নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: এগ্রিমেন্ট সত্ত্বেও গুজরাতের আমদানি-রপ্তানির লাইসেন্সপ্রাপ্ত সংস্থা ১০৬৫টন কাজু সাপ্লাই দেয়নি। অথচ, চুক্তি অনুযায়ী ১৫কোটি ৪৭লক্ষ টাকা মিটিয়ে দিয়েছিল কাঁথির কাজু প্রসেসিং একটি সংস্থা। বিপুল টাকা ক্ষতি হওয়ায় ওই সংস্থা গত ২৭মার্চ কাঁথি থানায় গুজরাতের ওই সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানায়। সেই মামলায় কাঁথি থানার পুলিস গুজরাতের ওই সংস্থার তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতরা হল জয়দীপ ব্যাস, প্রশান্ত যোশী ও জিগনেশ পাঞ্চাল। ৩জুন কাঁথি থানার পুলিস ধৃতদের গুজরাত থেকে কাঁথিতে এনেছে। তাদের জেরা করা হচ্ছে। যদিও প্রধান অভিযুক্ত এখনও অধরা। তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে কাঁথি থানার পুলিস।কাঁথি কাজু প্রসেসিং শিল্পের জন্য বিখ্যাত। নাইজেরিয়া, আইভরি কোস্ট, তানজানিয়া সহ বিভিন্ন দেশ থেকে সমুদ্রপথে খোসা সহ কাজু এদেশে আসে। কাঁথির ব্যবসায়ীরা সেই কাজু প্রসেসিং করান। তারপর প্যাকেটবন্দি করে সেই কাজু দেশের নানাপ্রান্তের বাজারে সাপ্লাই করা হয়। কাঁথি-১ ব্লকের মাজনা, তাজপুর, কাঁথির দারুয়া এবং রামনগর-১ ব্লকে কিছু এলাকায় এই প্রসেসিং ইউনিটে প্রচুর মানুষজন কাজ করেন।কাঁথির গিমাগেড়িয়ার কাজু ব্যবসায়ী মহম্মদ আব্দুস সাত্তারের ছেলে মহম্মদ আবু তোফায়েল গুজরাতের সংস্থার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়ে থানায় এফআইআর করেছিলেন। দু’টি সংস্থা ছাড়াও আরও চারজনের নামে এফআইআর দায়ের হয়। ক্ষতি হওয়া টাকার অঙ্ক শুনে চমকে ওঠে পুলিসও। সেই ঘটনায় গুজরাতে গিয়ে তিনজনকে পাকড়াও করল কাঁথি থানার পুলিস।



