সংবাদদাতা, বোলপুর: বর্তমান যুগে মানুষ অনেক বেশি স্বাস্থ্য সচেতন। শরীর সুস্থ রাখতে স্বাস্থ্যচর্চার পাশাপাশি সুষম আহারের দিকেও নজর দিয়েছেন অধিকাংশ মানুষ। তাই, পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে অনেকেই চিয়া বীজ (চিয়া সিডস্) রাখছেন নিজের খাদ্য তালিকায়। সহজলভ্য না হওয়ায় অনেক বেশি টাকায় অনলাইনে কিনতে হচ্ছে চিয়া সিডস। বিভিন্ন অনলাইন শপিং অ্যাপে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয় চিয়া সিডস। তবে বীরভূমের মানুষের জন্য সুখবর। এবার স্থানীয় কৃষকদের কাছেই মিলবেচিয়া বীজ। তার জন্য অভূতপূর্ব উদ্যোগ নিয়েছে বোলপুর-শ্রীনিকেতন ব্লক কৃষিদপ্তর। বীরভূম জেলায় প্রথমবার চিয়া বীজ চাষ করে তাক লাগানো সাফল্য পেয়েছেওই দপ্তর। এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি (সংক্ষেপে আত্মা) প্রকল্পের আওতায় ব্লকের চার কৃষককে এই চাষ করার জন্য সুবিধে দেওয়া হয়েছে। কৃষিদপ্তরের পরামর্শে তাঁরা যেরকম সাফল্য পেয়েছেন, তাতে বীরভূমের কৃষিক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খোলা শুধু সময়ের অপেক্ষা— এমনটাই মনে করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা।
Advertisement
পুষ্টিবিদদের মতে, চিয়া বীজ হল পুষ্টির ‘পাওয়ার হাউস’। ক্ষুদ্র এই বীজগুলি ফাইবার, প্রোটিন এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে পরিপূর্ণ। এছাড়া, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজের সেরা উৎস। পাশাপাশি হার্ট সুস্থ রাখা সহ ওজন নিয়ন্ত্রণে এই সহজপাচ্য বীজের কোনও বিকল্প নেই। তাই এর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। কৃষকদের অর্থ উপার্জনের পথ প্রশস্ত করতে বোলপুর-শ্রীনিকেতন ব্লক, জেলায় প্রথমবার এই চিয়াবীজ চাষের উদ্যোগ নিয়েছে। এর জন্য, বোলপুরের রজতপুরের শেখ আব্দুল আলিম, কামারডাঙালের সুপ্রিয় চট্টোপাধ্যায়, সিয়ান-মুলুক পঞ্চায়েতের তাপস মণ্ডল ও মোহাম্মদ ফিরোজকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এই চার কৃষককে দু’ কেজি করে চিয়া বীজ, ১০০ কেজি ভার্মি কম্পোস্ট, ৫০ কেজি রাসায়নিক সার ও কীটনাশক সহ ছত্রাকনাশকও দিয়েছে ব্লক কৃষিদপ্তর। এছাড়া, যেহেতু প্রথমবার চাষ, তাই কৃষিদপ্তরের আধিকারিক নিয়মিত পরিদর্শন ও সবরকম প্রযুক্তিগত সহায়তাও করেছেন।
চিয়া মূলত রবিশস্য এবং শীতকালেই এর চাষ হয়। নভেম্বরের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহ বীজ বপণের জন্য আদর্শ সময়। মূলসার হিসেবে জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করতে হয়। এই গাছ এতটাই স্বাবলম্বী, যে আগাছা দমনের জন্য কৃষককে আলাদা কিছু করতে হয় না। তাড়াতাড়ি বেড়ে ওঠায় জমিতে আগাছা বেড়ে উঠতে পারেনা। ফলে চাষির পরিশ্রম অনেক কম হয়। চাষের সময়সীমা কমবেশি চার মাস। এ বিষয়ে কৃষিদপ্তরের ব্লক টেকনোলজি ম্যানেজার উৎপল পাল বলেন, চিয়া বীজ অত্যন্ত অর্থকরী ফসল। সঠিক পদ্ধতি ও উন্নত প্রযুক্তি মেনে চাষ করলে কৃষকরা ধান, সর্ষে, গমের থেকেও অনেক বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। মূলত, রুক্ষ অঞ্চলে এই চাষ হয়। জলও কম লাগে। বেশি পরিচর্যারও প্রয়োজন নেই। ফলে অন্যান্য চাষের তুলনায় এই চাষে খরচঅনেক কম। রুক্ষ বা অনাবাদি জমিতে চাষিরা স্বচ্ছন্দে এই চাষ করতে পারেন। কৃষিদপ্তরের ভূমিকায় অত্যন্ত খুশি শেখ আব্দুল আলিম, তাপস মণ্ডলরা। তাঁরা বলেন, ভাবিনি প্রথমবারেই এই সাফল্য পাব। সব কৃতিত্বই কৃষিদপ্তরের।
চিয়া মূলত রবিশস্য এবং শীতকালেই এর চাষ হয়। নভেম্বরের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহ বীজ বপণের জন্য আদর্শ সময়। মূলসার হিসেবে জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করতে হয়। এই গাছ এতটাই স্বাবলম্বী, যে আগাছা দমনের জন্য কৃষককে আলাদা কিছু করতে হয় না। তাড়াতাড়ি বেড়ে ওঠায় জমিতে আগাছা বেড়ে উঠতে পারেনা। ফলে চাষির পরিশ্রম অনেক কম হয়। চাষের সময়সীমা কমবেশি চার মাস। এ বিষয়ে কৃষিদপ্তরের ব্লক টেকনোলজি ম্যানেজার উৎপল পাল বলেন, চিয়া বীজ অত্যন্ত অর্থকরী ফসল। সঠিক পদ্ধতি ও উন্নত প্রযুক্তি মেনে চাষ করলে কৃষকরা ধান, সর্ষে, গমের থেকেও অনেক বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। মূলত, রুক্ষ অঞ্চলে এই চাষ হয়। জলও কম লাগে। বেশি পরিচর্যারও প্রয়োজন নেই। ফলে অন্যান্য চাষের তুলনায় এই চাষে খরচঅনেক কম। রুক্ষ বা অনাবাদি জমিতে চাষিরা স্বচ্ছন্দে এই চাষ করতে পারেন। কৃষিদপ্তরের ভূমিকায় অত্যন্ত খুশি শেখ আব্দুল আলিম, তাপস মণ্ডলরা। তাঁরা বলেন, ভাবিনি প্রথমবারেই এই সাফল্য পাব। সব কৃতিত্বই কৃষিদপ্তরের।



