সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: চারঘণ্টা বৈঠকেও সমাধান সূত্র অধরা। পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদের বকেয়া মজুরি নিয়ে কোনও রফাই বের হল না। কার্যত হতাশা আর ক্ষোভে বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবারও সকাল থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বিক্ষোভ দেখালেন অস্থায়ী কর্মীরা। স্বাভাবিকভাবেই ফের অচলাবস্থা তৈরি হল মালবাজারে। সাফাই কর্মীরা কাজ বন্ধ রাখবেন। তবে জরুরি পরিষেবা স্বাভাবিক থাকবে। এই ব্যাপারে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান উৎপল ভাদুড়ি বলেন, পুরসভার ফান্ডের যা অবস্থা, তা থেকে শ্রমিকদের দু’মাসের ও অস্থায়ী কর্মীদের তিন মাসের মজুরি দেওয়া সম্ভব নয়। ১০ জানুয়ারির মধ্যে এক কিস্তি এবং মাসের শেষ দিকে আরও এক কিস্তি মজুরি দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।
Advertisement
মাল পুরসভার প্রায় ৩৫০ জন অস্থায়ী কর্মী রয়েছেন। এদের মধ্যে সাফাই কর্মী, ইলেকট্রিশিয়ান, সুপারভাইজার সহ অন্য কর্মী রয়েছেন। তিনমাস ধরে এই কর্মীরা মজুরি পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। মজুরির দাবিতে বৃহস্পতিবার পুরসভার গেট আটকে তাঁরা বিক্ষোভ দেখান। কিন্তু, কর্তৃপক্ষ থেকে আশ্বাস না পাওয়ায় কর্মীরা কেউ কাজ করেননি। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়, বৃহস্পতিবার রাতে মালবাজার শহর একপ্রকার অন্ধকারে ছিল। রাস্তায় আলো জ্বলেনি। শুক্রবার সকালে সাফাই কর্মীরা না আশায় সাফাই হয়নি। এইরকম পরিবেশে শুক্রবার ফের ওই কর্মীরা অবস্থানে শামিল হন। পুরসদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান ও আধিকারিকগণ দফায় দফায় বৈঠক করেও বিকেল পর্যন্ত সমাধান সূত্র বের করতে পারেননি। অস্থায়ী কর্মীরাও তাঁদের দাবিতে টিকে রয়েছেন।
এই ব্যাপারে পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সুরজিৎ দেবনাথ জানান, সাফাই না হওয়ায় ইতিমধ্যে শহরে জঞ্জাল জমা শুরু হয়েছে। মজুরি না পাওয়ায় অনেক অস্থায়ী কর্মী কাজে আসছেন না। সমস্যা হচ্ছে।
এই ব্যাপারে পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সুরজিৎ দেবনাথ জানান, সাফাই না হওয়ায় ইতিমধ্যে শহরে জঞ্জাল জমা শুরু হয়েছে। মজুরি না পাওয়ায় অনেক অস্থায়ী কর্মী কাজে আসছেন না। সমস্যা হচ্ছে।



