নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: সিল করা পানীয় জলের বোতলের মধ্যে কিলবিল করছে পোকামাকড়, ভেসে বেড়াচ্ছে শ্যাওলা। মিষ্টি সহ অন্যান্য খাবারে দেদার মেশানো হচ্ছে ক্ষতিকর রাসায়নিক। বাঁকুড়ায় খাদ্য সুরক্ষা লাটে উঠলেও প্রশাসনের কোনও নজর নেই বলে উপভোক্তাদের অভিযোগ। পানের অযোগ্য বোতল বন্দি জল বা ক্ষতিকর রং যুক্ত খাবারের ব্যাপারে ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরে তেমন অভিযোগ জমা পড়ে না। সেই সুযোগ নিয়েই এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী রমরমিয়ে ভেজালের কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। এব্যাপারে প্রশাসন তথা খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর উদাসীন বলে জেলার বাসিন্দাদের অভিযোগ। বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে অবিলম্বে বাঁকুড়া শহর সহ জেলার সর্বত্র অভিযান চালানো প্রয়োজন বলে ওয়াকিবহাল মহলের অভিমত। প্রসঙ্গত, গত জুলাই মাসে বাঁকুড়ায় গুঁড়ো মশলায় ভেজাল দেওয়ার অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। তারপর আর খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরকে সেভাবে ময়দানে দেখা যায়নি।
Advertisement
বাঁকুড়ার জেলাশাসক সিয়াদ এন বলেন, খাবারে ভেজাল বরদাস্ত করা হবে না। ওই সংক্রান্ত অভিযোগ পেলে বা ঘটনার কথা জানলেই আমরা ব্যবস্থা নিয়ে থাকি।
উল্লেখ্য, সোমবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া শহরের মাচানতলা এলাকার একটি দোকান থেকে কয়েকজন পানীয় জলের বোতল কেনেন। সেই জলের বোতলে পোকামাকড় ও শ্যাওলা জাতীয় পদার্থ ভেসে বেড়াতে দেখা যায়। জলের বোতলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগেই তা নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে ক্রেতাদের অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে দোকানের মালিকের কাছে ক্রেতারা অভিযোগ করেন। ওই ব্যবসায়ী পানীয় জলের ডিস্ট্রিবিউটরের লোকজনকে ডেকে পাঠান। বোতলের জলে ভেসে বেড়ানো বস্তু খনিজ পদার্থ বলে তাঁরা সাফাই দেন। ঘটনায় ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়ায়। অন্যদিকে, শহরের মিষ্টির দোকানে রাস্তার পাশে রং মেশানো জিলিপি, গজা রমরমিয়ে বিক্রি হচ্ছে। গ্রামীণ এলাকার দোকানগুলির অবস্থাও তথৈবচ। বিভিন্ন মেলার দোকানেও ওই ধরনের রাসায়নিক মেশানো মিষ্টি দেদার বিক্রি হতে দেখা গিয়েছে।
এদিকে, বাঁকুড়ার বিভিন্ন জায়গায় গুঁড়ো হলুদ, জিরা এবং ভোজ্য তেলে ভেজাল মেশানো হয়। জেলার মফস্সল এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা কারখানায় একাধিক নামকরা ব্রান্ডের লেবেল সাঁটিয়ে সরষের তেল পাইকারি হারে বিক্রি করা হয়। আসল সরষের তেলের মতো ঝাঁঝ আনতে ভেজাল তরলে রাসায়নিক মেশানো হয় বলেও অভিযোগ। ওই ধরনের রাসায়নিক শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। ওই তেল পরে বাজারে খুচরো দরে বিভিন্ন দোকানে ক্রেতাদের বিক্রি করা হয়। বিভিন্ন ব্লক এলাকায় ভেজাল হলুদের কারবার চলে রমরমিয়ে। করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনের সময়ে গোপন ডেরায় সবচেয়ে বেশি ভেজাল মেশানো খাদ্য সামগ্রী তৈরি করা হয়েছিল বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ। ওইসময় প্রশাসনের নজরদারির অভাবকে কাজে লাগিয়ে ভেজালের ব্যবসা রমরমিয়ে চলে। এখনও তা চলছে বলে জেলাবাসীর অভিযোগ। ভেজাল বন্ধে প্রশাসন সক্রিয় না হলে সমস্যা থেকে বাঁকুড়াবাসী রেহাই পাবে না বলে ভুক্তভোগীরা মনে করছেন।
উল্লেখ্য, সোমবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া শহরের মাচানতলা এলাকার একটি দোকান থেকে কয়েকজন পানীয় জলের বোতল কেনেন। সেই জলের বোতলে পোকামাকড় ও শ্যাওলা জাতীয় পদার্থ ভেসে বেড়াতে দেখা যায়। জলের বোতলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগেই তা নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে ক্রেতাদের অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে দোকানের মালিকের কাছে ক্রেতারা অভিযোগ করেন। ওই ব্যবসায়ী পানীয় জলের ডিস্ট্রিবিউটরের লোকজনকে ডেকে পাঠান। বোতলের জলে ভেসে বেড়ানো বস্তু খনিজ পদার্থ বলে তাঁরা সাফাই দেন। ঘটনায় ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়ায়। অন্যদিকে, শহরের মিষ্টির দোকানে রাস্তার পাশে রং মেশানো জিলিপি, গজা রমরমিয়ে বিক্রি হচ্ছে। গ্রামীণ এলাকার দোকানগুলির অবস্থাও তথৈবচ। বিভিন্ন মেলার দোকানেও ওই ধরনের রাসায়নিক মেশানো মিষ্টি দেদার বিক্রি হতে দেখা গিয়েছে।
এদিকে, বাঁকুড়ার বিভিন্ন জায়গায় গুঁড়ো হলুদ, জিরা এবং ভোজ্য তেলে ভেজাল মেশানো হয়। জেলার মফস্সল এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা কারখানায় একাধিক নামকরা ব্রান্ডের লেবেল সাঁটিয়ে সরষের তেল পাইকারি হারে বিক্রি করা হয়। আসল সরষের তেলের মতো ঝাঁঝ আনতে ভেজাল তরলে রাসায়নিক মেশানো হয় বলেও অভিযোগ। ওই ধরনের রাসায়নিক শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। ওই তেল পরে বাজারে খুচরো দরে বিভিন্ন দোকানে ক্রেতাদের বিক্রি করা হয়। বিভিন্ন ব্লক এলাকায় ভেজাল হলুদের কারবার চলে রমরমিয়ে। করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনের সময়ে গোপন ডেরায় সবচেয়ে বেশি ভেজাল মেশানো খাদ্য সামগ্রী তৈরি করা হয়েছিল বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ। ওইসময় প্রশাসনের নজরদারির অভাবকে কাজে লাগিয়ে ভেজালের ব্যবসা রমরমিয়ে চলে। এখনও তা চলছে বলে জেলাবাসীর অভিযোগ। ভেজাল বন্ধে প্রশাসন সক্রিয় না হলে সমস্যা থেকে বাঁকুড়াবাসী রেহাই পাবে না বলে ভুক্তভোগীরা মনে করছেন।



