সংবাদদাতা, বেলদা: সাতসকালে জাতীয় সড়কে দ্রুতগতিতে থাকা একটি প্রাইভেট গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে থাকা ব্যারিকেড ভেঙে ঢুকে গেল দোকানে। দুর্ঘটনায় জখম হলেন পাঁচজন, যাদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন রয়েছে। জখমদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কা জনক। তাদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে ওড়িশার একটি হাসপাতালে। বুধবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে দাঁতন থানার মনোহরপুর বাসস্ট্যান্ডে। পুলিস ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, সকাল প্রায় আটটা নাগাদ খড়্গপুরের দিক থেকে দাঁতনগামী লেনে দ্রুত গতিতে আসছিল একটি প্রাইভেট গাড়ি। মনোহরপুর বাসস্ট্যান্ডে থাকা গার্ডরেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে ওই গাড়িটি। গাড়ির গতি এতটাই ছিল রাস্তার ধারে থাকা গার্ডরেল ভেঙে ঢুকে যায় একটি ফলের দোকানে। ওই দোকানে তখন দাঁতন থানার খরাখাই এর বাসিন্দা সুকুমার খাটুয়া ও তার স্ত্রী ও ছেলে, মেয়ে ফল কিনতে ব্যস্ত ছিল। গাড়ির ধাক্কায় ছিটকে পড়েন তারা। পাশাপাশি গুরুতর জখম হন সেই সময় দোকানে থাকা বীরেন সামন্ত নামে এক বৃদ্ধ। জখম অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে দাঁতন গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিস। পরে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ওড়িশার একটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। অপরদিকে গাড়িতে থাকা দুজনের আঘাত গুরুতর না হওয়ায় তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিতে আটক করেছে দাঁতন থানার পুলিস।অপরদিকে জাতীয় সড়কে বেলদা বাইপাসে লরির ধাক্কায় মৃত্যু হল জাতীয় সড়কে কর্মরত এক কর্মীর। মৃতের নাম কানাই মুর্মু (৫৬) বাড়ি বেলদা থানার নেকুড়সেনী এলাকায়। জানা গেছে মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সড়কে দুটি লেনের মাঝে সাফাইয়ের কাজ করছিলেন এই কর্মী।। আর তখনই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই কর্মীকে ধাক্কা মারে একটি লরি। দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে প্রথমে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে সেখান থেকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার সময় পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। লরির চালক ও খালাসিকে আটক করেছে বেলদা পুলিস।-নিজস্ব চিত্র



