Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কেন্দ্র রামপুরহাট: ‘সাইলেন্ট পিরিয়ডে’ মানসিক ও কৌশলগত প্রস্তুতি প্রার্থীদের

আজ বৃহস্পতিবার ২৬শের বিধানসভা নির্বাচন। এবার নির্বাচনে বীরভূম জেলার হাই ভোল্টেজ কেন্দ্র হচ্ছে রামপুরহাট। নির্বাচনের ঠিক আগের এই সময়টুকু রাজনৈতিক ভাষায় ‘সাইলেন্ট পিরিয়ড’ হিসেবেই পরিচিত।

কেন্দ্র রামপুরহাট: ‘সাইলেন্ট পিরিয়ডে’ মানসিক ও কৌশলগত প্রস্তুতি প্রার্থীদের
  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: আজ বৃহস্পতিবার ২৬শের বিধানসভা নির্বাচন। এবার নির্বাচনে বীরভূম জেলার হাই ভোল্টেজ কেন্দ্র হচ্ছে রামপুরহাট। নির্বাচনের ঠিক আগের এই সময়টুকু রাজনৈতিক ভাষায় ‘সাইলেন্ট পিরিয়ড’ হিসেবেই পরিচিত। আর এই মাহেন্দ্রক্ষণেই রামপুরহাট কেন্দ্রের রাজনৈতিক দলগুলির প্রার্থীদের তৎপরতা তুঙ্গে।

Advertisement

প্রায় এক মাস ধরে নির্বাচনের প্রচারে প্রার্থীরা ব্যস্ত থেকেছেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একের পর এক গ্রাম ঘুরে ভোটারদের কাছে পৌঁছে ভোট ভিক্ষার পাশাপাশি অসংখ্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। চিরাচরিত পদ্ধতির পাশাপাশি অভিনব কৌশলে জনসংযোগ ও ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করছেন তাঁরা। মঙ্গলবার বিকেলে ৫টায় সেই প্রচার পর্ব শেষ হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোটাররা তাঁদের মত দান করবেন। এখন প্রার্থীরা  মানসিক ও কৌশলগত প্রস্তুতি নিচ্ছেন। 
এদিন চিরাচরিত অভ্যেস মতো সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন রামপুরহাট কেন্দ্রের তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর দুপুরে শহরের বিভিন্ন দলীয় নির্বাচনী কার্যালয় গিয়ে কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। ভোটের দিন বুথ ম্যানেজমেন্ট এবং শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখে কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য ছিল। আশিসবাবু বলেন, নির্বাচনি কার্যালয়গুলিতে ভোটের প্রস্তুতি কেমন চলছে সেটা দেখার পাশাপাশি কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করলাম। যাতে সকাল সকাল সবাই ভোট দিতে বের হন সেবিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়। মানুষ আমাকেই আবার নির্বাচিত করবেন সেব্যাপারে নিশ্চিত। স্বাভাবিকভাবেই আরও উৎসাহিত হয়ে কর্মীরা মাঠে নেমে পড়েছেন। 
অন্যদিকে, বিজেপি প্রার্থী ধ্রুব সাহা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে হাতিয়ার করেছেন। প্রচার বন্ধ থাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার বা সভা করার সুযোগ নেই। সেজন্য সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তিনি ভোটারদের কাছে শেষ মুহূর্তের আবেদন পৌঁছে দিচ্ছেন। তিনি বলছেন, এই নৈরাজ্যের বিরুদ্বে গর্জে ওঠুন। সকাল সকাল পদ্মফুল চিহ্নে ভোট দিন। সেই সঙ্গে এদিন দলীয় কার্যালয়ে নেতা কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করে ভোট প্রস্তুতির খোঁজখবর নেন। 
বসে নেই এই কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী সঞ্জীব মল্লিকও। এখন সিপিএমের লড়াই মূলত অস্তিত্ব রক্ষার। বিগত নির্বাচনগুলিতে রামে চলে যাওয়া ভোট আবার বামে ফিরিয়ে আনাই তাঁর মূল লক্ষ্য‌। সঞ্জীববাবু বলেন, দলীয় ও নির্বাচনি কার্যালয়গুলিতে গিয়ে কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে তাঁর বার্তা, মাথা ঠাণ্ডা রেখে বুথ আগলে ভোট করতে হবে। এদিকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে এই সাদা মার্কিং বা লক্ষ্মণরেখা টেনে দেওয়া হয়েছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নির্দিষ্ট সীমানার ভিতর ভোটার ছাড়া অন্য কানো অহেতুক ভিড় করা নিষিদ্ধ। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনো রাজনৈতিক দলের ক্যাম্প করা যাবে না। এই মার্কিং দেওয়ার উদ্দেশ্যে, সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক দলগুলির উভয়েরই বুঝতে সুবিধা হয় যে ঠিক কোথা থেকে বিধিনিষেধ শুরু হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ