নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বৃহস্পতিবার সিএবি’তে অ্যাপেক্স কমিটির সভা উত্তপ্ত হতে পারে যুগ্ম-সচিব দেবব্রত দাসকে নিয়ে। বকেয়া অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য পনেরো দিন সময় দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। এরমধ্যে তিনি ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন। বাকি রয়েছে ৬ লক্ষেরও বেশি টাকা। পাশাপাশি, এদিনের মধ্যে শো-কজের জবাবও দিতে হবে দেবব্রতকে। বুধবার পর্যন্ত তা জমা পড়েনি বলেই খবর। শো-কজের জবাব না পড়লে তো বটেই, জবাব সন্তোষজনক না হলেও বহিষ্কৃত হতে পারেন তিনি। অ্যাপেক্স কমিটির সদস্যপদ হারাতে চলেছেন মহাদেব চক্রবর্তী। সরকারি আধিকারিক হয়েও তিনি এই কমিটিতে এসেছিলেন। লোধা কমিটির নির্দেশমতো যা করা যায় না।
একইভাবে টুর্নামেন্ট কমিটিতে থাকা অম্বরীশ মিত্র ও কোষাধ্যক্ষ প্রবীর চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগও রয়েছে অ্যাজেন্ডায়। টাকা নিয়ে খেলানো সহ প্রচুর অভিযোগ রয়েছে অম্বরীশের বিরুদ্ধে। আর সিএবি’র অনুদান ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে প্রবীরের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে অ্যাপেক্স কমিটি চারজনের বিরুদ্ধেই কঠোর মনোভাব দেখায় কিনা, সেদিকেই নজর ময়দানের। কারণ, সামগ্রিকভাবে সিএবি’র ভাবমূর্তিই কালিমালিপ্ত হয়েছে।
এদিকে, ২০ সেপ্টেম্বর সিএবি’র বার্ষিক সাধারণ সভা নিয়ে বাড়ছে জল্পনা। তবে স্পোর্টস বিলের প্রভাব এই মুহূর্তে পড়বে না। কারণ, সবদিক পর্যালোচনার পর কমিটি গড়ে তা কার্যকর হতে পাঁচ-ছয় মাস লেগে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে লোধা কমিটির নির্দেশ অনুসারে বার্ষিক সাধারণ সভা করতেই হবে। তা ঠেকিয়ে রাখা মানেই আদালত অবমাননা। ফলে, বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ৭৫ হয়ে যাওয়ার সুবিধা আপাতত মিলবে না। মাস কয়েক পর স্পোর্টস বিল কার্যকর হলে তখন নতুন সমীকরণ জন্ম নেবে। এদিকে, সৌরভ ও স্নেহাশিসের মা নিরূপা দেবী ভালো আছেন। বাইপাস সংলগ্ন এক হাসপাতালে অবশ্য আরও কয়েকদিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে তাঁকে।