নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চা বাগানের অব্যবহৃত জমির ৩০ শতাংশ পর্যটন ক্ষেত্রে ব্যবহারের নীতি নির্ধারণ করেছে নবান্ন। এই সিদ্ধান্তের অপব্যাখ্যাসহ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার নবান্নে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর সাফ কথা, যে জায়গায় চা চাষ হয় কোনও অবস্থাতেই সেই জমিতে হাত দেওয়া হবে না। চা চাষের সঙ্গে কোনওরকম আপস নয়। চা বাগান সম্পর্কে কিছু না বুঝেই গুজব ছড়াচ্ছে একটি ভূতুড়ে রাজনৈতিক দল। এই গুজবে কেউ কান দেবেন না।
Advertisement
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে রাজ্যের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে উত্তরবঙ্গে মিছিল করেছিল বিজেপি। রাজ্যের এই নয়া নীতির পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, চা বাগান এবং আদিবাসীদের জমিরক্ষার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার যথেষ্ট সক্রিয়। ফলে চা চাষের জমি ফ্রি হোল্ড হিসেবে দেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে চা বাগানের অব্যবহৃত জমির ৩০ শতাংশ জমি পর্যটন ক্ষেত্রে ব্যবহার করার ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি আছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তবেই তার ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
এছাড়া রুগ্ন ছ’টি চা বাগানের অব্যবহৃত জমি অন্য কাজে ব্যবহারের জন্য লিজ দিতে এদিন ছাড়পত্র দিল রাজ্য মন্ত্রিসভা। এগুলি প্রায় বন্ধই। প্রথমে তিনবছরের জন্য লিজ দেওয়া হল। পরে তার মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ বছর করা হতে পারে। আবার, জলপাইগুড়ির চাঙমারিতে স্থায়ী ফাঁড়ি তৈরির জন্য বিএসএফকে চা বাগানের অব্যবহৃত দু’একর জমি প্রদানের ছাড়পত্র দিল মন্ত্রিসভা।
এছাড়া রুগ্ন ছ’টি চা বাগানের অব্যবহৃত জমি অন্য কাজে ব্যবহারের জন্য লিজ দিতে এদিন ছাড়পত্র দিল রাজ্য মন্ত্রিসভা। এগুলি প্রায় বন্ধই। প্রথমে তিনবছরের জন্য লিজ দেওয়া হল। পরে তার মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ বছর করা হতে পারে। আবার, জলপাইগুড়ির চাঙমারিতে স্থায়ী ফাঁড়ি তৈরির জন্য বিএসএফকে চা বাগানের অব্যবহৃত দু’একর জমি প্রদানের ছাড়পত্র দিল মন্ত্রিসভা।



