সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: দুর্গাপুজোয় মালদহ জেলায় প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছে। অষ্টমীর আগের দিন পর্যন্ত কাপড়ের দোকান থেকে জুতোর দোকান, প্রসাধনী সামগ্রীর দোকান থেকে অন্য দোকান- সব জায়গায় ক্রেতাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। বণিক মহলের দাবি, এবার মানুষজন মন খুলে পুজোর কেনাকাটা করেছে। যার প্রভাব পড়েছে বাজারে। সবথেকে বেশি ব্যবসা হয়েছে জেলা সদর ইংলিশবাজার শহরে। সেখানে একাধিক মল, নামী ব্র্যান্ডের কাপড়ের দোকানে ভিড় উপচে পড়েছিল। এবার দু’দিন সপ্তমী থাকায় কেনাকাটায় বাড়তি সময়ও পেয়েছেন ক্রেতারা। সপ্তমীর বিকেলে মানুষ প্রতিমা দেখার ফাঁকে দোকানে ঢুকেও অষ্টমীর বাজার করেছেন।
ক্রেতা টানতে শহরের দোকানগুলি ব্যাপক ছাড় দিয়েছিল। গ্রামের মানুষও শহরে এসে কেনাকাটা করেছে। গ্রামীণ এলাকাতেও ভালোই ব্যবসা হয়েছে বলে বণিকমহল জানিয়েছে। পুজোর আগে প্রায় প্রত্যেকদিন ভিড়ে ঠাসা ছিল চাঁচলের সামসি, গাজোলের বিভিন্ন দোকান। ভালো ব্যবসা হওয়ায় খুশি দোকানদাররা। মালদহ মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের অন্যতম সদস্য জয়ন্ত কুণ্ডু বলেন, এবারের পুজোয় আমাদের ভালো ব্যবসা হয়েছে। কাপড় বিক্রি বেশি পরিমাণে হয়েছে। সবমিলিয়ে জেলায় ২০০-২৫০ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছে।
একমাস আগে থেকেই মালদহে পুজোর বাজার শুরু হয়ে যায়। এবারও সেটাই হয়েছে। মহালয়ার পর থেকে দোকানে দোকানে ভিড় বাড়তে থাকে। সেই ছবি দেখা গিয়েছে অষ্টমী পর্যন্ত।
বণিকমহলের দাবি, এবার ছোটো ও মাঝারি দোকানদাররাই ৭০ থেকে ৮০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। গাজোল মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের সম্পাদক বিধান রায় বলেন, ২০-২৫ কোটি টাকার বিক্রি আমাদের গ্রামীণ এলাকাতেও হয়েছে। পুজোয় ভালো কেনাবেচা হওয়ায় খুশি পুরাতন মালদহ শহরের কাপড় বিক্রেতারাও। তাঁদের দাবি, এবার মহিলাদের হাতে টাকা ছিল। তাঁরা কেনাকাটাও করেছেন মন খুলে। গতবারের চেয়ে এবার ভালো ব্যবসা হয়েছে বলে জানান মঙ্গলবাড়ির কাপড় বিক্রেতা পাপাই গুপ্ত। তাঁর কথায়, এবছর ভালো ব্যবসা হয়েছে। পুজোর আগে থেকেই বিকেলের পর প্রতিদিন দোকানে ভিড় ছিল। কেনাবেচা ভালোই হয়েছে।



