Bartaman Logo
১৫ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পাওনা আদায় করতে ব্যবসায়ীকে অপহরণ, পরে উদ্ধার, গ্রেপ্তার এক অভিযুক্ত

পাওনা টাকা আদায় করতে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে মুক্তিপণ চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

পাওনা আদায় করতে  ব্যবসায়ীকে অপহরণ, পরে উদ্ধার, গ্রেপ্তার এক অভিযুক্ত
  • ১৫ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পাওনা টাকা আদায় করতে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে মুক্তিপণ চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বিকালে ঘটনাটি ঘটেছে কড়েয়া এলাকায়। ব্যবসায়ীর পরিবারের তরফে অভিযোগ জানানো হলে ওইদিন রাতে অপহৃতকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে নিশাত হায়দার নামে এক অভিযুক্তকে। অপহরণের ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়ি ও অস্ত্রের খোঁজ চলছে। অন্য অভিযুক্তরা পলাতক। তাদের খোঁজ চলছে।

Advertisement

কড়েয়া এলাকার ওই ব্যবসায়ী লেদার গারমেন্টস সহ একাধিক ব্যবসা রয়েছে। তালতলা এলাকার এক ব্যক্তিকে দিয়ে তিনি কিছু কাজ করিয়েছিলেন। ওই কাজের জন্য লক্ষাধিক টাকার বিল হয়। অভিযোগ, কড়েয়ার ব্যবসায়ী তাকে টাকা দিচ্ছিলেন না। বিভিন্ন অজুহাতে ঘোরাচ্ছিলেন। তালতলা এলাকার ওই ব্যক্তি ঠিক করে, তাকে অপহরণ করে পাওনা টাকা আদায় করবে। সেইমতো বৃহস্পতিবার বিকালে কড়েয়া এলাকায় তার বাড়ির কাছে হাজির হয়। তিনি বাড়ি থেকে বেরনো মাত্র তাঁকে ঘিরে ধরে চার-পাঁচজন। অভিযোগকারী ব্যবসায়ীর দাবি, তাঁকে একটি গাড়িতে জোর করে তোলা হয়। গাড়িতে তুলে তাঁকে বেধড়ক মারধর করে তারা। এরপর ভয় দেখাতে তাঁর মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে বাড়িতে ফোন করতে বাধ্য করে। তারা সব মিলিয়ে ২০ লক্ষ টাকা দাবি করে। অভিযুক্তরা ওই পরিবারের সদস্যদের জানায়, দাবি মতো টাকা না দিলে ওই ব্যবসায়ীকে খতম করে দেওয়া হবে। ব্যবসায়ীর বাড়ির লোকজন ভয় পেয়ে কড়েয়া থানায় অভিযোগ করেন। পুলিশ অভিযোগ পেয়ে যে মোবাইল নম্বর থেকে ফোন এসেছিল, তার টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে। জানা যায়, দক্ষিণ কলকাতাতেই রয়েছে তারা। এদিকে, থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে, জানতে পেরে অপহৃত ব্যবসায়ীকে মাঝরাস্তায় ছেড়ে দিয়ে অভিযুক্তরা গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। তদন্তকারীরা তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ শুনে তাঁরা বুঝতে পারেন, অপহরণকারীরা তাঁর পরিচিত। লেনদেন সংক্রান্ত কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। তালতলায় তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ