সংবাদদাতা, তেহট্ট: তেহট্টের বেতাই ডঃ বি আর আম্বেদকর কলেজে অধ্যক্ষকে ঘিরে দু’পক্ষের আন্দোলনে ফের উত্তেজনা ছড়াল। শুক্রবার অধ্যক্ষের স্থায়ীকরণের দাবিতে পলাশী মোড় থেকে বেতাই বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত মিছিল করে ‘নাগরিক সমাজ’। ঠিক তখনই কলেজের ভিতর ওই অধ্যক্ষকেই অপসারণের দাবিতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ বিক্ষোভ দেখায়।
Advertisement
টিএমসিপি’র তরফে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে টেন্ডার দুর্নীতি, কলেজের গোপন তথ্য পাচার, ঠিকমতো পঠনপাঠন না হওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। তারা অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে গত শুক্রবারই কলেজে প্রথম বিক্ষোভ দেখায়। সেদিনই কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি তাপস সাহার কাছে অধ্যক্ষকে স্থায়ী করার দাবি জানায় নাগরিক সমাজ। যদিও তাপসবাবু সেদিন বলেন, অধ্যক্ষ থাকছেন না। কারণ তাঁর মেয়াদ শেষ হলেও তিনি এখনও মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়ে কোনও আবেদন জানাননি।
শুক্রবার পথে নেমে অধ্যক্ষের স্থায়ীকরণের দাবি তোলে নাগরিক সমাজ। তাঁদের দাবি, দীর্ঘ ২১ বছর পর এই কলেজ অধ্যক্ষ পেয়েছে। অধ্যক্ষ থাকায় পরিচালন কমিটি দুর্নীতি করতে পারছে না। সেকারণেই অধ্যক্ষকে অপসারণের চেষ্টা করছে তারা। পাল্টা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ।
নাগরিক সমাজের তরফে সুলগ্ন ভট্টাচার্য, শক্তিসাধন বিশ্বাস বলেন, তৃণমূলের একাংশের কাছে কলেজ একটি রোজগারের জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অধ্যক্ষ পীযূষকান্তি দেব রোজগারের জায়গা বন্ধ করে দেওয়ায় তাঁকে সরাতে উঠে পড়ে লেগেছে কলেজের কিছু কর্মী। কলেজে পীযূষকান্তিবাবুকে পুনর্বহালের দাবিতে এদিন মিছিল করা হল। এরপর আমরা মুখ্যমন্ত্রীর শরণাপন্ন হব।
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তেহট্ট-১ ব্লক সভাপতি অচিন্ত্য মণ্ডল বলেন, অধ্যক্ষ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। কলেজের ভিতরের খবর বাইরে পাচারে অভিযুক্ত। তিনি কলেজ পরিচালনা করতেও অক্ষম। তাই তাঁর বদলে ভালো ছাত্র দরদি অধ্যক্ষের দাবিতে আমরা আন্দোলনে নেমেছি। নাগরিক সমাজ বিজেপি ও সিপিএমের একটা গোপন আঁতাত হয়েছে। দুই দল মিলে কলেজে বিশৃঙ্খলা বাধানোর চেষ্টা করছে। ওদের এই গোপন আঁতাত মানুষ মেনে নেবে না।
শুক্রবার পথে নেমে অধ্যক্ষের স্থায়ীকরণের দাবি তোলে নাগরিক সমাজ। তাঁদের দাবি, দীর্ঘ ২১ বছর পর এই কলেজ অধ্যক্ষ পেয়েছে। অধ্যক্ষ থাকায় পরিচালন কমিটি দুর্নীতি করতে পারছে না। সেকারণেই অধ্যক্ষকে অপসারণের চেষ্টা করছে তারা। পাল্টা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ।
নাগরিক সমাজের তরফে সুলগ্ন ভট্টাচার্য, শক্তিসাধন বিশ্বাস বলেন, তৃণমূলের একাংশের কাছে কলেজ একটি রোজগারের জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অধ্যক্ষ পীযূষকান্তি দেব রোজগারের জায়গা বন্ধ করে দেওয়ায় তাঁকে সরাতে উঠে পড়ে লেগেছে কলেজের কিছু কর্মী। কলেজে পীযূষকান্তিবাবুকে পুনর্বহালের দাবিতে এদিন মিছিল করা হল। এরপর আমরা মুখ্যমন্ত্রীর শরণাপন্ন হব।
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তেহট্ট-১ ব্লক সভাপতি অচিন্ত্য মণ্ডল বলেন, অধ্যক্ষ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। কলেজের ভিতরের খবর বাইরে পাচারে অভিযুক্ত। তিনি কলেজ পরিচালনা করতেও অক্ষম। তাই তাঁর বদলে ভালো ছাত্র দরদি অধ্যক্ষের দাবিতে আমরা আন্দোলনে নেমেছি। নাগরিক সমাজ বিজেপি ও সিপিএমের একটা গোপন আঁতাত হয়েছে। দুই দল মিলে কলেজে বিশৃঙ্খলা বাধানোর চেষ্টা করছে। ওদের এই গোপন আঁতাত মানুষ মেনে নেবে না।



