Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সিসি ক্যামেরায় মুড়েছে কান্দি, কমছে চুরি, ছিনতাই, ইভটিজিং

সিসি ক্যামেরায় মুড়েছে কান্দি, কমছে চুরি, ছিনতাই, ইভটিজিং
  • ৩ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কান্দি: কমেছে চুরি, ছিনতাই বা ইভটিজিংয়ের মতো ঘটনা। গভীর রাতেও নিরাপদে চলাফেরা করছেন নাগরিকরা। খোয়া যাওয়া সামগ্রীও ফিরে পাওয়া যাচ্ছে। কান্দি পুরসভার তরফে সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলার পর আগের থেকে নিরাপদ হয়েছে শহর। ফলে শান্তিতে আছেন বাসিন্দারা। পুরসভা, প্রশাসন ও পুলিসের ভূমিকায় তাঁরা খুশি। কান্দির এসডিপিও শাশ্রেক আম্বারদার বলেন, শহরজুড়ে সিসি ক্যামেরা বসানোর অনেক সুফল পাওয়া যাচ্ছে। কমছে অপরাধ। বিভিন্ন ঘটনার তদন্ত করতে সহজ হচ্ছে।

Advertisement

বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, একদশক আগেও কান্দি শহরে চুরি বা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটলে কেউ অবাক হতেন না। মহিলাদের গলার হার ছিনতাই বা মোবাইল হাত থেকে কেড়ে নেওয়ার ভূরিভূরি অভিযোগ হতো। ২০১৮ সালের শেষের দিক থেকে এসব কমতে শুরু করেছে। কারণ, ওইবছর থেকে কান্দি শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে সিসি ক্যামেরা বসানো হতে থাকে।
কান্দি পুরসভার দাবি, তার ফলে কমেছে অপরাধমূলক কাজকর্ম। শহরের প্রধান রাস্তা সহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলি সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। সম্প্রতি কান্দির প্রাচীন জেমো বাজার এলাকাও ক্যামেরার আওতায় এসেছে। শহরের নেতাজি বাস টার্মিনাস ও গুরুত্বপূর্ণ কালীবাড়ি মোড় এলাকায় লক্ষাধিক টাকা মূল্যের আধুনিক ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সম্প্রতি শহরের আরও দু’টি জায়গায় এই আধুনিক ক্যামেরা বসানোর কাজ চলছে। যার ফলে কার্যত শহরের প্রতিটি কোণ ক্যামেরা বন্দি হয়ে পড়েছে। এই সমস্ত ক্যামেরার উপর কান্দি থানা ও পুরসভা ভবনের কন্ট্রোল রুমে ২৪ ঘণ্টা নজর রাখখ হচ্ছে। কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলেই সঙ্গে সঙ্গে পুলিস ব্যবস্থা নিতে পারছে। কান্দি পুরসভার চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটক বলেন, এই শহরে ১৪৪টি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চলছে। আরও ক্যামেরার সংখ্যা বাড়বে। সিসিটিভি ফুটেজের সাহায্যে প্রচুর চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করা গিয়েছে। বাইক ও সাইকেল চুরির মতো ঘটনা একেবারে নেই বলা চলে। 
বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারিতে কান্দিতে অপরাধমূলক ঘটনা অনেকটাই কমেছে। বিশেষ করে গভীর রাতেও মহিলারা নিরাপদে বাড়ি ফিরছেন। ইভটিজিংয়ের ঘটনাও নেই বলা চলে। এভাবেই শহরের মানুষ শান্তি ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে বসবাস করুক। 
স্থানীয় বাসিন্দা কমলেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাগরিকা কোনাই, বাসুদেব পান্ডা, সুব্রত মুখোপাধ্যা বলেন, সিসি ক্যামেরার জন্য চুরি, ছিনতাই অনেকটাই কমেছে। পুরসভার এই ‘পাহারাদারে’ আমরা অত্যন্ত খুশি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ