সংবাদদাতা, বোলপুর: জনগণনাকে সামনে রেখে বিশ্বভারতী চত্বরে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হল প্রাথমিক পর্বের এলাকা নির্ধারণের কাজ। এদিন বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বিভিন্ন এলাকার সীমানা নির্ধারণ ও সরেজমিনে যাচাই করা হয়। জেলা প্রশাসনের একটি অংশ ও বিশ্বভারতী যৌথ উদ্যোগে এই কাজ করে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, যাচাইয়ের পর নির্ধারিত এলাকার তথ্য সরকারি পোর্টালে তোলা হবে। এরপর ১ আগস্ট থেকে শুরু হবে স্বগণনা পর্ব।
বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ বলেন, জনগণনার কাজে যুক্ত করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কর্মীদের তালিকা চাওয়া হয়েছিল। সেই তালিকা ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে। এটি অত্যন্ত ভালো উদ্যোগ। জনগণনাকে সফল করতে জেলা প্রশাসনকে বিশ্বভারতীর তরফে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বিশ্বভারতীর কয়েকজন এবং জেলা প্রশাসনের কর্মীরা যৌথভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। কোন এলাকা কোন গণনাকারীর অধীনে থাকবে, তার সীমানা নির্দিষ্ট করা হয়। এই প্রাথমিক কাজ শেষ হলেই পরবর্তী ধাপে তথ্য পোর্টালে আপলোড করা হবে। এর আগে জেলাশাসকের দপ্তর থেকে বিশ্বভারতীকে জানানো হয়েছিল, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার জনগণনার কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কর্মীদের দিয়েই করা হবে। সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দু’হাজারেরও বেশি মানুষের বসবাস। সেই কারণে স্থানীয় পরিস্থিতির সঙ্গে পরিচিত কর্মীদের এই কাজে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মীদের তালিকাও তৈরি করেছে। সেই মতো ধাপে ধাপে পরবর্তী কাজ হবে বলে জানা গিয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ১ থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সাধারণ মানুষ নির্দিষ্ট সরকারি পোর্টালে নিজেদের পরিবারের তথ্য জমা দিতে পারবে। এরপর ১৬ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ি ও পরিবারের প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে শুরু হবে মূল জনসংখ্যা গণনা। প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বিশ্বভারতী এলাকার জনগণনার কাজে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কর্মীদেরই যুক্ত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে তারা এই দায়িত্ব পালন করবে।