Bartaman Logo
১৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

মার্কিন হামলায় ছারখার চাবাহার বন্দর, পালটা ধ্বংস আমেরিকার বিমান

মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের চাবাহার বন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভারতীয় বাণিজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। বিস্তারিত পড়ুন।

মার্কিন হামলায় ছারখার চাবাহার বন্দর, পালটা ধ্বংস আমেরিকার বিমান
  • ১৮ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ওয়াশিংটন: টানা ছ’রাত। ইরানের উপর লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন সেনা। বৃহস্পতিবার রাতে আমেরিকার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কমপক্ষে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। জখম ২০ জন। মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ছারখার ইরানের চাবাহার বন্দর। হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছে সেখানকার ওয়াচ টাওয়ার। চারদিক কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে। আর সেই ধ্বংসলীলার ছবি প্রকাশ্যে এনেছেন স্বয়ং মার্কিন বিদেশ সচিব পিট হেগসেথ। পাকিস্তানকে এড়িয়ে বাণিজ্যের জন্য এই চাবাহার বন্দরে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে ভারত। এখান দিয়েই নয়াদিল্লি বহু পণ্য আমদানি ও রপ্তানি করে। তাই বিশেষজ্ঞদের দাবি, সেই বন্দরে লাগাতার হামলার জেরে বিপাকে পড়তে পারে ভারত।

Advertisement

ইরানের আহবাজ শহরে শিশুদের ক্যানসার হাসপাতালের কাছেও আছড়ে পড়েছে মিসাইল। বৃহস্পতিবার এক্স হ্যান্ডলে ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই বলেন, ‘আবারও বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। ওই হাসপাতালে ২১১ জনের কেমোথেরাপি চলছিল। তড়িঘড়ি তাদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’ জবাব দিতে দেরি করেনি ইরানও। তেহরানের দাবি, পরপর ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন হামলায় জর্ডনের মার্কিন ঘাঁটিতে থাকা একাধিক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।
সুইৎজারল্যান্ডে দু’পক্ষ শান্তি আলোচনায় বসার পর থেকে এযাবৎ আমেরিকার হামলায় ইরানে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৪০০ জনের বেশি জখম। আমেরিকার মিসাইলে ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের ছ’টি সেতু, রেলস্টেশন সহ একাধিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। তারই জবাবে জর্ডনের মার্কিন সেনাঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে তেহরান। সিরিয়ার আল-তানাফে আমেরিকার স্পেশাল অপারেশন কমান্ড সেন্টারকেও নিশানা করা হয়েছে। বাহরিন-কুয়েতেও ড্রোন হামলা চলেছে। হরমুজ প্রণালী নিয়ে শঙ্কা কাটেনি। শোনা যাচ্ছে, এভাবে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে আমেরিকা হামলা চালাতে থাকলে হুথি বিদ্রোহীদের সাহায্য নেবে তেহরান। ইতিমধ্যে বাব আল-মান্দাব প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার জন্য হুথিদের প্রস্তুত থাকতে বলেছে ইরান। এতে সমুদ্রপথে বিপদ আরও বাড়বে। যদিও এই অস্থির পরিস্থিতিতে হোয়াইট হাউজের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, এখনও ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সমঝোতা করতে মরিয়া ইরান।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ