমাদের হস্তান্তর করেনি। কীভাবে সেটি ব্যবহার করব আমরা তা জানি না। দ্রুত সেটি চালু হলে হাসপাতালের সুবিধার পাশাপাশি মানুষজনও দুর্গন্ধ থেকে রেহাই পাবে।
মালদহ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি রফিকুল হোসেন বলেন, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থা বা প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্পের নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। তবে পচনশীলের বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য যন্ত্রাংশ আসেনি। দ্রুত যাতে সেটি চালু করা হয়, প্রশাসনিকভাবে তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।



