Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দুর্গাপুজোয় ব্যবসা ভালো হয়নি, দীপাবলির আগে চিন্তা়মগ্ন রথতলার বাজি বিক্রেতারা

বিজয়া দশমীর আগে থেকেই বাজারে তুবড়ি, রংমশাল, ফুলঝুরির চাহিদা বাড়তে থাকে। মহালয়ার জন্যও বাজির চাহিদা থাকে ভালোই।

দুর্গাপুজোয় ব্যবসা ভালো হয়নি, দীপাবলির আগে চিন্তা়মগ্ন রথতলার বাজি বিক্রেতারা
  • ১২ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কল্যাণী: বিজয়া দশমীর আগে থেকেই বাজারে তুবড়ি, রংমশাল, ফুলঝুরির চাহিদা বাড়তে থাকে। মহালয়ার জন্যও বাজির চাহিদা থাকে ভালোই। এরপর কালীপুজো ও দীপাবলি যত এগিয়ে আসে, পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে সেই চাহিদা। অন্যান্য বছর লক্ষ্মীপুজোর পর থেকেই পুরোদমে জমে ওঠে কল্যাণী শহরের বহু পুরনো রথতলা বাজি বাজার। কিন্তু এবার এখনও পর্যন্ত বাজির তেমন চাহিদা নেই। এই পরিস্থিতি দেখে বাজি ব্যবসায়ীরা আঁচ করতে পারছেন, এবার দীপাবলির বাজি বাজারেও মন্দা দেখা দিতে পারে। এই অবস্থায় বাজি তৈরির কাঁচামালের বরাত দিতে গিয়ে দু’বার ভাবতে হচ্ছে তাঁদের। রথতলা এলাকায় দীপাবলি উপলক্ষ্যে অনেক আগে থেকে বাজির মেলা বসে যায়। শতাধিক দোকানদার বাজির পসরা সাজিয়ে বসেন। কিন্তু দু’বছর আগে ওই এলাকার একটি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে প্রাণ যায় চারজনের। তারপর থেকে প্রশাসনের কড়াক঩ড়ি বেড়েছে এলাকায়। পাশাপাশি টানা বৃষ্টিও সমস্যা তৈরি করেছে এ বছর। সব মিলিয়ে তাই দীপাবলির আগে চিন্তা বাড়ছে বাজি কারবারিদের। 

Advertisement

স্থানীয় বাজি ব্যবসায়ী প্রভাত দাস বলেন, ‘বলতে গেলে, করোনার পর থেকেই আমাদের এলাকার বাজির বাজার পড়ে গিয়েছে। এবছর দুর্গাপুজোর বাজারে বেচাকেনা দেখে ঝুঁকি নেওয়ার সাহস হচ্ছে না। একটা সময় ছিল, কাঁচামালের অর্ডার আগে থেকে না দিলে দীপাবলির বাজারে বাজির চাহিদা মেটানো যেত না। এবছর ব্যবসার হাল দেখে আমরা কাঁচামালের অর্ডার অন্যান্য বছরের তুলনায় অন্ততপক্ষে ৫০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছি।’ প্রতি বছর কারিগররা নতুন ধরনের বাজি বাজারে এনে চমক দেওয়ার চেষ্টা করেন। এই বছর চাহিদা না থাকায় নতুন বাজি নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষাও কম হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। তবে ব্যবসায়ীদের আশা, শেষ পর্যন্ত হয়তো একেবারে হতাশ হতে হবে না। দীপাবলির দু’দিন আগে হলেও ক্রেতারা বাজি কিনবেন এখান থেকে।  ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ