Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

চীনের সঙ্গে পঞ্চশীল চুক্তি নিয়ে নেহরুর ‘ভুল’ ধরালেন সিডিএস অনিল চৌহান

১৯৫৪ সাল। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু চীনের সঙ্গে পঞ্চশীল চুক্তি করেছিলেন।

চীনের সঙ্গে পঞ্চশীল চুক্তি নিয়ে নেহরুর ‘ভুল’ ধরালেন সিডিএস অনিল চৌহান
  • ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ১৯৫৪ সাল। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু চীনের সঙ্গে পঞ্চশীল চুক্তি করেছিলেন। আর এই চুক্তির সময় হয় চীনের চালাকি বুঝতে পারেননি নেহরু, নয়তো সব বুঝেও দেশকে সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছিলেন। অতীতের সেই ভুলের জেরে ভারত ও চীন আজও সীমান্ত সমস্যায় জর্জরিত। সম্প্রতি দেরাদুনে আয়োজিত এক অনু্ষ্ঠানে চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহানের বক্তব্যে সেই ইঙ্গিতই মিলল। তিনি বলেন, ‘১৯৫৪ সালে তিব্বতকে চীনের অংশ হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছিল ভারত। পঞ্চশীল চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল দুই প্রতিবেশী দেশ।  ভারত ভেবেছিল এই চুক্তির জেরে উত্তর সীমান্ত নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতায় পৌঁছানো গেল। কিন্তু চীনের দাবি ছিল, শুধুমাত্র বাণিজ্যের জন্য এই চুক্তি হয়েছিল। এর সঙ্গে সীমান্ত সংক্রান্ত বিষয়ের কোনো সম্পর্ক নেই।

Advertisement

চীনের চাল বুঝতে না পারায় হিমালয় ভূখণ্ডে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় আজও সমস্যা রয়ে গিয়েছে। আজও ওই এলাকা সংবেদনশীল।’অনিল চৌহানের বক্তব্য, ইংরেজরা দেশ ছাড়ার পর সীমান্ত নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। নেহরু জানতেন, পূর্বে ৮৯০ কিলোমিটার ম্যাকমোহন লাইন রয়েছে। লাদাখ অঞ্চল নিয়েও ভারতের একাধিক দাবি ছিল। আর সেই বিষয়টির কথা মাথায় রেখেই পঞ্চশীল চুক্তি করতে চেয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। এরপরই সমস্যা দেখা দেয়। ভারত ও তিব্বতের মধ্যে শুরুর দিকে হিমালয়ের ‘বাফার জোন’ ছিল। কিন্তু চীন তিব্বত দখল করার পর সেই জোনের আর কোনো অস্তিত্ব নেই। এবার তা সরাসরি দুই দেশের সীমারেখায় পরিণত হয়েছে। যা নিয়ে বিবাদের অন্ত নেই। সেদিন ভারত শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের কথা ভাবলেও চীনের কূটনীতি সঠিকভাবে পড়তে পারেনি।-ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ