Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ব্যাসপুর কপিলেশ্বর মন্দিরে শিবরাত্রিতে ভক্তদের ঢল

ব্যাসপুর কপিলেশ্বর মন্দিরে শিবরাত্রিতে ভক্তদের ঢল
  • ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব সংবাদদাতা, বহরমপুর: শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে প্রাচীন কাশিমবাজার ব্যাসপুর কপিলেশ্বর মন্দিরে ভক্তের ঢল নামে। বুধবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার ভক্ত সমাগম হয়েছে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উৎসব চলবে। মন্দির কমিটির দাবি, এই ক’দিনে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কুপনের মাধ্যমে ভক্তদের মালসা ভোগ বিতরণ করা হবে। আগামী ২ মার্চ প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে বসিয়ে খাওয়ানো হবে। মন্দির কমিটির দাবি, শুধু জেলার মানুষ নন। রাজ্যের সমস্ত জেলা থেকে এমনকী, ভিনরাজ্য থেকেও বহু ভক্ত ব্যাসপুর মন্দিরে পুজো দিতে আসেন। 
Advertisement
মন্দির কমিটির সভাপতি সঞ্জীব রায় বলেন, মুর্শিদাবাদ জেলার অন্যতম প্রাচীন মন্দির এটি। ইতিমধ্যে তিনবার সংস্কার করা হয়েছে। প্রাচীন স্থাপত্যের সঙ্গে টেরাকোটার কাজের মিশ্রণে মন্দিরের শিল্পশৈলী আরও ফুটে উঠেছে। ভক্তদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয় মন্দির কমিটির স্বেচ্ছাসেবীরা সেদিকে নজর রেখেছে। বর্তমানে এখানের শিবলিঙ্গটি প্রায় সাড়ে পাঁচ ফুট উচ্চতার। জনশ্রুতি রয়েছে, শিবলিঙ্গটি উচ্চতায় বাড়ছে। 
১৮১১ সালে ব্যাসপুরের বিখ্যাত পণ্ডিত কৃষ্ণনাথ ন্যায়পঞ্চাননের পিতা রামকেশর দেবশর্মা মন্দিরটি নির্মাণ করেন। তার বহু আগে থেকে শিবলিঙ্গটি প্রতিষ্ঠিত। লালগোলার মহারাজা যোগীন্দ্র নারায়ণ রাও ১৯১৮ সালে মন্দিরটি পুনঃসংস্কার করেন। তারপরেও আবার সংস্কারে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। তবে স্থাপত্যের গরিমা নষ্ট করা হয়নি। 
প্রতিদিন সকাল, সন্ধ্যা নিত্যপুজো হয়। শ্রাবণ মাসজুড়ে চলে শ্রাবণী উৎসব। মন্দির কমিটির সম্পাদক শুভাশিস রায় বলেন, এই মন্দির আমাদের তথা মুর্শিদাবাদ জেলাবাসীর কাছে গর্বের। লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম হলেও কোনওদিন বিন্দুমাত্র বিশৃঙ্খলা হয়নি। বুধবার সকাল থেকেই পুজো দিতে ভক্তদের ঢল নামতে শুরু করে। কমিটির ব্যবস্থাপনায় হাজার হাজার ভক্ত নির্বিঘ্নে সুষ্ঠুভাবে পুজো দেন। সারারাত উৎসব চলে। পুজো দিতে এসে সুনিতা মাহান্ত বলেন, মন্দিরের চাতালে পা পড়লেই কেন জানি না শিহরণ জাগে। সেই টানেই প্রতিবার আসি।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ