Bartaman Logo
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গাড়ি ভাঙচুর করে বন্দুক উঁচিয়ে হুমকি, ফুলবাগানে আক্রান্ত কুণাল

শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় যাওয়ার পথে উত্তরপাড়ায় তাঁর গাড়ির উপর হামলা হয়েছিল শুক্রবার।

গাড়ি ভাঙচুর করে বন্দুক উঁচিয়ে হুমকি, ফুলবাগানে আক্রান্ত কুণাল
  • ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় যাওয়ার পথে উত্তরপাড়ায় তাঁর গাড়ির উপর হামলা হয়েছিল শুক্রবার। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খাস কলকাতায় নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে আক্রান্ত হলেন বেলেঘাটার মমতাপন্থী তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা হাতুড়ি দিয়ে গাড়িতে এবং তাঁকে আঘাত করে। এমনকি, তাঁর দিকে হামলাকারীরা বন্দুক তাক করেছিল। ওই অবস্থায় প্রাণে বাঁচতে তিনি নারকেলডাঙা থানায় ঢুকে যান। 

Advertisement

রবিবার সকাল ১০টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। বেলেঘাটার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনে যাচ্ছিলেন বিধায়ক। অভিযোগ, সুকিয়া স্ট্রিটে তাঁর বাড়ির সামনে থেকেই বাইকে কুণালের পিছু নেয় কয়েকজন। ফুলবাগান থেকে নারকেলডাঙা ব্রিজ পর্যন্ত বিধায়কের গাড়ির উপর পর্যায়ক্রমে আক্রমণ চলে। ইট, পাথর ছুড়ে গাড়ির কাচ ভাঙা হয়। একসময় রাস্তা আটকে গাড়ি থামিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। তারপর হাতুড়ি দিয়ে গাড়ির কাচ ভাঙা হয়। জামার কলার ধরে গাড়ি থেকে কুণালকে টেনে বার করার চেষ্টা করে দুষ্কৃতীরা। হাতুড়ি দিয়ে তাঁকেও বারবার মারা হয়। আরও অভিযোগ, তাঁকে গাড়ির বাইরে আনার চেষ্টা সফল না হওয়ায় এক দুষ্কৃতী রিভলবার বার করে। গাড়িতে ছিলেন কুণালের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী। তিনি পালটা রিভলবার তাক করলে কিছুটা হকচকিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। ওই অবস্থায় রুদ্ধশ্বাস গতিতে গাড়ি চালিয়ে সোজা নারকেলডাঙা থানার ভিতরে ঢুকে পড়েন তিনি। থানায় ঢুকে কেঁদে ফেলেন কুণাল। বলেন, ‘আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল। পুরোপুরি খুনের চেষ্টা। বিজেপি আমাকে বাঁচতে দেবে না। যেসব বেইমান একটা সময় তৃণমূল দলে ছিল, এখন বিজেপির হাত ধরেছে, তারাও বিজেপিকে হাওয়া দিচ্ছে।’ ‘বাংলায় জঙ্গলের রাজত্ব’ চলছে বলে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে মমতাপন্থী তৃণমূল। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারও। তবে বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, ‘এর সঙ্গে বিজেপির কোনো সম্পর্ক নেই। ওদের দলের একটা শিবির অন্যকে মারছে।’ গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘কুণাল ঘোষের এটা নতুন নাটক। প্রচারের আলোয় থাকতে নিজেই এসব করছেন।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ