সংবাদদাতা, মানবাজার: বাড়তি সুবিধা পেতে রেশন কার্ড জঙ্গলমহল এলাকায় স্থানান্তরের অভিযোগ উঠেছে এক সিপিএম নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি পুরুলিয়ার মানবাজার-১ ব্লকের জিতুজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের কাদলাগোড়া গ্রামের। সিপিএম নেতা সুনীল মাণ্ডির ওই গ্রামে বাড়ি হওয়া সত্ত্বেও তিনি বাড়তি সুবিধা পেতে রেশন কার্ড পুরুলিয়া-২ ব্লকে করিয়েছেন বলে অভিযোগ। এনিয়ে স্থানীয় অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি দয়াময় বাউরি বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। বিষয়টি সামনে আসতেই ব্যাপক হইচই শুরু হয়েছে। যদিও ইচ্ছাকৃতভাবে কার্ড স্থানান্তরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন সুনীলবাবু।
Advertisement
মানবাজার-১ বিডিও দেবাশিস ধর বলেন, এই ব্লকের বাসিন্দা হয়ে মানবাজার-২ ব্লক এলাকায় রেশন কার্ড করানো যায় না। কেউ যদি এটা করিয়ে থাকেন, তাহলে সেটি মানবাজার-২ ব্লক প্রশাসনকে দেখতে বলব।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে সুনীলবাবু কাদলাগোড়া গ্রামেরই স্থায়ী বাসিন্দা। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিপিএমের টিকিটে তিনি কাদলাগোড়া সংসদ থেকে লড়াই করেছিলেন। এই সংসদেই তাঁর ভোটার তালিকায় নামও আছে। অভিযোগ, তা সত্ত্বেও জঙ্গলমহল এলাকার বাড়তি সুবিধা পাওয়ার জন্য রেশন কার্ড অন্যত্র স্থানান্তর করেছেন। সুনীলবাবু তাঁর মেয়ের বিয়ের পর পরিবারের রেশন কার্ডগুলি বোরো থানার অন্তর্গত সিঁদরাইডি গ্রামে স্থানান্তরিত করেছেন। সেখানে জঙ্গলমহল এলাকা বলে রেশনের বাড়তি প্যাকেজ আছে। রেশনের সামগ্রী গাড়িতে করে মেয়ের শ্বশুরবাড়ির গ্রাম থেকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। গত প্রায় এক বছর ধরে এই কাজ তিনি করে আসছেন বলে অভিযোগ। প্রথমে বিষয়টি কেউ টের না পেলেও পরে তা জানাজানি হয়।
সুনীলবাবু আগে গ্রামেরই স্থানীয় ডিলারের কাছে রেশন সামগ্রী তুলতেন। এখন জঙ্গলমহল এলাকায় কার্ড স্থানান্তর করে সেখানকার রেশনের সুবিধা ভোগ করছেন। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি দয়াময়বাবু মঙ্গলবার মানবাজার-১ ব্লকে লিখিত অভিযোগ জানান। তিনি বলেন, জঙ্গলমহল এলাকায় রেশনের বাড়তি সামগ্রী দেওয়া হয়। সুনীলবাবুর মেয়ের শ্বশুরবাড়ি মানবাজার-২ ব্লকের সিঁদরাইডি গ্রামে। মেয়ের বিয়ের পর থেকে পরিকল্পনা করে সেখানেই পরিবারের রেশন কার্ডগুলি স্থানান্তরিত করেন। বর্তমানে সেখানকার রেশনের বাড়তি সুবিধা নিচ্ছেন। বিষয়টি বিডিওকে জানিয়েছি।
ওই অঞ্চলের বাসিন্দা তথা জেলা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি গুরুপদ টুডু বলেন, ওই ব্যক্তি পরিকল্পনা করে তাঁর পরিবারের রেশন কার্ডগুলি মেয়ের শশুরবাড়ি এলাকায় স্থানান্তরিত করেছেন। জঙ্গলমহল এলাকার রেশনের বাড়তি প্যাকেজের সুবিধা নিচ্ছেন। যা নিয়ম বহির্ভূত। আমরা চাই এর সঠিক তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।
সুনীলবাবু বলেন, কয়েক বছর আগে সিঁদরাইডি গ্রামে মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর গত বছর মেয়ে তার কার্ড ট্রান্সফারের জন্য সেখানে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে আবেদন জানায়। তারপর দেখি পুরো পরিবারের কার্ড সেখানে ট্রান্সফার হয়ে গিয়েছে। মোট আটটি কার্ড ট্রান্সফার হয়ে গিয়েছে। কীভাবে হল তা দুয়ারে সরকারের কর্মীরাই বলতে পারবেন। স্থানীয় রেশন ডিলারের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, এতে কোনও অসুবিধা হবে কি না। জানানো হয়, রেশন সামগ্রী যেখানে খুশি পেলেই হল, কোনও অসুবিধা হবে না। মেয়েও সেখানকার রেশন ডিলারের কাছে জানতে চেয়েছিল, সেখানেও একই কথা বলা হয়। সেই জন্যই তখন বিষয়টি নিয়ে এত গুরুত্ব দিইনি। এখন কার্ডগুলি নিজের এলাকায় আনার জন্য পুনরায় আবেদন করব।
সুনীলবাবু আগে গ্রামেরই স্থানীয় ডিলারের কাছে রেশন সামগ্রী তুলতেন। এখন জঙ্গলমহল এলাকায় কার্ড স্থানান্তর করে সেখানকার রেশনের সুবিধা ভোগ করছেন। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি দয়াময়বাবু মঙ্গলবার মানবাজার-১ ব্লকে লিখিত অভিযোগ জানান। তিনি বলেন, জঙ্গলমহল এলাকায় রেশনের বাড়তি সামগ্রী দেওয়া হয়। সুনীলবাবুর মেয়ের শ্বশুরবাড়ি মানবাজার-২ ব্লকের সিঁদরাইডি গ্রামে। মেয়ের বিয়ের পর থেকে পরিকল্পনা করে সেখানেই পরিবারের রেশন কার্ডগুলি স্থানান্তরিত করেন। বর্তমানে সেখানকার রেশনের বাড়তি সুবিধা নিচ্ছেন। বিষয়টি বিডিওকে জানিয়েছি।
ওই অঞ্চলের বাসিন্দা তথা জেলা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি গুরুপদ টুডু বলেন, ওই ব্যক্তি পরিকল্পনা করে তাঁর পরিবারের রেশন কার্ডগুলি মেয়ের শশুরবাড়ি এলাকায় স্থানান্তরিত করেছেন। জঙ্গলমহল এলাকার রেশনের বাড়তি প্যাকেজের সুবিধা নিচ্ছেন। যা নিয়ম বহির্ভূত। আমরা চাই এর সঠিক তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।
সুনীলবাবু বলেন, কয়েক বছর আগে সিঁদরাইডি গ্রামে মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর গত বছর মেয়ে তার কার্ড ট্রান্সফারের জন্য সেখানে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে আবেদন জানায়। তারপর দেখি পুরো পরিবারের কার্ড সেখানে ট্রান্সফার হয়ে গিয়েছে। মোট আটটি কার্ড ট্রান্সফার হয়ে গিয়েছে। কীভাবে হল তা দুয়ারে সরকারের কর্মীরাই বলতে পারবেন। স্থানীয় রেশন ডিলারের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, এতে কোনও অসুবিধা হবে কি না। জানানো হয়, রেশন সামগ্রী যেখানে খুশি পেলেই হল, কোনও অসুবিধা হবে না। মেয়েও সেখানকার রেশন ডিলারের কাছে জানতে চেয়েছিল, সেখানেও একই কথা বলা হয়। সেই জন্যই তখন বিষয়টি নিয়ে এত গুরুত্ব দিইনি। এখন কার্ডগুলি নিজের এলাকায় আনার জন্য পুনরায় আবেদন করব।



