নয়াদিল্লি: বার্গার, পিৎজা, মিল্কশেক। একসময় যশপ্রীত বুমরাহর প্রিয় খাদ্য ছিল এগুলোই। কিন্তু পেসার হয়ে ওঠার তাগিদে প্রতিটি পদই জীবন থেকে রাতারাতি ছেঁটে ফেলেছেন তিনি। আর সেই কাহিনি প্রকাশ্যে এনেছেন ভারতের প্রাক্তন বোলিং কোচ ভরত অরুণ।
নয়াদিল্লি: বার্গার, পিৎজা, মিল্কশেক। একসময় যশপ্রীত বুমরাহর প্রিয় খাদ্য ছিল এগুলোই। কিন্তু পেসার হয়ে ওঠার তাগিদে প্রতিটি পদই জীবন থেকে রাতারাতি ছেঁটে ফেলেছেন তিনি। আর সেই কাহিনি প্রকাশ্যে এনেছেন ভারতের প্রাক্তন বোলিং কোচ ভরত অরুণ।
বুমরাহ সম্পর্কে তিনি বলেছেন, ‘বিরাট কোহলির ফিটনেস নিয়ে অনেক কথাই বলা হয়। কিন্তু বুমরাহও কিছু কম নয়। ২০১৩ সালে ও জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে এসেছিল অনূর্ধ্ব-১৯ শিবিরের জন্য। আমি তখন কোচ। সেই দলে ঢুকতে না পারলেও ৩০ জনের মধ্যে ও ছিল। সেই সময় আমরা চেষ্টা করেছিলাম বুমরাহর অ্যাকশন পাল্টানোর। কিন্তু দেখা গেল, নতুন অ্যাকশনে বলে জোর হচ্ছে না। তখন আমরা পুরনো অ্যাকশনেই ফিরতে বললাম। দারুণ অ্যাকশন হয়ে কী হবে, বলে যদি গতিই না থাকে?’
এরপর শুরু হল বুমরাহর স্কিলে শান দেওয়া। অরুণের কথায়, ‘ফিজিও এবং স্ট্রেংথ ও কন্ডিশনিং কোচকে নিয়ে আলোচনায় বসলাম আমরা। যেহেতু ওর অ্যাকশন একেবারেই অন্যরকম, তাই সেটাকে অবিকৃত রেখে এগনোর কথা ভাবা হল। তবে ওই অ্যাকশনে বড্ড চাপ পড়ে যাচ্ছিল। ওকে বললাম যে, ষাঁড়ের মতো শক্তিশালী হতে হবে। তারজন্য আত্মত্যাগের প্রয়োজন। বুমরাহ আপত্তি করেনি। তার আগে পর্যন্ত বার্গার, পিৎজা, মিল্কশেক ছাড়া ওর চলত না। কিন্তু আমরা বলার পর আমূল বদলে গেল ওর ডায়েট। জিমে খাটাখাটনি শুরু করল। কোহলির মতোই সঙ্কল্পবদ্ধ বুমরাহ। তাই রাতারাতি পাল্টে ফেলল নিজের পছন্দ। আসলে খাওয়া-দাওয়ার চেয়েও বোলিংকে বেশি ভালোবাসে ও।’
এদিকে, ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে বুমরাহর তিনটি ম্যাচ খেলা নিয়ে চর্চা অব্যাহত। এই প্রসঙ্গে ভারতের প্রাক্তন স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ সোহম দেশাই বলেছেন, ‘পাঁচ টেস্টের সিরিজের জন্য যথাযথ ফিটনেস তৈরি হয়নি।’