Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাড়িতে বিধ্বংসী আগুন, মৃত্যু ৩ বছরের শিশুর

বাড়িতে বিধ্বংসী আগুন, মৃত্যু ৩ বছরের শিশুর
  • ১০ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: বাড়িতে আগুন লেগে ঘুমন্ত অবস্থায় মর্মান্তিক মৃত্যু হল এক শিশুর। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম রিমি মণ্ডল (৩)। শিশুটির বাড়ি সাগরদিঘি থানার চালতাবাড়ি চপের মোড় এলাকায় হলেও গোবর্ধনডাঙায় পিসির বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ হয়। ঘটনায় পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। আগুনে বাড়ির সমস্ত জিনিসপত্রও ভস্মীভূত হয়ে যায়। পুলিস জানিয়েছে, দেহ উদ্ধার করে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
Advertisement
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর দুয়েক আগে শিশুকন্যার মা প্রীতিলতা মণ্ডল বাপের বাড়িতে আত্মঘাতী হন। তারপর থেকে রিমি বাবা ভরত মণ্ডলের কাছেই থাকত। ভরত কাজে বেরিয়ে যাওয়ার আগে মেয়েকে তাঁর দিদির বাড়িতে রেখে যেতেন। রিমির পিসি আবাস যোজনায় বাড়ি পেয়েছেন। সেই জন্য বাড়ি ভেঙে পাশেই একটি টিন ও টালির ঘরে থাকছেন। ওইদিন সন্ধ্যায় রিমি সেখানেই ঘুমিয়ে পড়েছিল। সেই সময় তার পিসি চপের মোড় এলাকায় একটি সিএসপি পয়েন্ট থেকে টাকা তুলতে যান। তখনই কোনওভাবে বাড়িতে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে ঘরটি দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে। ঘর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখলে আশপাশের মানুষ ছুটে আসেন। ততক্ষণে ঘরের আসবাবপত্র ধরে যায়। আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও ঘরের সমস্ত আসবাবপত্র পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়। তখনও কেউ বুঝতেই পারেনি শিশুটি ঘুমিয়ে রয়েছে। ফলে ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। শিশুটির পিসি ব্যাঙ্ক থেকে ফিরে জানান, রিমি শুয়ে রয়েছে। তখন স্থানীয় বাসিন্দারা শিশুটিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
মৃতার বাবা ভরত মণ্ডল জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতাল মর্গের সামনে দাঁড়িয়ে বলেন, দিদির কাছে রেখে কাজে গিয়েছিলাম। ফোনে খবর পাই দিদির বাড়িতে আগুন ধরে গিয়েছে। মেয়েকে ঘুম পাড়িয়ে দিদি ব্যাঙ্কে গিয়েছিল। ঘুমন্ত অবস্থাতেই সেখানে মেয়ে পুড়ে মারা গিয়েছে।
ফুটন্ত ভাতের হাঁড়ি উল্টে শিশুর মৃত্যু: ফুটন্ত ভাতের হাঁড়ি উল্টে গরম ভাতের ফ্যানে পুড়ে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম অঙ্কুশ মণ্ডল(২)। বুধবার সকালে সাগরদিঘি থানার মথুরাপুরের ওই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে আসে। পুলিস মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে মর্গে পাঠায়। বৃহস্পতিবার সেখানেই শিশুটির ময়নাতদন্ত হয়। জানা গিয়েছে, গত ৩ জানুয়ারি শিশুটির মা ঘরে রান্না করছিলেন। পাশে বসে শিশুটি খেলা করছিল। ওভেনের হাঁড়িতে ভাত ফুটছিল। শিশুটি খেলার সময় আচমকাই ভাতের হাঁড়ি ধরে টেনে ফেলে দেয়। গরম ভাতের হাঁড়ি তার গায়ে পড়ে যায়। তড়িঘড়ি শিশুটিকে উদ্ধার করে সাগরদিঘি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার তার মৃত্যু হয়। মৃত শিশুর দাদু অখিল মণ্ডল বলেন, নাতি খেলা করছিল। তখনই আচমকা সে ভাতের হাঁড়ি টেনে ফেলে দেয়।
সম্পর্কিত সংবাদ