নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: বিতর্কিত স্যালাইনের গুদাম রবিবার সিল করে দিল বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। স্যালাইনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সংস্থার সরবরাহ করা বেশ কয়েকটি ওষুধও বাক্সবন্দি করে রাখা হয়েছে। তা আপাতত রোগীদের শরীরে প্রয়োগ করা হবে না বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। বিতর্কিত স্যালাইন গুদামজাত করার পর মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষের কপালে নতুন করে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। অন্য সংস্থাকে নতুন করে বরাত দেওয়া চার হাজার বোতল স্যালাইন দ্রুত সরবরাহ না হলে আকাল দেখা দিতে পারে বলে চিকিৎসক মহল আশঙ্কা করছে। যদিও আপাতত পর্যাপ্ত পরিমাণে স্যালাইন হাসপাতালে মজুত রয়েছে বলে বাঁকুড়া মেডিক্যালের অধ্যক্ষ পঞ্চানন কুণ্ডু দাবি করেছেন। ফলে এনিয়ে রোগী ও তাঁদের পরিজনদের অযথা উতলা হওয়ার কিছু নেই বলে তিনি জানিয়েছেন। এমনকী চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদেরও তিনি এব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন।
Advertisement
অধ্যক্ষ বলেন, আমরা বিতর্কিত সংস্থার স্যালাইনের বোতলগুলিকে একটি গুদামে ভরে তা সিল করে দিয়েছি। ফলে আপাতত কেউ ওইসব বোতলে হাত দিতে পারবে না। অন্য সংস্থাকে স্যালাইনের বরাত দেওয়া হয়েছে। দ্রুত তা চলে আসবে বলে আমরা আশাবাদি। একলপ্তে চার হাজার বোতল স্যালাইন হাতে পেলে আর সমস্যা থাকবে না। তবে আপাতত আমরা স্থানীয় দোকানগুলি থেকে স্যালাইন কিনছি। তা দিয়ে পরিষেবা সচল রাখা হয়েছে। স্যালাইনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সংস্থা কিছু ওষুধপত্র সরবরাহ করত। তাও আপাতত ব্যবহার করা হচ্ছে না। তবে স্যালাইনের ক্ষেত্রে বিকল্প না থাকলেও ওষুধের ক্ষেত্রে তা রয়েছে। কারণ দামের হেরফের না থাকলে একই গোত্রের ওষুধ একাধিক কোম্পানির কাছ থেকে আমরা কিনে থাকি। ফলে অন্যান্য সংস্থার ওষুধগুলি এখন আমরা ব্যবহার করছি। কিন্তু বিশেষ ধরনের ওই স্যালাইন শুধু একটি সংস্থার থেকেই কেনা হতো। ফলে সকলকেই এনিয়ে কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে।
বিতর্কিত সংস্থার স্যালাইনের একচেটিয়া সরবরাহ নিয়ে বাঁকুড়া মেডিক্যালের চিকিৎসকদের একাংশ ঘনিষ্ঠ মহলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাঁদের বক্তব্য, ওষুধের মতো স্যালাইনের ক্ষেত্রেও সবসময় একের অধিক সংস্থার কাছ থেকে তা কেনা উচিত। তাহলে কোনও কারণে সমস্যা দেখা দিলে বিকল্প সবসময় হাতের কাছে থাকবে। সেক্ষেত্রে কারও উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল থাকতে হবে না। বিষয়টি সরকার তথা স্বাস্থ্যদপ্তরের ভেবে দেখা উচিত।
বাঁকুড়া জেলার মহকুমা, গ্রামীণ ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল ও ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে দেড় বছর আগেই বিতর্কিত স্যালাইন নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল। স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতালগুলির তরফে সমস্যার কথা জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরে জানানো হয়। বাঁকুড়ার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শ্যামল সোরেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা ব্যবস্থা নিয়েছিলাম। দেড় বছর আগেই ওই স্যালাইন কেনা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে আমাদের জেলায় এনিয়ে কোনও সমস্যা নেই। আমাদের হাতে বিকল্প স্যালাইন রয়েছে। তা দিয়ে কাজ চালাতে কোনও অসুবিধা হচ্ছে না।
বিতর্কিত সংস্থার স্যালাইনের একচেটিয়া সরবরাহ নিয়ে বাঁকুড়া মেডিক্যালের চিকিৎসকদের একাংশ ঘনিষ্ঠ মহলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাঁদের বক্তব্য, ওষুধের মতো স্যালাইনের ক্ষেত্রেও সবসময় একের অধিক সংস্থার কাছ থেকে তা কেনা উচিত। তাহলে কোনও কারণে সমস্যা দেখা দিলে বিকল্প সবসময় হাতের কাছে থাকবে। সেক্ষেত্রে কারও উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল থাকতে হবে না। বিষয়টি সরকার তথা স্বাস্থ্যদপ্তরের ভেবে দেখা উচিত।
বাঁকুড়া জেলার মহকুমা, গ্রামীণ ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল ও ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে দেড় বছর আগেই বিতর্কিত স্যালাইন নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল। স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতালগুলির তরফে সমস্যার কথা জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরে জানানো হয়। বাঁকুড়ার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শ্যামল সোরেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা ব্যবস্থা নিয়েছিলাম। দেড় বছর আগেই ওই স্যালাইন কেনা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে আমাদের জেলায় এনিয়ে কোনও সমস্যা নেই। আমাদের হাতে বিকল্প স্যালাইন রয়েছে। তা দিয়ে কাজ চালাতে কোনও অসুবিধা হচ্ছে না।



