Bartaman Logo
২৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পাহাড় ও সমতলের মেলবন্ধনে কার্নিভালের ভাবনা শিলিগুড়িতে

ঢাকের বোল থেকে পৌরাণিক কাহিনি অবলম্বনে নৃত্য। ভক্তিমূলক গান থেকে পাহাড় ও সমতলের চা বাগানের সাংস্কৃতিক দলের অনুষ্ঠান।

পাহাড় ও সমতলের মেলবন্ধনে কার্নিভালের ভাবনা শিলিগুড়িতে
  • ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: ঢাকের বোল থেকে পৌরাণিক কাহিনি অবলম্বনে নৃত্য। ভক্তিমূলক গান থেকে পাহাড় ও সমতলের চা বাগানের সাংস্কৃতিক দলের অনুষ্ঠান। এভাবেই ৪ অক্টোবর মহানন্দা নদীর পাড়ে দুর্গা কার্নিভাল করার পরিকল্পনা নিয়েছে শিলিগুড়ি পুরসভা। শনিবার তারা এ ব্যাপারে প্রস্তুতি বৈঠক করেছে। শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সঙ্গে যৌথভাবে এই কার্নিভাল করা হবে। বিগত দিনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার আরও সুশৃঙ্খলভাবে এই উৎসব করা হবে। শীঘ্রই উৎসবের অনুষ্ঠান সূচি ঘোষণা করা হবে। এজন্য পুরসভার সাংস্কৃতিক কমিটি কাজ করছে।

Advertisement

উত্তরবঙ্গের বাণিজ্য নগরী শিলিগুড়ির মেগা উৎসব দুর্গাপুজোর অন্যতম আকর্ষণ কার্নিভাল। এজন্য এদিন পুরভবনে প্রস্তুতি বৈঠক করেছে পুরসভা। বৈঠকে মেয়র ছাড়াও শিলিগুড়ির মহকুমা শাসক অবধ সিঙ্গাল, ডেপুটি পুলিস কমিশনার (ট্রাফিক) কাজি সামসুদ্দিন আহমেদ সহ বিভিন্ন দপ্তরের অফিসার ও বিভিন্ন ক্লাবের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ৪ অক্টোবর শহরের হিলকার্ট রোডের মহাত্মা গান্ধী মোড়ে ওই অনুষ্ঠান হবে। যা মহানন্দা নদীর পাড়। এজন্য বাহারি আলো, ফ্লেক্স, আলপনায় গোটা রাস্তা সাজিয়ে তোলা হবে। এই মোড়ের বর্ধমান রোড ও হিলকার্ট রোডের দিকে থাকবে তিনটি মঞ্চ। যারমধ্যে একটি অতিথিদের জন্য। এরবাইরে হিলকার্ট রোডের সফদার হাসমিচক ও গুরুনানক চকে আরও দু’টি মঞ্চ তৈরি করা হতে পারে। হিলকার্ট রোডের দু’পাশে থাকবে বাঁশের ব্যারিকেড। সফদার হাসমিচক থেকে সুসজ্জিত ট্যাবলো ও প্রতিমা নিয়ে কার্নিভালের মূলমঞ্চ মহাত্মা গান্ধী মোড়ের দিকে এগবে। বিকেল থেকে ঢাকের বোলে সরগরম হয়ে উঠবে সংশ্লিষ্ট মোড়। পৌরাণিক কাহিনি, অসুর বধের কাহিনি অবলম্বনে নৃত্য পরিবেশন করবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থা। পুজোর উদ্যোক্তারাও বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান করবে।
এরবাইরে পাহাড় ও সমতলের চা বাগান এলাকার কিছু সাংস্কৃতিক দল অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারে। গত বছরের মতো এবারও ওই দলের ব্যবস্থা করবে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর। উৎসব নিয়ে প্রাথমিকভাবে এমন পরিকল্পনা চিন্তা করেছে পুরসভা। সাংস্কৃতিক কমিটি এবং পুলিস ও প্রশাসনের বৈঠকে পরবর্তীতে অনুষ্ঠানে কিছু পরিবর্তন হতে পারে। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, বাঙালির এই মেগা উৎসব সকলের। তাই কার্নিভালকে মিলন মেলার রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তবে, এবার কার্নিভালে নতুন কিছু ক্লাব অংশ নেবে বলে খবর। মেয়র বলেন, গত বছর উৎসবে অংশ নিয়েছিল ১২টি পুজো কমিটি। এবারও পুজো কমিটির সংখ্যা একই রাখা হবে। ইতিমধ্যে ন’টি পুজো কমিটি কার্নিভালে অংশ নেওয়ার জন্য মত দিয়েছে। এবার উৎসবে নতুন করে কিছু কমিটি শামিল হতে পারে।  নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ