সংবাদদাতা, বহরমপুর: সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার। ক্ষণে ক্ষণে ঝিরঝিরে বৃষ্টি। ফের প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় চাষিদের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ। আমন ধান মাঠে পড়ে রয়েছে। বহু চাষি ধান খামারে তুলেও ঝাড়াতে পারেননি। আমন চাষে এবার ভালো ফলন হলেও সব ধান হাতে লাগবে কিনা সেই আশঙ্কায় ভুগছেন বহু চাষি। পাশাপাশি এখনও পুরোদমে চলছে আলু বসানো ও আলুর জমিতে মাটি তোলার কাজ। অসময়ের বৃষ্টিতে বিঘ্নিত হতে বসেছে সেই কাজ। চাষিদের বক্তব্য, অগ্রহায়ণের শেষ লগ্নে কুয়াশার দাপট থাকলেও বৃষ্টির সভাবনা থাকে না। এবার সেই সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় চিন্তা হচ্ছে। মেঘমুক্ত আকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন চাষিরা।
Advertisement
রবিবার পর্যন্ত বৃষ্টির কোনও লক্ষণ ছিল না। ভিন রাজ্যে বৃষ্টি হলেও বাংলায় রবিবার ছিল রৌদ্রজ্জ্বল। সোমবার ভোর থেকেই আকাশের অবস্থা বদলাতে শুরু করেছে। সকাল থেকে ঝিরঝিরে বৃষ্টি শুরু হয়েছে জেলাজুড়ে। দুপুর পর্যন্ত রোদের দেখা মেলেনি। বরং দিন যত গড়িয়েছে আকাশের অবস্থা ততই জটিল হতে শুরু করেছে। অসময়ে দুর্যোগের অশনি সংকেত চাষিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। সকাল থেকেই কাটা ধান খামারে তুলতে কার্যত হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছে।
কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার আলু চাষ দেরিতে হওয়ায় বহু চাষি আমন ধান এখনও খামারে তুলতে পারেননি। বহু জমির ধান এখনও কাটাও হয়নি। জমিতেই গাদা দেওয়া পড়ে রয়েছে প্রচুর ধান। কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, এখনও প্রায় ৪০ শতাংশ ধান মাঠেই রয়েছে।
এই অবস্থায় আকাশের মুখ ভার হওয়ায় চাষিরা চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। বীরভূম লাগোয়া মুর্শিদাবাদ জেলায় বৃষ্টির প্রভাব কিছুটা বেশিই। সোমবার সকাল থেকেই ধান তোলার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। কিছু চাষি তড়িঘড়ি আলুর মাটি তুলতে শুরু করেছেন। তবে এখনও যাঁরা আলু বসাতে পারেননি তাঁরা আকাশের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন।
রামেশ্বরপুরের ধান চাষি সুভাষ ঘোষ বলেন, পাঁচ বিঘা জমির ধান এখনও খামারে আনতে পারিনি। মাঠেই পড়ে রয়েছে। কী হবে জানি না। বড়ঞা ব্লকের পারশালিকার ধান চাষি রঞ্জিত পাল বলেন, মেশিনে ধান কাটতে পারিনি। কাটা ধান জমিতেই গাদা দিয়ে রেখেছি। বৃষ্টি হলে চরম ক্ষতি হয়ে যাবে। ধান ঘরে আনতে খরচা দ্বিগুণ হয়ে যাবে। কবে আকাশ পরিষ্কার হবে সেদিকেই তাকিয়ে চাষিরা।
কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার আলু চাষ দেরিতে হওয়ায় বহু চাষি আমন ধান এখনও খামারে তুলতে পারেননি। বহু জমির ধান এখনও কাটাও হয়নি। জমিতেই গাদা দেওয়া পড়ে রয়েছে প্রচুর ধান। কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, এখনও প্রায় ৪০ শতাংশ ধান মাঠেই রয়েছে।
এই অবস্থায় আকাশের মুখ ভার হওয়ায় চাষিরা চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। বীরভূম লাগোয়া মুর্শিদাবাদ জেলায় বৃষ্টির প্রভাব কিছুটা বেশিই। সোমবার সকাল থেকেই ধান তোলার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। কিছু চাষি তড়িঘড়ি আলুর মাটি তুলতে শুরু করেছেন। তবে এখনও যাঁরা আলু বসাতে পারেননি তাঁরা আকাশের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন।
রামেশ্বরপুরের ধান চাষি সুভাষ ঘোষ বলেন, পাঁচ বিঘা জমির ধান এখনও খামারে আনতে পারিনি। মাঠেই পড়ে রয়েছে। কী হবে জানি না। বড়ঞা ব্লকের পারশালিকার ধান চাষি রঞ্জিত পাল বলেন, মেশিনে ধান কাটতে পারিনি। কাটা ধান জমিতেই গাদা দিয়ে রেখেছি। বৃষ্টি হলে চরম ক্ষতি হয়ে যাবে। ধান ঘরে আনতে খরচা দ্বিগুণ হয়ে যাবে। কবে আকাশ পরিষ্কার হবে সেদিকেই তাকিয়ে চাষিরা।



