•রথযাত্রা আসন্ন। বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের অন্যতম উৎসব। অনেকে বাড়িতে বলরাম, সুভদ্রা, জগন্নাথের পুজো করেন। কলকাতার কোনো কোনো অংশে আজও রথের মেলা বসে। সেখানে যাওয়ার জন্যও উৎসাহ থাকে। সবমিলিয়ে শারদোৎসবের আগে পুজোর গন্ধ মাখা একটি বিশেষ দিন। তার সাজও তো বিশেষ হতেই হবে। অভিনেত্রী সুদীপ্তা রায় বেছে নিয়েছিলেন একটি সুতির শাড়ি। একেবারে হালকা এই ধরনের ফ্যাব্রিক সারাদিন পরে থাকা যায়। পুজোর কাজ সেরে কর্মক্ষেত্রেও চলে যেতে পারেন আপনি একই শাড়ি পরে। ধূসর রঙা জমির শাড়িটিতে রয়েছে গঙ্গা-যমুনা পাড়। একদিকে কালো, একদিকে লাল। পাটলিপাল্লু স্টাইলে তৈরি শাড়িটির বিশেষত্ব কুচির কাজ। লাল, কালো চেক সেখানে রয়েছে। শাড়ির আঁচল এবং উপরের দিকের পাড়ে একইসঙ্গে রয়েছে অ্যাপ্লিক ও সুতোর কাজ। সুদীপ্তা শাড়ি পরতে ভালোবাসেন। চরিত্রের প্রয়োজনে নানা ধরনের শাড়ি পরতে হয় তাঁকে। কিন্তু ব্যক্তিজীবনে তাঁর কাছে সুতির শাড়ির কোনো বিকল্প নেই। পুজোর দিনগুলোতে মায়ের থেকে শাড়ি নিয়ে পরা তাঁর ছোটোবেলার অভ্যেস। এখন নিজের সংগ্রহেও বেশ কিছু শাড়ি রয়েছে। তার মধ্যে লাল-কালোর কম্বিনেশন সব সময়ই জনপ্রিয়। যে কোনো অনুষ্ঠানে নিশ্চিন্তে পরে নেওয়া যায়। মানানসই গয়না পরে নিলেই সাজ সম্পূর্ণ। এই শাড়িটি কালো, লাল দু’রঙের ব্লাউজ দিয়েই ভালো মানাবে। এই ধরনের শাড়ির নিজস্ব ব্লাউজও পরতে পারেন। আবার একটু আলাদা লুক তৈরি করতে চাইলে কনট্রাস্ট কিছু পরে ফেলাই শ্রেয়। তবে সাজের মধ্যে বাঙালিয়ানা বজায় রাখতে হবে। পুজোর দিনে ঘরোয়া আঙ্গিকই মানায় ভালো। সেকথা মাথায় রেখেই সুদীপ্তাকে হালকা মেকআপ করানো হয়েছিল। এবার আপনার পালা। ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী শাড়ি বেছে নিন। কোন রং আপনাকে মানায় ভালো, তা মাথায় রেখে শাড়ি কিনুন।



