নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: আসানসোলের কালিকাপুর দক্ষিণপাড়ায় ছ’বছরের বালক ঋতিক রুজের মৃতদেহ উদ্ধারের চারদিন পর খুনের কিনারা করল পুলিশ। ঋতিককে গলা টিপে খুন করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রতিবেশী শিবনাথ তুড়ি। পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে, ছোটো থেকেই ঋতিক শিবনাথকে পছন্দ করত না। শিবনাথের সঙ্গে তাঁর বাবা প্রসেনজিৎ তুড়িরও সম্পর্ক ভাল ছিল না। পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনে করছে, সেই থেকেই শিশুটির প্রতি তার বিরক্তি বাড়তে থাকে। যার বদলা নিতেই শিবনাথ নৃশংসভাবে গলা টিপে খুন করে ঋতিককে। বৃহস্পরিবার পুলিশ অভিযুক্তকে আসানসোল আদালতে পেশ করে। সিজেএম ইন্দ্রাণী গুপ্ত অভিযুক্তকে ১০ দিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশ কমিশনার প্রণব কুমার বলেন, নাবালকে খুনের ঘটনায় তার প্রতিবেশীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রবিবার সকালে আসানসোল দক্ষিণ থানার আসানসোল দক্ষিণ পুলিশ ফাঁড়ির অন্তর্গত কালিকাপুর দক্ষিণপাড়ায় ঋতিক রুজের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। বাড়ির অদূরে ঝোঁপ থেকেই তার দেহ পাওয়া যায়। শনিবার সকাল থেকে বালকটি নিখোঁজ ছিল। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত হওয়ার পর পুলিশ নিশ্চিত হয় তাঁকে গলা টিপে খুন করা হয়েছে। অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তাককে কেন খুন করা হল, তা নিয়ে পুলিশ ধোঁয়াশায় পড়ে। এরপরই খোঁজ নেওয়া শুরু হয় ঋতিক বা তার পরিবারের সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা আছে কি না। তখনই পুলিশ জানতে পারে, শিবনাথ ঋতিককে সহ্য করতে পারে না। এতপরই শিবনাথকে আটক করে জেলা করে পুলিশ খুনের বিষয় নিশ্চিত হয়। শুধু মাত্র ঋতিক তাকে পছন্দ করত না বলে একজনকে খুন করে দেবে! পুলিশের দাবি, প্রাথমিকভাবে সেই বিষয়টিই সামনে এসেছে। পুলিশ হেপাজতে থাকাকালীন জেরা করে পুরো বিষয়টি আরও নিশ্চিত হওয়ার সম্ভব হবে।