কানাডা-৬ : কাতার-০
কানাডা-৬ : কাতার-০
ভ্যাঙ্কুভার: ম্যাচের বয়স ৫৪ মিনিট। ঘরের মাঠে কাতারের বিরুদ্ধে তখন ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে কানাডা। ইসমাইল কোনেকে দায়িত্বজ্ঞানহীন ট্যাকল করেন আসিম মাদিবোর। জোর আওয়াজে চমকে ওঠেন ডাগ-আউটে বসা কানাডা কোচ জেসি মার্স। পায়ের হাড় ভাঙার আওয়াজ তিনি টের পেয়েছিলেন। মাঠে কাতরাতে থাকেন কোনে। ছুটে আসে মেডিকেল টিম। শেষ পর্যন্ত কোনেকে স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়তে হয়। অস্ত্রোপচারের জন্য তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। পরিস্থিতি যা, কাপ যুদ্ধ থেকে ছিটকে গেলেন কোনে। ঘাতক ট্যাকলের জন্য আসিমকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। প্রথমার্ধে মার্চিং অর্ডার পেয়েছিলেন কাতারের হোমান আহমেদ। ফলে বাকি সময় ৯ জনে খেলতে হয় তাঁদের। শেষ পর্যন্ত ৬-০ ব্যবধানে জেতে কানাডা। কিন্তু বিশ্বকাপে তাদের প্রথম জয়ের উৎসব ম্লান হয়ে গেল কোনের চোটে। ম্যাচে শেষে তাঁর জার্সি তুলে ধরে জয় উৎসর্গ করেন সতীর্থরা। উল্লেখ্য, এই নিয়ে তৃতীয়বার (১৯৮৬ ও ২০২২) কাপ যুদ্ধে খেলার ছাড়পত্র পেয়েছে কানাডা। ম্যাচে হ্যাটট্রিক সারলেন জোনাথন ডেভিড। এছাড়াও স্কোরশিটে নাম তুলেছেন কেউলি লারিন ও নাথান সালিবা। অপর গোল মহম্মদ মানাইয়ের আত্মঘাতী। এই জয়ের সুবাদে গ্রুপ বি’র দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে সুইৎজারল্যান্ডকে পিছনে ফেলল কানাডা। তারাই এখন শীর্ষে।