নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লেন হুগলি জেলা পরিষদের সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার সুমন দাস। সুমনের বিরুদ্ধে আগেই অভিযোগ ছিল ঘুষ চাওয়ার। এরপরে ট্রাপে ফেলার চেষ্টা করে এসিবি। সেই ফাঁদে পা দিয়েও দেয় ওই সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার। মঙ্গলবার, ২০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন সুমন, এরপরে গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্তকে।
সূত্রের খবর, অভিযোগকারীকে পঞ্চায়েত প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ কোটি টাকার একটি সরকারি রাস্তা নির্মাণের কাজ দেওয়া হয়েছিল। ২০২৩ সালে ওয়ার্ক অর্ডার জারি করা হয় এবং ২০২৫ সালের শেষের দিকে সেই কাজ শেষও হয়ে যায়। এরপর ওই অভিযোগকারী জানান, টেন্ডারের সময় জমা দেওয়া ‘আর্নেস্ট মানি’-র অর্থ ফেরত চেয়েছিলেন তিনি। যা ফেরত দেওয়ার বদলে ঘুষ চাওয়া হয়। এরপরেই তিনি পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখায় (এসিবি) অভিযোগ জানান। ফাঁদ পাতে এসিবিও।
কথামতো কেমিক্যাল লাগানো কুড়ি হাজার টাকা আজ, মঙ্গলবার সুমনকে দিতে নিয়ে যান ওই ঠিকাদার। আর সেই টাকা নিলেই এসিবি-র আধিকারিকরা সুমনের ঘরে ঢুকে যান। সেখানে সুমনকে হাত ধুতে বলা হয়। হাত ধুলেই রাসায়নিকের বিক্রিয়ায় বেগুনি হয়ে যায় জলের রং। ঘটনাস্থলে চুঁচুড়া থানার আইসি-সহ পুলিশ আধিকারিকরা এলে গ্রেপ্তার করা হয় ওই ইঞ্জিনিয়ারকে।