সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প চা সুন্দরী। শনিবার এই প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে মাদারিহাট ব্লকের দু’টি বন্ধ ও একটি সচল চা বাগানের ৪৩৮ জন শ্রমিক ঘরের চাবি পেলেন। ঘর পেয়ে তিনটি চা বাগানের শ্রমিকরা উচ্ছ্বসিত। শ্রমিকদের এদিন ‘মমতা দিদি, দিদি’ বলে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতেও দেখা গিয়েছে। এদিন তিনটি বাগানের শ্রমিকদের হাতে চা সুন্দরী প্রকল্পের ঘরের চাবি তুলে দেন জেলাশাসক আর বিমলা। উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিধায়ক জয়প্রকাশ টোপ্পো ও জয়গাঁ ডেভেলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা।
Advertisement
উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি কালচিনির সুভাষিণী চা বাগানের মাঠে সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠান থেকেই তিনটি বাগানে এই প্রকল্পের ঘরের উদ্বোধন করেন। জেলাশাসক আর বিমলা বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে তিনটি বাগানের শ্রমিকদের হাতে চা সুন্দরী প্রকল্পের ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়েছে।
চা সুন্দরী প্রকল্পে প্রথম পর্যায়ে ১১২৭ জন শ্রমিক ঘর পেয়েছেন। এবার দ্বিতীয় পর্যায়ে মাদারিহাটের তিনটি চা বাগানের ৪৩৮ জন শ্রমিক ঘর পেলেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, তিনটি চা বাগানের মধ্যে বন্ধ ঢেকলাপাড়ায় ১৫১, লঙ্কাপাড়ায় ১১৭ ও সচল মুজনাইয়ের ১৭০ জন শ্রমিক এদিন ঘরের চাবি পেয়েছেন। ঘরের চাবি পেয়ে বন্ধ ঢেকলাপাড়ার শ্রমিক গঙ্গারাম লোহার বলেন, ২০ বছর ধরে বন্ধ আমাদের বাগান। সমস্ত শ্রমিক আবাস জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। কেন্দ্র সরকার চা শ্রমিকদের নিয়ে কোনও দিন ভাবেনি। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আমরা পাকা ঘর পেলাম। তার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।
প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায় মিলিয়ে ১৫৬৫ জন শ্রমিক চা সুন্দরী ঘর পেলেন। তৃতীয় পর্যায়ে মাদারিহাটের ঢেকলাপাড়া, লঙ্কাপাড়া ও মুজনাই তিনটি চা বাগানের ১৪০৪ জন শ্রমিক এই প্রকল্পের ঘর পাবেন। জেলাশাসক বলেন, এখন ওই ১৪০৪টি চা সুন্দরী প্রকল্পের ঘর তৈরির কাজ চলছে। খুব শীঘ্রই ঘরগুলির নির্মাণ কাজও শেষ হয়ে যাবে। নিজস্ব চিত্র।
চা সুন্দরী প্রকল্পে প্রথম পর্যায়ে ১১২৭ জন শ্রমিক ঘর পেয়েছেন। এবার দ্বিতীয় পর্যায়ে মাদারিহাটের তিনটি চা বাগানের ৪৩৮ জন শ্রমিক ঘর পেলেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, তিনটি চা বাগানের মধ্যে বন্ধ ঢেকলাপাড়ায় ১৫১, লঙ্কাপাড়ায় ১১৭ ও সচল মুজনাইয়ের ১৭০ জন শ্রমিক এদিন ঘরের চাবি পেয়েছেন। ঘরের চাবি পেয়ে বন্ধ ঢেকলাপাড়ার শ্রমিক গঙ্গারাম লোহার বলেন, ২০ বছর ধরে বন্ধ আমাদের বাগান। সমস্ত শ্রমিক আবাস জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। কেন্দ্র সরকার চা শ্রমিকদের নিয়ে কোনও দিন ভাবেনি। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আমরা পাকা ঘর পেলাম। তার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।
প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায় মিলিয়ে ১৫৬৫ জন শ্রমিক চা সুন্দরী ঘর পেলেন। তৃতীয় পর্যায়ে মাদারিহাটের ঢেকলাপাড়া, লঙ্কাপাড়া ও মুজনাই তিনটি চা বাগানের ১৪০৪ জন শ্রমিক এই প্রকল্পের ঘর পাবেন। জেলাশাসক বলেন, এখন ওই ১৪০৪টি চা সুন্দরী প্রকল্পের ঘর তৈরির কাজ চলছে। খুব শীঘ্রই ঘরগুলির নির্মাণ কাজও শেষ হয়ে যাবে। নিজস্ব চিত্র।



