নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত ২২ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে জিএসটির নয়া হার চালু হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বহু ক্রেতার অভিযোগ, প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও তাঁরা জিএসটির হার কমার সুবিধা পাচ্ছেন না। পণ্য কিনতে গেলে তাঁদের এখনও পুরোনো হারেই জিএসটি মেটাতে হচ্ছে। সমস্যা যে রয়েই গিয়েছে, মেনে নিলেন সেন্ট্রাল জিএসটি বিভাগের কলকাতা জোনের চিফ জিএসটি কমিশনার শ্রবণ কুমার।
শুক্রবার বণিকসভা আইসিসি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শ্রবণ কুমার বলেন, যখন থেকে জিএসটির নয়া কর কাঠামো চালু হয়েছে, তারপর রাতারাতি সব পণ্য থেকে পুরোনো দাম তুলে দিয়ে নতুন জিএসটির হার অনুযায়ী নয়া দাম সেঁটে দেওয়া কঠিন। সেই কাজের জন্য সংস্থাগুলিকে সময় দিতে হবে। সব ক্ষেত্রে নতুন দাম সেঁটে দেওয়া সম্ভব হয়নি। আমরা বিষয়টির উপর নজর রাখছি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ করিনি। আমাদের আশা, আগামী দিন কুড়ির মধ্যেই গোটা বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে। তারপরও যদি ক্রেতাদের দামের সুরাহা না দেওয়া হয়, তাহলে আমরা পদেক্ষপ করব।
এদিন শ্রবণকুমার আরও জানান, গত সেপ্টেম্বরে যেখানে জিএসটি বাবদ রাজস্ব বৃদ্ধির হার ২০২৪ সালের তুলনায় ৯ শতাংশ বেশি ছিল, তা গত অক্টোবরে গতবছরের ওই মাসের নিরিখে ৪.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রাথমিকভাবে বৃদ্ধির হার সামান্য ধাক্কা খেলেও, দ্রুত তা কাটিয়ে উঠবে দেশ। ছন্দে ফিরবে জিএসটি আদায় বৃদ্ধির হার। আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
পাশাপাশি শ্রবণকুমার জানান, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে রাজ্যে চালু হচ্ছে জিএসটি অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল। জিএসটি সংক্রান্ত মতবিরোধের সুরাহায় যে পরিকাঠামো তৈরির চাহিদা ছিল, তার অবসান হতে চলেছে। এর ফলে জিএসটি সংক্রান্ত মীমাংসা দ্রুত হবে। দক্ষিণ কলকাতার আলিপুরে তার পরিকাঠামো তৈরির কাজ প্রায় শেষের পথে, জানিয়েছেন ওই জিএসটি কর্তা।