নিজস্ব প্রতিনিধি, অযোধ্যা: পুজোর সময় অযোধ্যায় পর্যটক হয়নি বলে আক্ষেপ ছিল পর্যটন ব্যবসায়ীদের। এবার সেই আক্ষেপ ঘুচল। শুক্রবার বিকেল থেকেই অযোধ্যায় পর্যটক সমাগম হতে শুরু করে ছিল। রবিবার সব রেকর্ড ভেঙে দিল। বড়দিনের আগে অযোধ্যার ভিড় দেখে খুশি ব্যবসায়ীরা। শুধু তাই নয়, আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অধিকাংশ হোটেল, হোমস্টে কার্যত হাউসফুল। শুধুমাত্র অযোধ্যা পাহাড়েই নয়, পুরুলিয়া শহরেরও অধিকাংশ হোটেলই অগ্রিম বুকিং হয়ে গিয়েছে।
Advertisement
পুরুলিয়া ডিস্ট্রিক্ট হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহিত লাটা বলেন, শনিবার, রবিবার হোটেলগুলিতে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। প্রায় সমস্ত হোটেলই হাউসফুল ছিল। আগামী বছরের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অধিকাংশ হোটেল, হোম-স্টে বুক হয়ে গিয়েছে। গত শনিবার হঠাৎ পরিকল্পনা করেই বাইক নিয়ে অযোধ্যা পাহাড়ে চলে এসেছিলেন ১০জন বন্ধুর দল। সর্বত্র ঘুরে সন্ধ্যার সময় যখন তাঁরা হিলটপে পৌঁছলেন, তখন খেয়াল হল এবার তো হোটেল খুঁজতে হবে। শুরু হল হোটেল খোঁজা। কিন্তু, কোনও জায়গাতেই হোটেল মিলল না। অগত্যা বহু খুঁজে হিলটপ থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে বারেডিতে তাঁরা একটি ইকো রিসর্ট খুঁজে পেলেন।
হোটেল মালিক সংগঠনগুলির দাবি, রাজ্য পর্যটন মানচিত্রে প্রথম সারিতে রয়েছে পুরুলিয়া। গত কয়েক বছর ধরেই শীতের মরশুমে অযোধ্যায় পর্যটকদের আনাগোনা ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছে। তবে, অযোধ্যা পাহাড় এলাকায় তুলনামূলক থাকার জায়গা কম থাকায় হঠাৎ করে প্ল্যান করে অযোধ্যায় চলে এলে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয় পর্যটকদের। তবে, অনেকে আবার এই শীতে হোটেলে জায়গা না পেয়ে একেবারে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে হোটেল বুক করেছেন এখনই। কেন? একটি হোটেল সংস্থার কর্ণধারের দাবি, বসন্তে পুরুলিয়ার রূপ অনন্য। দু’চোখ ভরে পলাশ দেখতে সেই সময় বহু মানুষ পুরুলিয়ায় আসেন। তখনও হোটেল ভাড়া পেতে সমস্যা হয়। তাই এখন থেকেই অনেকে অগ্রিম হোটেল বুক করে রাখছেন।
রবিবার অযোধ্যায় ভিড় ছিল দেখার মতো। কার্যত কয়েক হাজার বাইক, গাড়ি দখল করেছিল পাহাড়ী রাস্তা। গাড়ির চাপে তুর্গা জলপ্রপাত, বামনি ফলস, হিলটপ, আপার ড্যাম, ডহর বাঁক সহ বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। যানজট সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় পুলিসকে। অঘটন এড়াতে প্রতি মোড়ে মোড়ে পুলিস কর্মী মোতায়েন ছিল। রবিবার ব্যাপক ভিড় ছিল মুখোশ গ্রাম চরিদাতেও। তবে, ভিড় থাকলেও তার প্রভাব বেচাকেনায় পড়ছে না বলে আক্ষেপ মুখোশ শিল্পীদের।
মুখোশ শিল্পী বান্টি সূত্রধর, জানা সূত্রধর বলেন, যে সংখ্যক পর্যটক আসছেন, সেই পরিমাণে মুখোশ বিক্রি হচ্ছে না। অনেকে দরদাম করেই চলে যাচ্ছেন। অনেকে এমন দাম বলছেন, সেই দামে মুখোশ বিক্রি করলে মজুরি টুকুও উঠবে না। রবিবার ব্যাপক ভিড় ছিল গুড়ের দোকানগুলিতেও। রাস্তার ধারে রস ফুটিয়ে গুড় তৈরি হচ্ছে দেখে দাঁড়াচ্ছেন বহু পর্যটক। কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বাড়ির জন্য।
হোটেল মালিক সংগঠনগুলির দাবি, রাজ্য পর্যটন মানচিত্রে প্রথম সারিতে রয়েছে পুরুলিয়া। গত কয়েক বছর ধরেই শীতের মরশুমে অযোধ্যায় পর্যটকদের আনাগোনা ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছে। তবে, অযোধ্যা পাহাড় এলাকায় তুলনামূলক থাকার জায়গা কম থাকায় হঠাৎ করে প্ল্যান করে অযোধ্যায় চলে এলে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয় পর্যটকদের। তবে, অনেকে আবার এই শীতে হোটেলে জায়গা না পেয়ে একেবারে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে হোটেল বুক করেছেন এখনই। কেন? একটি হোটেল সংস্থার কর্ণধারের দাবি, বসন্তে পুরুলিয়ার রূপ অনন্য। দু’চোখ ভরে পলাশ দেখতে সেই সময় বহু মানুষ পুরুলিয়ায় আসেন। তখনও হোটেল ভাড়া পেতে সমস্যা হয়। তাই এখন থেকেই অনেকে অগ্রিম হোটেল বুক করে রাখছেন।
রবিবার অযোধ্যায় ভিড় ছিল দেখার মতো। কার্যত কয়েক হাজার বাইক, গাড়ি দখল করেছিল পাহাড়ী রাস্তা। গাড়ির চাপে তুর্গা জলপ্রপাত, বামনি ফলস, হিলটপ, আপার ড্যাম, ডহর বাঁক সহ বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। যানজট সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় পুলিসকে। অঘটন এড়াতে প্রতি মোড়ে মোড়ে পুলিস কর্মী মোতায়েন ছিল। রবিবার ব্যাপক ভিড় ছিল মুখোশ গ্রাম চরিদাতেও। তবে, ভিড় থাকলেও তার প্রভাব বেচাকেনায় পড়ছে না বলে আক্ষেপ মুখোশ শিল্পীদের।
মুখোশ শিল্পী বান্টি সূত্রধর, জানা সূত্রধর বলেন, যে সংখ্যক পর্যটক আসছেন, সেই পরিমাণে মুখোশ বিক্রি হচ্ছে না। অনেকে দরদাম করেই চলে যাচ্ছেন। অনেকে এমন দাম বলছেন, সেই দামে মুখোশ বিক্রি করলে মজুরি টুকুও উঠবে না। রবিবার ব্যাপক ভিড় ছিল গুড়ের দোকানগুলিতেও। রাস্তার ধারে রস ফুটিয়ে গুড় তৈরি হচ্ছে দেখে দাঁড়াচ্ছেন বহু পর্যটক। কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বাড়ির জন্য।



