সংবাদদাতা, ইসলামপুর: বিধানসভা নির্বাচন এখনও অনেক দেরি। তবে ব্লকস্তর থেকে ‘শুদ্ধিকরণের’ কাজ শুরু হল ইসলামপুরে। রবিবার দুপুরে সুজালি অঞ্চল তৃণমূলের সম্মেলন হয়েছে স্থানীয় একটি ফুটবল ময়দানে। সেখানে দলের নবনিযুক্ত বুথ সভাপতিদের উদ্দেশ্য করে একাধিক সতর্কবার্তা দিয়েছে ইসলামপুর ব্লক নেতৃত্ব। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, এক মাস সক্রিয় না থাকলেই সরানো হবে পদ থেকে। ব্লকের ১৩টি অঞ্চলে নতুন করে বুথ কমিটি তৈরির কাজ চলছে। কমলাগাঁও সুজালি অঞ্চলে ২৭টি বুথের মধ্যে ২৬টিতে বুথ সভাপতি নিয়োগ হয়ে গিয়েছে। মুলত তাঁদের কর্মপদ্ধতি ঠিক করে দিতেই এদিনের সম্মেলন আয়োজন করা হয়। এদিন সেখানে দলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল, ব্লক সভাপতি জাকির হুসেন, ব্লক সহ সভাপতি কামালউদ্দিন, সুজালি অঞ্চল সভাপতি আবদুস সাত্তার সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
Advertisement
কামালউদ্দিন মঞ্চ থেকে ঘোষণা করেন, নবনিযুক্ত বুথ সভাপতিদের মধ্যে কেউ যদি একমাস সক্রিয় না থাকেন, দলের কর্মসূচি না নেন কিংবা দলের সঙ্গে যোগাযোগ না থাকে, তাহলে ব্লক কমিটির অনুমতি নিয়ে তাঁকে বহিষ্কার করা হবে।
দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে বুথ সভাপতিকে বহিষ্কার করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে এদিন। বুথ সভাপতিরা নিচুতলায় সংগঠন মজবুত করার কাজ করেন। ভোট করানোর সময় তাঁদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নেতৃত্ব নিচুতলা থেকেই সংগঠন মজবুত করার দিকে জোর দিচ্ছে।
কমলাগাঁও সুজালি অঞ্চল ইসলামপুরে ব্লকে হলেও চোপড়া বিধানসভার অংশ। এদিনের সম্মেলনে দলের জেলা নেতৃত্ব উপস্থিত থাকলেও স্থানীয় বিধায়ক হামিদুল রহমানকে দেখা যায়নি। সম্প্রতি সুজালি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান নুরি বেগমকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সেই সময় প্রধানের পক্ষ সওয়াল করেছিলেন হামিদুল। তাই বিধায়কের অনুপস্থিতিতে চর্চা শুরু হয়েছে। এপ্রসঙ্গে স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি আবদুস সাত্তারের মন্তব্য, এখানে গোষ্ঠীকোন্দল নেই। বিধায়ককে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। হামিদুল বলেন, ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম। সেজন্য আমন্ত্রণ পেলেও সম্মেলনে যাওয়া হয়নি।
দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে বুথ সভাপতিকে বহিষ্কার করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে এদিন। বুথ সভাপতিরা নিচুতলায় সংগঠন মজবুত করার কাজ করেন। ভোট করানোর সময় তাঁদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নেতৃত্ব নিচুতলা থেকেই সংগঠন মজবুত করার দিকে জোর দিচ্ছে।
কমলাগাঁও সুজালি অঞ্চল ইসলামপুরে ব্লকে হলেও চোপড়া বিধানসভার অংশ। এদিনের সম্মেলনে দলের জেলা নেতৃত্ব উপস্থিত থাকলেও স্থানীয় বিধায়ক হামিদুল রহমানকে দেখা যায়নি। সম্প্রতি সুজালি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান নুরি বেগমকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সেই সময় প্রধানের পক্ষ সওয়াল করেছিলেন হামিদুল। তাই বিধায়কের অনুপস্থিতিতে চর্চা শুরু হয়েছে। এপ্রসঙ্গে স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি আবদুস সাত্তারের মন্তব্য, এখানে গোষ্ঠীকোন্দল নেই। বিধায়ককে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। হামিদুল বলেন, ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম। সেজন্য আমন্ত্রণ পেলেও সম্মেলনে যাওয়া হয়নি।



