নয়াদিল্লি: নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সহ অন্যান্য খরচ। এই অবস্থায় ঋণের কিস্তি মেটাতে গিয়ে অনেকটা খালি হয়ে যাচ্ছে চাকরিজীবীদের পকেট। এরজন্য মাস বেতনের তিন ভাগের এক ভাগের বেশি খরচ হচ্ছে। সাম্প্রতিকতম সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমনই তথ্য।ফলে স্বাভাবিকভাবেই সঞ্চয় ধাক্কা খাচ্ছে।
Advertisement
রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছিল, ভারতীয় পরিবারগুলির সঞ্চয় কমে হয়েছে জিডিপি ৫.১ শতাংশ। গত পাঁচ দশকের মধ্যে এই হার সর্বনিম্ন। মাসিক খরচ সবচেয়ে বেশি কোথায় হচ্ছে? তার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে পিডব্লুসি এবং পারফিওস-এর যৌথ রিপোর্টে। তাদের সমীক্ষায় মেট্রো থেকে টিয়ার থ্রি— দেশের বিভিন্ন ধরনের শহরের ৩০ লক্ষ চাকরিজীবীর খরচের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে ‘ভারত যেভাবে খরচ করে’ শীর্ষক রিপোর্ট তৈরি করেছে তারা। যেখানে বলা হয়েছে, চাকরিজীবীদের বেতনের গড়ে ৩৪ থেকে ৪৫ শতাংশ চলে যাচ্ছে ঋণের কিস্তি ও বিমার প্রিমিয়ামের মতো বাধ্যতামূলক খরচে। সংসারের খরচ, গ্যাসের বিল, গাড়ির তেলের খরচ, ওষধ ও মুদিখানার মতো জরুরি সামগ্রীর জন্য ব্যয় হচ্ছে আয়ের ২২ থেকে ৪৪ শতাংশ। এছাড়া গড়ে ২২ থেকে ৩৩ শতাংশ খরচ হচ্ছে অনলাইন গেমস, রেস্টুরেন্ট বা বাড়িতে অর্ডার দিয়ে খাওয়াদাওয়া বা বিনোদনে।
মাসিক আয় ২০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকার মধ্যে এবং ফিনটেক, নন-ব্যাঙ্কিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফসি) এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন— মূলত এমন ব্যক্তিদের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, চাকরিজীবীদের আয়ের স্তর অনুযায়ী বদলে যাচ্ছে খরচ করার ধরন। রিপোর্ট অনুযায়ী, স্বল্প আয় বর্গের লোকজন মূলত খরচ করছেন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য বা ঋণ মেটাতে। উল্টোদিকে, উচ্চ বেতনভোগী ব্যক্তিরা তাঁদের আয়ের উল্লেখযোগ্য অংশ খরচ করছেন ঋণের কিস্তি, বিমা ও বিনোদনে।
মাসিক আয় ২০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকার মধ্যে এবং ফিনটেক, নন-ব্যাঙ্কিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফসি) এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন— মূলত এমন ব্যক্তিদের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, চাকরিজীবীদের আয়ের স্তর অনুযায়ী বদলে যাচ্ছে খরচ করার ধরন। রিপোর্ট অনুযায়ী, স্বল্প আয় বর্গের লোকজন মূলত খরচ করছেন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য বা ঋণ মেটাতে। উল্টোদিকে, উচ্চ বেতনভোগী ব্যক্তিরা তাঁদের আয়ের উল্লেখযোগ্য অংশ খরচ করছেন ঋণের কিস্তি, বিমা ও বিনোদনে।



