নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: শীতের মরশুমে বেড়েই চলেছে ডিমের দাম। এতদিন নদীয়া জেলায় প্রতি পিস ডিমের দাম ছিল ৮ টাকা। এবার সেটাও ছাড়িয়ে গেল। প্রতি পিস ডিম সাড়ে আট টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা ডিমের হোলসেল প্রাইসের থেকে দেড় টাকা বেশি। প্রায় ৩০ শতাংশ লাভ রেখেই খোলা বাজারে ডিম বিক্রি হচ্ছে। ডিমের এই দাম বাড়ানোকে ‘অস্বাভাবিক’ বলে দাবি করছে পোল্ট্রি ফেডারেশন থেকে প্রশাসন মহল। নির্দেশিকাকে উপেক্ষা করেই দোকানে দাম বাড়িয়ে ডিম বিক্রি করা হচ্ছে। এইভাবে দাম বাড়ানোয় ব্যবসায়ীদের উপর ক্ষুব্ধ পোল্ট্রি ফেডারেশনও। অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের দাবি, ডিমের সরবরাহ কম থাকার জন্যই এইভাবে দাম বেড়ে চলেছে। যদিও তা মানতে নারাজ প্রশাসন। দৈনিক যা চাহিদা থাকে, সেই মতোই ডিম সরবরাহ করা হচ্ছে বলে দাবি প্রশাসনের।
Advertisement
ডিমের দাম বৃদ্ধির ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। কারণ পুষ্টিগত খাবারের মধ্যে ডিম হল অন্যতম। স্বল্প দাম হওয়ায় সমাজের যে কোন স্তরের মানুষের কাছে তা সহজলভ্য। কিন্তু এই দাম বৃদ্ধিতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাঁদের। কারণ পুষ্টিগত এই খাবার ক্রমশ নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে আম জনতার। এমনিতেই মাছ-মাংসের দাম আকাশছোঁয়া। সেটা দিন দিন সমাজের নির্দিষ্ট কিছু স্তরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে। সেই জায়গায় ডিমই ছিল একমাত্র উচ্চ প্রোটিন সম্পন্ন খাদ্য। কিন্তু তাতেও আঁচ পড়ছে মূল্যবৃদ্ধির।
রাজ্যজুড়ে ডিমের দাম নির্ধারণ করা হয় ওয়েস্ট বেঙ্গল পোল্ট্রি ফেডারেশনের তরফ থেকে। সেখানে ৬ টাকা ৬৫ পয়সায় হোলসেল প্রাইস দিয়ে ডিসেম্বর মাস শুরু হয়েছিল। কিন্তু তখন থেকেই ডিমের দাম ছিল ৮ টাকা। বর্তমানে ডিমের হোলসেল প্রাইসের দাম ৭ টাকা। তাই পোল্ট্রি ফেডারেশনের দাবি, বাজারের প্রতি পিস ডিমের দাম সর্বোচ্চ সাড়ে সাত টাকা হওয়া উচিত। কিন্তু তার থেকে এক টাকা বেশি মূল্য নেওয়া হচ্ছে নদীয়া জেলায়। এ ব্যাপারে পোল্ট্রি ফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক মদন মাইতি বলেন, ‘ডিমের সরবরাহ যথেষ্ট ভালো রয়েছে। ডিম যাতে সঠিক দামে বিক্রি হয়, তাই নিয়ে আমরা লাগাতার প্রচার করছি। একটা নির্দিষ্ট রেটেই ডিম বিক্রি করতে হবে। আমরা খদ্দেরের কাছেও অনুরোধ করছি, কেউ যদি বেশি দামে ডিম বিক্রি করে, তাহলে যেন তাকে নির্ধারিত দামেই বিক্রি করতে বলেন খদ্দেররা।’ জানা গিয়েছে, রাজ্যের ওয়েস্ট বেঙ্গল লাইভ স্টক ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের তরফ থেকে নদীয়া জেলার জন্য দৈনিক ৫ লক্ষ ৮০ হাজার ডিম উৎপাদন করা হচ্ছে। যেখানে দৈনিক ৭ লক্ষ ২০ হাজার ডিম উৎপাদনের টার্গেট রয়েছে। অর্থাৎ চাহিদার ১০০ শতাংশ ডিম উৎপাদন না হলেও পরিসংখ্যান সন্তোষজনক। কিন্তু তারপরেও ডিমের সরবরাহ না থাকার দাবি করে বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়াচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।
রাজ্যজুড়ে ডিমের দাম নির্ধারণ করা হয় ওয়েস্ট বেঙ্গল পোল্ট্রি ফেডারেশনের তরফ থেকে। সেখানে ৬ টাকা ৬৫ পয়সায় হোলসেল প্রাইস দিয়ে ডিসেম্বর মাস শুরু হয়েছিল। কিন্তু তখন থেকেই ডিমের দাম ছিল ৮ টাকা। বর্তমানে ডিমের হোলসেল প্রাইসের দাম ৭ টাকা। তাই পোল্ট্রি ফেডারেশনের দাবি, বাজারের প্রতি পিস ডিমের দাম সর্বোচ্চ সাড়ে সাত টাকা হওয়া উচিত। কিন্তু তার থেকে এক টাকা বেশি মূল্য নেওয়া হচ্ছে নদীয়া জেলায়। এ ব্যাপারে পোল্ট্রি ফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক মদন মাইতি বলেন, ‘ডিমের সরবরাহ যথেষ্ট ভালো রয়েছে। ডিম যাতে সঠিক দামে বিক্রি হয়, তাই নিয়ে আমরা লাগাতার প্রচার করছি। একটা নির্দিষ্ট রেটেই ডিম বিক্রি করতে হবে। আমরা খদ্দেরের কাছেও অনুরোধ করছি, কেউ যদি বেশি দামে ডিম বিক্রি করে, তাহলে যেন তাকে নির্ধারিত দামেই বিক্রি করতে বলেন খদ্দেররা।’ জানা গিয়েছে, রাজ্যের ওয়েস্ট বেঙ্গল লাইভ স্টক ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের তরফ থেকে নদীয়া জেলার জন্য দৈনিক ৫ লক্ষ ৮০ হাজার ডিম উৎপাদন করা হচ্ছে। যেখানে দৈনিক ৭ লক্ষ ২০ হাজার ডিম উৎপাদনের টার্গেট রয়েছে। অর্থাৎ চাহিদার ১০০ শতাংশ ডিম উৎপাদন না হলেও পরিসংখ্যান সন্তোষজনক। কিন্তু তারপরেও ডিমের সরবরাহ না থাকার দাবি করে বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়াচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।



