নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: নিজের জমি নেই। চা বাগানে কিংবা খাস জমিতে বসবাস করছেন। এহেন ‘ভূমিহীনরাও’ পাবেন ‘বাংলার বাড়ি’। এজন্য তাঁদের জোগাড় করে দেওয়া হবে জমি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের নির্দেশে এ ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছে শিলিগুড়ি মহকুমা প্রশাসন। এই মহকুমার গ্রামীণ এলাকায় এমন ভূমিহীনের সংখ্যা ৮৪৫ জন। বুধবার অতিরিক্ত জেলাশাসক (মহকুমা পরিষদ) নির্মাল্য ঘরামি বলেন, ইতিমধ্যে সার্ভে করে ভূমিহীনদের নামের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের নির্দেশ মতো তাঁদের জমি জোগাড় করে বাংলার বাড়ি প্রদান করা হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
Advertisement
ভূমিহীনদের জমির অধিকার দিতে অনেকদিন ধরেই তৎপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এজন্য তারা বহু আগে নিজ গৃহ নিজ ভূমি ও চা শ্রমিকদের জন্য চা সুন্দরী প্রকল্প এবং পাট্টা প্রদান কর্মসূচি চালু করেছে। ইতিমধ্যে তারা জমির পাকাপাকি অধিকার প্রদানের পাশাপাশি প্রচুর মানুষকে বাড়ি তৈরি করে দিয়েছে। এবার ভূমিহীনদের আনা হচ্ছে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের অধীনে। এজন্য সমীক্ষা করে ভূমিহীনদের তালিকাও প্রস্তুত করা হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, শিলিগুড়ি মহকুমার গ্রামীণ এলাকায় ভূমিহীনের সংখ্যা ৮৪৫ জন। এমন বাসিন্দার সংখ্যা খড়িবাড়ি ব্লকে সর্বাধিক, ৪৩১। এরবাইরে মাটিগাড়ায় ১৭৫, ফাঁসিদেওয়ায় ১৮৮ ও নকশালবাড়ি ব্লকে ৫১ জন ভূমিহীন রয়েছেন। এঁদের অধিকাংশ চা বাগানে বসবাস করছেন। তাঁদের নামে কোনও জমি নেই। আবার কিছু লোক বসবাস করছে খাস জমিতে।
প্রশাসনের আধিকারিকরা বলেন, যাঁরা চা বাগানে বসবাস করছেন, তাঁদেরকে বাগান কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জমি ব্যবহারের এনওসি নিতে হবে। তা মিললেও তাঁদের বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ঘর প্রদান করা হবে। আর যাঁরা খাস জমি বা অন্যের জমিতে বসবাস করছেন, তাঁদেরকে জমি জোগাড় করে পাট্টা প্রদান করা হবে। এরপর তাঁদেরকে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ঘর তৈরি করে দেওয়া হবে। এজন্য ব্লক এলাকায় পাট্টা প্রদানের উপযুক্ত খাস জমি চিহ্নিতও করা হয়েছে।
এখানকার ভূমিহীনদের অধিকাংশই চা বাগানের শ্রমিক। আবার কেউ কেউ পেশায় দিনমজুর। কেউ আবার অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। খেটে খাওয়া ওই গ্রামবাসীরা রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত। তাঁদের একাংশের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে এখানে বসবাস করলেও জমির অধিকার মেলেনি। এই অবস্থায় মাঝেমধ্যেই এনআরসি ও সিএএ’র হিড়িক ওঠে। কাজেই ঘোর দুশ্চিন্তায় রয়েছি। এমন প্রেক্ষাপটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এবার সরকার থেকেই মিলবে জমি ও বাড়ি। কাজেই এখন নিশ্চিন্তে রাতে ঘুমোতে পারব।
প্রশাসন সূত্রে খবর, শিলিগুড়ি মহকুমার গ্রামীণ এলাকায় ভূমিহীনের সংখ্যা ৮৪৫ জন। এমন বাসিন্দার সংখ্যা খড়িবাড়ি ব্লকে সর্বাধিক, ৪৩১। এরবাইরে মাটিগাড়ায় ১৭৫, ফাঁসিদেওয়ায় ১৮৮ ও নকশালবাড়ি ব্লকে ৫১ জন ভূমিহীন রয়েছেন। এঁদের অধিকাংশ চা বাগানে বসবাস করছেন। তাঁদের নামে কোনও জমি নেই। আবার কিছু লোক বসবাস করছে খাস জমিতে।
প্রশাসনের আধিকারিকরা বলেন, যাঁরা চা বাগানে বসবাস করছেন, তাঁদেরকে বাগান কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জমি ব্যবহারের এনওসি নিতে হবে। তা মিললেও তাঁদের বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ঘর প্রদান করা হবে। আর যাঁরা খাস জমি বা অন্যের জমিতে বসবাস করছেন, তাঁদেরকে জমি জোগাড় করে পাট্টা প্রদান করা হবে। এরপর তাঁদেরকে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ঘর তৈরি করে দেওয়া হবে। এজন্য ব্লক এলাকায় পাট্টা প্রদানের উপযুক্ত খাস জমি চিহ্নিতও করা হয়েছে।
এখানকার ভূমিহীনদের অধিকাংশই চা বাগানের শ্রমিক। আবার কেউ কেউ পেশায় দিনমজুর। কেউ আবার অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। খেটে খাওয়া ওই গ্রামবাসীরা রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত। তাঁদের একাংশের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে এখানে বসবাস করলেও জমির অধিকার মেলেনি। এই অবস্থায় মাঝেমধ্যেই এনআরসি ও সিএএ’র হিড়িক ওঠে। কাজেই ঘোর দুশ্চিন্তায় রয়েছি। এমন প্রেক্ষাপটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। এবার সরকার থেকেই মিলবে জমি ও বাড়ি। কাজেই এখন নিশ্চিন্তে রাতে ঘুমোতে পারব।



