নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: এবছর প্রথম থেকে প্রকৃতি আলু চাষিদের পক্ষেই ছিল। জমি দেখে জামালপুর ব্লকের চাষিরা খুশি ছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বৃষ্টি হওয়ায় চাষিদের রাতের ঘুম চলে গিয়েছে। বৃহস্পতিবারের পর শনিবার এই ব্লকের বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকায় ফের বৃষ্টি হয়েছে। জমিতে জল জমে যাওয়ায় গাছ পচতে শুরু করেছে। পাঁচড়া এলাকার চাষি শেখ মইদুল ইসলাম বলেন, আলু উঠতে আরও কিছুদিন সময় লাগত। কিন্তু তার আগেই জমিতে জল জমে যাওয়ায় গাছ পচতে শুরু করেছে। কোনওকিছু দিয়ে গাছ বাঁচানো যাবে না। মাঠ থেকে আলু তোলার পর তা বেশিদিন রাখা যাবে না। পচতে শুরু করবে। জামালপুরের পাশাপাশি রায়না ব্লকেরও বহু জমিতে জল জমে গিয়েছে। নিচু জমি থেকে জল বের করাই সমস্যা। কৃষিদপ্তরের আধিকারিকরা এদিন মাঠে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জমি চিহ্নিত করেন। জেলায় রিপোর্ট জমা হওয়ার পর দপ্তর পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে। এক আধিকারিক বলেন, জেলার সব জায়গায় বৃষ্টি হয়নি। মেমারি বা কালনা মহকুমায় আলু জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। তবে জামালপুরের বহু জমিতে জল জমে গিয়েছে। চাষিরা আলু তুলে নিচ্ছেন। জমিতে বেশিদিন জল জমে থাকলে আলু পচে যাবে।
Advertisement
চাষিরা বলেন, পোখরাজ আলু বেশ কিছুদিন ধরে উঠতে শুরু করেছে। আলুর দাম পাওয়া যাচ্ছে না। সরকার কোথাও কোথাও ১০টাকা কেজি দরে আলু কেনায় চাষিরা উপকৃত হচ্ছেন। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক আয়েশা রানি এ বলেন, কৃষি বিপণন দপ্তর সরাসরি চাষিদের থেকে আলু কিনে সুফল বাংলা স্টলে বিক্রি করছে। জামালপুরেও আলু কেনা হচ্ছে।
চাষিরা বলেন, এরপর ফের বৃষ্টি হলে চাষিদের পথে বসা ছাড়া উপায় থাকবে না। এক বিঘা জমিতে আলু চাষ করতে ২২-২৫ হাজার টাকা খরচ হয়। আলু পচতে শুরু করলে খরচও উঠে আসবে না। সরকারের আরও বেশি করে আলু কেনা দরকার। মাঠে চাষিরা ছ’-সাত টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। আর কয়েকদিন পর আলু ওঠার মরশুম পুরোদমে শুরু হয়ে যাবে। তখন দাম আরও কমে যাবে বলে চাষিদের আশঙ্কা। তারপর জমিতে জল জমে আলু পচতে থাকায় চাষিদের দুশ্চিন্তা আরও বেড়ে গিয়েছে। বিশেষ করে জামালপুরের চাষিদের রাতের ঘুম চলে গিয়েছে।
বর্ধমানে জলে ভরা আলু খেত।-নিজস্ব চিত্র
চাষিরা বলেন, এরপর ফের বৃষ্টি হলে চাষিদের পথে বসা ছাড়া উপায় থাকবে না। এক বিঘা জমিতে আলু চাষ করতে ২২-২৫ হাজার টাকা খরচ হয়। আলু পচতে শুরু করলে খরচও উঠে আসবে না। সরকারের আরও বেশি করে আলু কেনা দরকার। মাঠে চাষিরা ছ’-সাত টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। আর কয়েকদিন পর আলু ওঠার মরশুম পুরোদমে শুরু হয়ে যাবে। তখন দাম আরও কমে যাবে বলে চাষিদের আশঙ্কা। তারপর জমিতে জল জমে আলু পচতে থাকায় চাষিদের দুশ্চিন্তা আরও বেড়ে গিয়েছে। বিশেষ করে জামালপুরের চাষিদের রাতের ঘুম চলে গিয়েছে।
বর্ধমানে জলে ভরা আলু খেত।-নিজস্ব চিত্র



